ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করলে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না : ওয়ারেছ আলী মামুন জামালপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শুভ উদ্বোধন মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ান আহত, সাব-জোনাল অফিস ঘেরাও-ভাঙচুর শেরপুর যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জামালপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল শেরপুরে কালোবাজারে সার বিক্রির মামলায় ১৫ সার ডিলার জেল হাজতে বকশীগঞ্জে এবার জনতার হাতে ২৫ বস্তা সারবাহী অটোরিকশা আটক ‘ধানের শীষে ভোট চাইছি, মাফ চাই’ পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার বকশীগঞ্জে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল

থ্যালাসেমিয়ামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, থ্যালাসেমিয়ামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর।

এ রোগ প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

৮ মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক আমাদের গৃহীত উদ্যোগ প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আমরা নতুন নতুন হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়নে গৃহীত কর্মসূচির ফলে শিশু মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। আমরা ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, থ্যালাসেমিয়া জিন সমস্যাজনিত রোগ। পিতা-মাতা থেকে রক্তের হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিনের ত্রুটিপূর্ণ সংমিশ্রণে সন্তানের শরীরে থ্যালাসেমিয়া বিস্তার লাভ করে।

সাধারণত ১ থেকে ৩ বছরের শিশুদের মধ্যে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এ রোগে আক্রান্ত শিশুদের শরীরে মারাত্মক রক্তশূন্যতা দেখা দেয়, ফলে ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর পর রোগাক্রান্ত শিশুদের শরীরে বাড়তি রক্তকণিকা যোগ করে রক্তের ঘাটতি পূরণ করতে হয়।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৭ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। বিয়ের পূর্বেই থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সহজেই এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

প্রতি বছরের মত বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৮ মে ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী থ্যালাসেমিয়া দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য- অনাগত সন্তানকে দিতে থ্যালাসেমিয়া থেকে সুরক্ষা, বিয়ের আগে করুন রক্তের ইলেকট্রোফোরেসিস পরীক্ষা’ যথার্থ হয়েছে উল্লেখ করে।
তিনি ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস-২০১৯’ এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন। সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করলে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না : ওয়ারেছ আলী মামুন

থ্যালাসেমিয়ামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, থ্যালাসেমিয়ামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর।

এ রোগ প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

৮ মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক আমাদের গৃহীত উদ্যোগ প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আমরা নতুন নতুন হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়নে গৃহীত কর্মসূচির ফলে শিশু মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। আমরা ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, থ্যালাসেমিয়া জিন সমস্যাজনিত রোগ। পিতা-মাতা থেকে রক্তের হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিনের ত্রুটিপূর্ণ সংমিশ্রণে সন্তানের শরীরে থ্যালাসেমিয়া বিস্তার লাভ করে।

সাধারণত ১ থেকে ৩ বছরের শিশুদের মধ্যে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এ রোগে আক্রান্ত শিশুদের শরীরে মারাত্মক রক্তশূন্যতা দেখা দেয়, ফলে ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর পর রোগাক্রান্ত শিশুদের শরীরে বাড়তি রক্তকণিকা যোগ করে রক্তের ঘাটতি পূরণ করতে হয়।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৭ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। বিয়ের পূর্বেই থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সহজেই এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

প্রতি বছরের মত বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৮ মে ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী থ্যালাসেমিয়া দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য- অনাগত সন্তানকে দিতে থ্যালাসেমিয়া থেকে সুরক্ষা, বিয়ের আগে করুন রক্তের ইলেকট্রোফোরেসিস পরীক্ষা’ যথার্থ হয়েছে উল্লেখ করে।
তিনি ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস-২০১৯’ এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন। সূত্র : বাসস