ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যে স্মারকগ্রন্থে আবারও জীবন্ত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু, দাদি আহত স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াতে ইসলামী নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত জামালপুরে রাজিব বাসচাপায় অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত, আহত ২০ শিশুবান্ধব সমাজ গঠনই হোক আমাদের অঙ্গীকার : সংসদ সদস্য মামুন মাদারগঞ্জে কেমিক্যালের ড্রাম কাটতে গিয়ে বিস্ফোরণ, ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মৃত্যু মাদারগঞ্জে কিশোরী রূপসী হত্যা : প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েনে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর অপহরণ করে ধর্ষণ, ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আমজাদ হোসেন আর নেই

আমজাদ হোসেন

আমজাদ হোসেন

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার, অভিনয়শিল্পী এবং লেখক আমজাদ হোসেন ব্যাংককের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। ১৪ ডিসেম্বর দুপুর তিনটার দিকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। খবর ডেইলি বাংলাদেশের।

আমজাদ হোসেনের বড় ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল বলেন, ১৪ ডিসেম্বর দুপুরে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালের চিকিৎকরা বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

আমজাদ হোসেনের মৃতদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে দোদুল বলেন, এখনো কিছু সিদ্ধান্ত হয়নি। কবে, কখন, কীভাবে নিয়ে আসা হবে তার সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাইকে জানানো হবে।

গেল ১৮ নভেম্বর ব্রেন স্ট্রোক করেন গুনী এ নির্মাতা। সেদিনই তাকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় আমজাদ হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক নেয়া হয়। ২৭ নভেম্বর মধ্যরাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ব্যাংককে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে তিনি প্রখ্যাত নিউরোসার্জন টিরা ট্যাংভিরিয়াপাইবুনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্ম নেয়া আমজাদ হোসেন চিত্র পরিচালনার বাইরে লেখক, গীতিকার, অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত।‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে ১৯৬১ সালে রুপালি পর্দায় তার আগমন। পরে চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় তিনি বেশি সময় দেন। ১৯৬৭ সালে মুক্তি পায় তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘খেলা’। সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’র চিত্রনাট্য লেখায় জহির রায়হানের সঙ্গে আমজাদ হোসেনও ছিলেন।

তার ‘নয়নমনি’, ‘ভাত দে’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘কসাই’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রও দর্শক ও বোদ্ধামহলের প্রশংসা পায়। তার লেখা ও নির্মিত টিভি নাটকও ছিল জনপ্রিয়।

গান লেখায়, চিত্রনাট্যে ও পরিচালনায় চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া সরকার তাকে একুশে পদকেও ভূষিত করে।
সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ

আপলোডকারীর তথ্য

যে স্মারকগ্রন্থে আবারও জীবন্ত তিনি

আমজাদ হোসেন আর নেই

আপডেট সময় ০৬:৩৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮
আমজাদ হোসেন

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার, অভিনয়শিল্পী এবং লেখক আমজাদ হোসেন ব্যাংককের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। ১৪ ডিসেম্বর দুপুর তিনটার দিকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। খবর ডেইলি বাংলাদেশের।

আমজাদ হোসেনের বড় ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল বলেন, ১৪ ডিসেম্বর দুপুরে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালের চিকিৎকরা বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

আমজাদ হোসেনের মৃতদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে দোদুল বলেন, এখনো কিছু সিদ্ধান্ত হয়নি। কবে, কখন, কীভাবে নিয়ে আসা হবে তার সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাইকে জানানো হবে।

গেল ১৮ নভেম্বর ব্রেন স্ট্রোক করেন গুনী এ নির্মাতা। সেদিনই তাকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় আমজাদ হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক নেয়া হয়। ২৭ নভেম্বর মধ্যরাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ব্যাংককে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে তিনি প্রখ্যাত নিউরোসার্জন টিরা ট্যাংভিরিয়াপাইবুনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্ম নেয়া আমজাদ হোসেন চিত্র পরিচালনার বাইরে লেখক, গীতিকার, অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত।‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে ১৯৬১ সালে রুপালি পর্দায় তার আগমন। পরে চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় তিনি বেশি সময় দেন। ১৯৬৭ সালে মুক্তি পায় তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘খেলা’। সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’র চিত্রনাট্য লেখায় জহির রায়হানের সঙ্গে আমজাদ হোসেনও ছিলেন।

তার ‘নয়নমনি’, ‘ভাত দে’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘কসাই’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রও দর্শক ও বোদ্ধামহলের প্রশংসা পায়। তার লেখা ও নির্মিত টিভি নাটকও ছিল জনপ্রিয়।

গান লেখায়, চিত্রনাট্যে ও পরিচালনায় চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া সরকার তাকে একুশে পদকেও ভূষিত করে।
সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ