ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানান্তরের আবেদন নেই : জাল কাগজে বদলে গেল সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থীর ভোটার এলাকা জামালপুরে রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে মাদকবিরোধী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে ইউএনও’র অভিযানে ২৩ বস্তা সার জব্দ বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসানুল করিমের দাফন সম্পন্ন, দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় সম্মান স্কুলছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের অপরাধে যুবকের কারাদণ্ড দেওয়ানগঞ্জে নদী থেকে শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার ডেঙ্গু রোগীদের মশারি দিলেন যুবদলনেতা সোহেল রানা খান মাদারগঞ্জে ফ্রিজে ৪০ কেজি পচা মাংস, ব্যবসায়ীকে জরিমানা শেরপুর বার্ড ক্লাব ও শাইন এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতায় ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
বিদ্যালয়ে শিশু উপস্থিতির হার বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়ারোধে সরকার দারিদ্রপীড়িত বেশ কিছু উপজেলায় ২০১৬ সাল থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খাদ্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কারিগরী সহায়তায় ইসলামপুর উপজেলায় উন্নয়ন সংঘ এই কর্মসূচিটি চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে বাস্তবায়ন করে আসছে। এই কর্মসূচির আওতায় ১৮ সেপ্টেম্বর ইসলামপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় ত্রৈমাসিক আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান।

অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন উন্নয়ন সংঘের মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান আরজু, আব্দুল গফুর খান, খোরশেদ আলম, সোহেল মাহমুদ, উন্নয়ন সংঘের এমআরও তাহেরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় সংস্থার সকল বিদ্যালয় মনিটরগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিতির হার বৃদ্ধি, প্রথম ঘন্টায় বিস্কুট বিতরণ, বিশুদ্ধ খাবার পনির ব্যবস্থা করা, টিফিন বাক্সে রেখে বিস্কুট খাওয়া, খাবার আগে নিয়ম মাফিক সাবান দিয়ে হাত ধুয়া, ব্যক্তিগত পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, সবজি বাগান করা, ছয় মাস পর পর কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো, বাল্য বিয়ে প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা করা হয়। সভা সূত্র জানায় এই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার আশাব্যঞ্জকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

উল্লেখ, ইসলামপুর উপজেলায় ১৭২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৮টি সরকার অনুমোদিত মাদ্রাসায় প্রতিদিন বিস্কিুট বিতরণ করা হয়ে থাকে। মোট ছাত্র-ছাত্রির সংখ্যা ৩৭ হাজার ৪৬৭ জন। এই কর্মসূচি সফল বাস্তবায়নে উন্নয়ন সংঘের কর্মীরা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন ও পরিবীক্ষণ করে থাকে।

আপলোডকারীর তথ্য

স্থানান্তরের আবেদন নেই : জাল কাগজে বদলে গেল সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থীর ভোটার এলাকা

ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতায় ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
বিদ্যালয়ে শিশু উপস্থিতির হার বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়ারোধে সরকার দারিদ্রপীড়িত বেশ কিছু উপজেলায় ২০১৬ সাল থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খাদ্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কারিগরী সহায়তায় ইসলামপুর উপজেলায় উন্নয়ন সংঘ এই কর্মসূচিটি চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে বাস্তবায়ন করে আসছে। এই কর্মসূচির আওতায় ১৮ সেপ্টেম্বর ইসলামপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় ত্রৈমাসিক আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান।

অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন উন্নয়ন সংঘের মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান আরজু, আব্দুল গফুর খান, খোরশেদ আলম, সোহেল মাহমুদ, উন্নয়ন সংঘের এমআরও তাহেরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় সংস্থার সকল বিদ্যালয় মনিটরগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিতির হার বৃদ্ধি, প্রথম ঘন্টায় বিস্কুট বিতরণ, বিশুদ্ধ খাবার পনির ব্যবস্থা করা, টিফিন বাক্সে রেখে বিস্কুট খাওয়া, খাবার আগে নিয়ম মাফিক সাবান দিয়ে হাত ধুয়া, ব্যক্তিগত পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, সবজি বাগান করা, ছয় মাস পর পর কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো, বাল্য বিয়ে প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা করা হয়। সভা সূত্র জানায় এই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার আশাব্যঞ্জকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

উল্লেখ, ইসলামপুর উপজেলায় ১৭২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৮টি সরকার অনুমোদিত মাদ্রাসায় প্রতিদিন বিস্কিুট বিতরণ করা হয়ে থাকে। মোট ছাত্র-ছাত্রির সংখ্যা ৩৭ হাজার ৪৬৭ জন। এই কর্মসূচি সফল বাস্তবায়নে উন্নয়ন সংঘের কর্মীরা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন ও পরিবীক্ষণ করে থাকে।