ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আগাম ধান চাষে কৃষকের খরচ ও সময় বাঁচে : ব্রি’র পরিচালক

ব্রি ধান ৮২ আউশের আবাদ পরিদর্শন করেন ব্রি’র পরিচালক পরিচালক ড. তমাল লতা আদ্রিতা। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

ব্রি ধান ৮২ আউশের আবাদ পরিদর্শন করেন ব্রি’র পরিচালক পরিচালক ড. তমাল লতা আদ্রিতা। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা॥
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুরের পরিচালক ড. তমাল লতা আদ্রিতা বলেছেন আগাম ধান চাষাবাদের মাধ্যমে কৃষকের খরচ ও সময় বাঁচে।

২১ জুলাই সকালে শেরপুরের নকলা উপজেলার জালালুপুর এলাকায় নতুন উদ্ভাবিত ড্রাম সিডারের মাধ্যমে রোপণকৃত ব্রি ধান ৮২ আউশের আবাদ পরিদর্শন কালে তিনি এ কথা বলেন।

ড. তমাল লতা আদ্রিতা আরও বলেন, উপজেলায় যেদিকে দৃষ্টি যায়, শুধু সবুজের সমারোহ নজরে পড়ে। একই জমিতে আউশ, আমন ও বোরো আবাদ করতে পারায় কৃষকেরা অধিক লাভবান হচ্ছেন। গত বছর অন্যান্য আবাদের চেয়ে খরচের তুলনায় আউশ আবাদে অপেক্ষাকৃত বেশি লাভ পাওয়ায় কৃষকেরা ঝুঁকছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন কবীর জানান, এ বছর নকলা উপজেলায় ২৯৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আউশের আবাদ করা হয়। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। আউশ আবাদ বাড়াতে কৃষকদের পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এ বছর ব্রি ধান-৪৮, বিনা ধান-১৯, বিআর-২৬, নেরিকা মিউট্যান্ট জাতের ধানসহ নতুন উদ্ভাবিত ব্রি ধান-৮২ জাত ১৫ একর জমিতে ড্রাম সিডারের মাধ্যমে চাষ করা হয়েছে।

এ সময় নকলা পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, ব্রি’র উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হুমায়ুন কবীর, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আতিকুর রহমানসহ স্থানীয় কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন আমাদের সন্তানদের বুক ভরে শ্বাস নিতে একটি করে গাছ লাগাই : প্রধানমন্ত্রী

আগাম ধান চাষে কৃষকের খরচ ও সময় বাঁচে : ব্রি’র পরিচালক

আপডেট সময় ০৬:১৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮
ব্রি ধান ৮২ আউশের আবাদ পরিদর্শন করেন ব্রি’র পরিচালক পরিচালক ড. তমাল লতা আদ্রিতা। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা॥
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুরের পরিচালক ড. তমাল লতা আদ্রিতা বলেছেন আগাম ধান চাষাবাদের মাধ্যমে কৃষকের খরচ ও সময় বাঁচে।

২১ জুলাই সকালে শেরপুরের নকলা উপজেলার জালালুপুর এলাকায় নতুন উদ্ভাবিত ড্রাম সিডারের মাধ্যমে রোপণকৃত ব্রি ধান ৮২ আউশের আবাদ পরিদর্শন কালে তিনি এ কথা বলেন।

ড. তমাল লতা আদ্রিতা আরও বলেন, উপজেলায় যেদিকে দৃষ্টি যায়, শুধু সবুজের সমারোহ নজরে পড়ে। একই জমিতে আউশ, আমন ও বোরো আবাদ করতে পারায় কৃষকেরা অধিক লাভবান হচ্ছেন। গত বছর অন্যান্য আবাদের চেয়ে খরচের তুলনায় আউশ আবাদে অপেক্ষাকৃত বেশি লাভ পাওয়ায় কৃষকেরা ঝুঁকছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন কবীর জানান, এ বছর নকলা উপজেলায় ২৯৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আউশের আবাদ করা হয়। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। আউশ আবাদ বাড়াতে কৃষকদের পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এ বছর ব্রি ধান-৪৮, বিনা ধান-১৯, বিআর-২৬, নেরিকা মিউট্যান্ট জাতের ধানসহ নতুন উদ্ভাবিত ব্রি ধান-৮২ জাত ১৫ একর জমিতে ড্রাম সিডারের মাধ্যমে চাষ করা হয়েছে।

এ সময় নকলা পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, ব্রি’র উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হুমায়ুন কবীর, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আতিকুর রহমানসহ স্থানীয় কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।