জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সাত বছরের শিশু মরিয়ম বুশরাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও অভিযুক্ত জামিনুর ইসলামের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
১৫ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা চত্বরে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিশু মরিয়মকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এর আশপাশে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে চরপাকেরদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, পশ্চিম তারতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজাহিদুল ইসলাম, ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাদিউজ্জামান, বালিজুড়ী আর এ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম, খিলকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সুখনগরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া আলমসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, মরিয়ম সিধুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয় সে। পরে ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার দিবাগত রাতে বিদ্যালয়ের পাশে প্রতিবেশী জামিনুর ইসলামের বাড়ির মেঝেতে মাটিচাপা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় নিহত মরিয়মের বাবা বাহাদুর মন্ডল বাদী হয়ে জামিনুর ইসলাম, তার স্ত্রী সবুজা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার জামিনুর ইসলাম ও তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে জামিনুর শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 


















