ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জামালপুর : যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসলাম হোসেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় নানা কৌশলে সংসার ভেঙে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণের অপরাধে আসলাম হোসেন (৩৩) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে চার লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসলাম হোসেন উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের জানকিপুর সলই মন্ডলপাড়া গ্রামের হায়দর আলীর ছেলে। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারীর বিয়ের আগে থেকেই আসলাম হোসেন তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। বিভিন্ন লোভ-লালসা দেখিয়ে ফুসলাতেন। বিষয়টি জানতে পেরে সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় তাকে অন্যত্র বিয়ে দেন তার বাবা। ওই নারী ঘর-সংসার করাকালে বিভিন্ন সময় তার স্বামীর কাছে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি করেন আসলাম হোসেন। দাম্পত্য কলহের জের ধরে ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ওই নারীকে তালাক দেন তার স্বামী। এরপর থেকে ওই নারী তার বাবার বাড়িতেই থাকতেন।

এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, তালাকের পর ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন আসলাম হোসেন। একপর্যায়ে ২০২৩ সালের ২০ জুলাই রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আসলাম হোসেন ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বকশীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। ওই মামলায় আসলাম হোসেনকে একমাত্র আসামি করা হয়।

তিনি আরও জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসলাম হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা জরিমানা করেন আদালত।

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১০:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় নানা কৌশলে সংসার ভেঙে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণের অপরাধে আসলাম হোসেন (৩৩) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে চার লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসলাম হোসেন উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের জানকিপুর সলই মন্ডলপাড়া গ্রামের হায়দর আলীর ছেলে। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারীর বিয়ের আগে থেকেই আসলাম হোসেন তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। বিভিন্ন লোভ-লালসা দেখিয়ে ফুসলাতেন। বিষয়টি জানতে পেরে সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় তাকে অন্যত্র বিয়ে দেন তার বাবা। ওই নারী ঘর-সংসার করাকালে বিভিন্ন সময় তার স্বামীর কাছে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি করেন আসলাম হোসেন। দাম্পত্য কলহের জের ধরে ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ওই নারীকে তালাক দেন তার স্বামী। এরপর থেকে ওই নারী তার বাবার বাড়িতেই থাকতেন।

এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, তালাকের পর ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন আসলাম হোসেন। একপর্যায়ে ২০২৩ সালের ২০ জুলাই রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আসলাম হোসেন ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বকশীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। ওই মামলায় আসলাম হোসেনকে একমাত্র আসামি করা হয়।

তিনি আরও জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসলাম হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা জরিমানা করেন আদালত।