ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইজ্জাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে সিলিং ফ্যান পড়ে শিক্ষার্থী আহত, আতঙ্ক

ইজ্জাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রণির এই ক্লাসে সিলিং ফ্যান ভেঙে পড়ে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ইজ্জাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রণির এই ক্লাসে সিলিং ফ্যান ভেঙে পড়ে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর পৌরসভার রশিদপুরে ইজ্জাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্র্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান পড়ে সুমাইয়া আক্তার মীম নামের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। ২৮ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৮ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বিদ্যালয়টিতে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়। দশম শ্রেণির ক্লাসে তৃতীয় ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরে দ্বিতীয় তলার শ্রেণি কক্ষের একটি ফ্যান ভেঙে শিক্ষার্থী সুমাইয়ার ওপর পড়ে যায়। এতে মুখের ওপরের ঠোঁট কেটে গিয়ে গুরুতর আহত হয় সে। তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়।

আহত সুমাইয়া আক্তার মীম পৌরসভার বগাবাইদ এলাকার মো. ফেরদৌসের মেয়ে৷

ক্লাসে ফ্যান ভেঙে পড়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গত বছরও এই বিদ্যালয়ে ফ্যান পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানান তারা।

এ দিকে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালে গেলে ছবি ও ভিডিও নিতে বাধা দেয় বিদ্যালয়টির শিক্ষকরা।

আর এ বিষয়ে কোনো বক্তব্যও দিতে চান না বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. আনিসুজ্জামান। এ সময় তিনি বলেন, বক্তব্য কি দেবো বলেন, ফ্যান পড়ে গেছে এই আর কি।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হালিমা খাতুন বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, আমি বিষয়টি অবগত না। তবে খবর নিচ্ছি৷ আর জেলার সাতটি উপজেলায় সব স্কুলে সচেতন হওয়ার জন্য পত্র পাঠানো হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

ইজ্জাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে সিলিং ফ্যান পড়ে শিক্ষার্থী আহত, আতঙ্ক

আপডেট সময় ০৫:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪
ইজ্জাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রণির এই ক্লাসে সিলিং ফ্যান ভেঙে পড়ে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর পৌরসভার রশিদপুরে ইজ্জাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্র্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান পড়ে সুমাইয়া আক্তার মীম নামের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। ২৮ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৮ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বিদ্যালয়টিতে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়। দশম শ্রেণির ক্লাসে তৃতীয় ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরে দ্বিতীয় তলার শ্রেণি কক্ষের একটি ফ্যান ভেঙে শিক্ষার্থী সুমাইয়ার ওপর পড়ে যায়। এতে মুখের ওপরের ঠোঁট কেটে গিয়ে গুরুতর আহত হয় সে। তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়।

আহত সুমাইয়া আক্তার মীম পৌরসভার বগাবাইদ এলাকার মো. ফেরদৌসের মেয়ে৷

ক্লাসে ফ্যান ভেঙে পড়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গত বছরও এই বিদ্যালয়ে ফ্যান পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানান তারা।

এ দিকে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালে গেলে ছবি ও ভিডিও নিতে বাধা দেয় বিদ্যালয়টির শিক্ষকরা।

আর এ বিষয়ে কোনো বক্তব্যও দিতে চান না বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. আনিসুজ্জামান। এ সময় তিনি বলেন, বক্তব্য কি দেবো বলেন, ফ্যান পড়ে গেছে এই আর কি।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হালিমা খাতুন বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, আমি বিষয়টি অবগত না। তবে খবর নিচ্ছি৷ আর জেলার সাতটি উপজেলায় সব স্কুলে সচেতন হওয়ার জন্য পত্র পাঠানো হবে।