ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশুদের মাঝে জামালপুর এপির ব্যতিক্রমী পুরস্কার বিতরণ

জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম এপির উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের শিশুদের মাঝে বিতরণা করা হয় ছাতা, গাছের চারা ও অন্যান্য সামগ্রী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম 

শিশুদের সর্বোত্তম সুরক্ষার পাশাপাশি পুষ্টি, স্বাস্থ্য, জীবীকায়নসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় হতদরিদ্র পরিবারের শিশুদের মাঝে ব্যতিক্রমী পুরস্কার বিতরণ করেছে জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম এপি। ৩০ জুন, মঙ্গলবার জামালপুর পৌরসভার মাইনপুর গ্রামে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিতরণ কাজ উদ্বোধন করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। বিতরণকৃত সামগ্রীর মাঝে দুই হাজার আরসি শিশুর মাঝে সমপরিমাণ ছাতা। ১৩ হাজার রং পেন্সিল বিতরণ করা হয়। একই সাথে পাঁচ হাজার শিশুর পরিবারের মাঝে পাঁচ হাজার আম্রপলি আমের চারা ও পাঁচ হাজার লেবুর চারা বিতরণ করা হয়। অপরদিকে জামালপুর সদর উপজেলার ৫১টি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৫৫টি নিম ২৫৫টি মেহগনির চারা বিতরণ করা হয়।

বিতরণকালে মাইনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম আবু হানিফ, রশিদপুর-মাইনপুর নগর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান আব্দুল্লাহ, চন্দ্রা-হাটচন্দ্রা-কাজির আঁখ নগর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আল আমিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।

এদিন জামালপুর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন এবং জামালপুর পৌরসভা ওয়ার্ডগুলোতে একযোগের পুরস্কার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জামালপুর এপি সূত্র জানায়, নগর উন্নয়ন কমিটি, গ্রাম উন্নয়ন কমিটি এবং এপিসহ এই বছর ৩২ হাজার গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

উল্লেখ, ওয়ার্ল্ড ভিশন এবং উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম প্রতি বছরের মত এবারো হতদরিদ্র পরিবারের শিশু ও উপকারভোগীদের মাঝে বার্ষিক ব্যতিক্রমী এই ধরনের পুরস্কার বিতরণে এলাকাবাসী, উপকারভোগী এবং স্থানীয় প্রশাসন সন্তোষ প্রকাশ করেন।

জামালপুর এপি শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পূরন, স্বাস্থ্য, ওয়াস, স্যানিটেশন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, কৃষি উৎপাদনে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, হতদরিদ্র পরিবারে জীবিকায়নে টেকসই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। একই সাথে ফাইভ জিরো প্লাস হিসেবে ক্ষুধামুক্তি, স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরেপড়া রোধ, অপুষ্টি দূর করা, বাল্যবিয়ে বন্ধ করা এবং শিশুশ্রম নিরসনের পাশাপাশি পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে ব্যাপকভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হংকং ও মালয়েশিয়া ওয়ার্ল্ড ভিশনের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থ সহায়তা আসছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুদের মাঝে জামালপুর এপির ব্যতিক্রমী পুরস্কার বিতরণ

আপডেট সময় ১১:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

শিশুদের সর্বোত্তম সুরক্ষার পাশাপাশি পুষ্টি, স্বাস্থ্য, জীবীকায়নসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় হতদরিদ্র পরিবারের শিশুদের মাঝে ব্যতিক্রমী পুরস্কার বিতরণ করেছে জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম এপি। ৩০ জুন, মঙ্গলবার জামালপুর পৌরসভার মাইনপুর গ্রামে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিতরণ কাজ উদ্বোধন করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। বিতরণকৃত সামগ্রীর মাঝে দুই হাজার আরসি শিশুর মাঝে সমপরিমাণ ছাতা। ১৩ হাজার রং পেন্সিল বিতরণ করা হয়। একই সাথে পাঁচ হাজার শিশুর পরিবারের মাঝে পাঁচ হাজার আম্রপলি আমের চারা ও পাঁচ হাজার লেবুর চারা বিতরণ করা হয়। অপরদিকে জামালপুর সদর উপজেলার ৫১টি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৫৫টি নিম ২৫৫টি মেহগনির চারা বিতরণ করা হয়।

বিতরণকালে মাইনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম আবু হানিফ, রশিদপুর-মাইনপুর নগর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান আব্দুল্লাহ, চন্দ্রা-হাটচন্দ্রা-কাজির আঁখ নগর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আল আমিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।

এদিন জামালপুর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন এবং জামালপুর পৌরসভা ওয়ার্ডগুলোতে একযোগের পুরস্কার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জামালপুর এপি সূত্র জানায়, নগর উন্নয়ন কমিটি, গ্রাম উন্নয়ন কমিটি এবং এপিসহ এই বছর ৩২ হাজার গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

উল্লেখ, ওয়ার্ল্ড ভিশন এবং উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম প্রতি বছরের মত এবারো হতদরিদ্র পরিবারের শিশু ও উপকারভোগীদের মাঝে বার্ষিক ব্যতিক্রমী এই ধরনের পুরস্কার বিতরণে এলাকাবাসী, উপকারভোগী এবং স্থানীয় প্রশাসন সন্তোষ প্রকাশ করেন।

জামালপুর এপি শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পূরন, স্বাস্থ্য, ওয়াস, স্যানিটেশন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, কৃষি উৎপাদনে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, হতদরিদ্র পরিবারে জীবিকায়নে টেকসই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। একই সাথে ফাইভ জিরো প্লাস হিসেবে ক্ষুধামুক্তি, স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরেপড়া রোধ, অপুষ্টি দূর করা, বাল্যবিয়ে বন্ধ করা এবং শিশুশ্রম নিরসনের পাশাপাশি পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে ব্যাপকভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হংকং ও মালয়েশিয়া ওয়ার্ল্ড ভিশনের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থ সহায়তা আসছে।