ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

চুরি করতে গিয়ে বৃদ্ধাকে হত্যা : ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা।

সুজন সেন
নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরে বৃদ্ধা ফরিদা বেগম হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিনমাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জেলা শহরের গৌরীপুর মহল্লার যোগেন বিশ্বাসের ছেলে লিটন বিশ্বাস, মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও রফিক মিয়ার ছেলে শামীম মিয়া। এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন আব্দুস ছালামের ছেলে আলাল উদ্দিন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত পিপি আইনজীবী নরেশ চন্দ্র দে।

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ২১ আগস্ট রাতে শেরপুর শহরের পশ্চিম গৌরীপুর এলাকায় মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী ফরিদা বেগমের বাসায় চুরি করতে যান ওই এলাকার মাদকাসক্ত যুবক লিটন, জাহাঙ্গীর, শামীম ও আলাল উদ্দিন। এ সময় তাদের চিনে ফেলায় বৃদ্ধা ফরিদাকে গলা কেটে হত্যা করেন আসামিরা। ঘটনায় পরদিন অজ্ঞাতদের আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের ছেলে সুমন মিয়া।

তিনি আরও জানান, মামলার তদন্তকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সন্দেহভাজন আসামি জাহাঙ্গীর ও লিটনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর ২০২০ সালের ২৯ আগস্ট বৃদ্ধা ফরিদাকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তারা। তাদের জবানবন্দি অনুযায়ী শামীম ও আলালকে গেপ্তার করা হয়। পরে ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি ওই চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক হারুন-অর-রশীদ। ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ১৩ সেপ্টেম্বর এ রায় দেন আদালত।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

চুরি করতে গিয়ে বৃদ্ধাকে হত্যা : ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা।

সুজন সেন
নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরে বৃদ্ধা ফরিদা বেগম হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিনমাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জেলা শহরের গৌরীপুর মহল্লার যোগেন বিশ্বাসের ছেলে লিটন বিশ্বাস, মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও রফিক মিয়ার ছেলে শামীম মিয়া। এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন আব্দুস ছালামের ছেলে আলাল উদ্দিন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত পিপি আইনজীবী নরেশ চন্দ্র দে।

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ২১ আগস্ট রাতে শেরপুর শহরের পশ্চিম গৌরীপুর এলাকায় মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী ফরিদা বেগমের বাসায় চুরি করতে যান ওই এলাকার মাদকাসক্ত যুবক লিটন, জাহাঙ্গীর, শামীম ও আলাল উদ্দিন। এ সময় তাদের চিনে ফেলায় বৃদ্ধা ফরিদাকে গলা কেটে হত্যা করেন আসামিরা। ঘটনায় পরদিন অজ্ঞাতদের আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের ছেলে সুমন মিয়া।

তিনি আরও জানান, মামলার তদন্তকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সন্দেহভাজন আসামি জাহাঙ্গীর ও লিটনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর ২০২০ সালের ২৯ আগস্ট বৃদ্ধা ফরিদাকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তারা। তাদের জবানবন্দি অনুযায়ী শামীম ও আলালকে গেপ্তার করা হয়। পরে ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি ওই চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক হারুন-অর-রশীদ। ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ১৩ সেপ্টেম্বর এ রায় দেন আদালত।