ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

শেরপুরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মকবুল হোসেন লাল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মকবুল হোসেন লাল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অপরাধে মকবুল হোসেন ওরফে লাল (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সেই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একই ঘটনায় তার মা বকুলা বেগমকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

৮ ফেব্রুয়ারি বিকালে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. ইমান আলী শেখ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মকবুল হোসেন ওরফে লাল সদর উপজেলার মির্জাপুর কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, ১৪ বছর আগে মকবুল হোসেনের সাথে বিয়ে হয় ঝিনাইগাতী উপজেলার বাতিয়াগাঁও গ্রামের রেফাজ উদ্দিনের মেয়ে নুরুন্নাহারের। তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নুরুন্নাহারকে নির্যাতন শুরু করেন মকবুল হোসেন। একপর্যায়ে ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নুরুন্নাহারকে যৌতুকের জন্য শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এর পর মুখে বিষ ঢেলে তার মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান মকবুল।

গোলাম কিবরিয়া বুলু আরও জানান, ঘটনার পরদিন ৯ ফেব্রুয়ারি নুরুন্নাহারের বড় ভাই আব্দুল জলিল বাদী হয়ে মকবুল হোসেনসহ ছয়জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার দিনই মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত শেষে ওই বছরের ২ নভেম্বর মকবুল হোসেন ও তার মা বকুলা বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক শরীফ হোসেন।

ওই মামলায় বাদী, চিকিৎসক, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৮ ফেব্রুয়ারি মকবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও তার মা বকুলা বেগমকে খালাসের রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

শেরপুরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৭:১৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মকবুল হোসেন লাল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অপরাধে মকবুল হোসেন ওরফে লাল (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সেই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একই ঘটনায় তার মা বকুলা বেগমকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

৮ ফেব্রুয়ারি বিকালে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. ইমান আলী শেখ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মকবুল হোসেন ওরফে লাল সদর উপজেলার মির্জাপুর কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, ১৪ বছর আগে মকবুল হোসেনের সাথে বিয়ে হয় ঝিনাইগাতী উপজেলার বাতিয়াগাঁও গ্রামের রেফাজ উদ্দিনের মেয়ে নুরুন্নাহারের। তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নুরুন্নাহারকে নির্যাতন শুরু করেন মকবুল হোসেন। একপর্যায়ে ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নুরুন্নাহারকে যৌতুকের জন্য শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এর পর মুখে বিষ ঢেলে তার মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান মকবুল।

গোলাম কিবরিয়া বুলু আরও জানান, ঘটনার পরদিন ৯ ফেব্রুয়ারি নুরুন্নাহারের বড় ভাই আব্দুল জলিল বাদী হয়ে মকবুল হোসেনসহ ছয়জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার দিনই মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত শেষে ওই বছরের ২ নভেম্বর মকবুল হোসেন ও তার মা বকুলা বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক শরীফ হোসেন।

ওই মামলায় বাদী, চিকিৎসক, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৮ ফেব্রুয়ারি মকবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও তার মা বকুলা বেগমকে খালাসের রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।