ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

তালাক গোপন রেখে শারীরিক সম্পর্ক, সাবেক স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে তালাক দেওয়ার পর বিষয়টি গোপন রেখে সাবেক স্ত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক রাখার অভিযোগে ধর্ষণ মামলায় সাবেক স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। একইসাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। ২৩ নভেম্বর দুপুরে একমাত্র আসামির অনুপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন বিচারক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দণ্ডপ্রাপ্তর নাম শাহ আলী। তার বাড়ি জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আবু বকরের ছেলে।

ট্রাইব্যুনালের মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার মধ্যবয়ড়া গ্রামে এক কৃষক পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করেন শাহ আলী। দাম্পত্য জীবনের এক পর্যায়ে স্বামী শাহ আলীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন স্ত্রী। ওই মামলায় ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে শাহ আলী ২০১২ সালের ১৩ মে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন মর্মে কাগজপত্র উপস্থাপন করেন।

পরে সেই তালাকের বিষয়টি গোপন রেখে প্রায় আড়াই বছর সাবেক স্ত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক বহাল রাখায় ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি শাহ আলী এবং তার মা-বাবাসহ চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহায়তার অভিযোগে থানায় মামলা করেন প্রতারণার শিকার সেই গৃহবধূ।

ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, ঘটনার তদন্ত শেষে একই বছরের ৮ জুন চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন শ্রীবরদী থানার তৎকালীন এসআই আবুল কালাম। পরে পলাতক থাকা শাহ আলীর বিরুদ্ধে ওই মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এক পর্যায়ে তিনজনকে অব্যাহতি দেয় ট্রাইব্যুনাল।

আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু আরও জানান, বিচারিক পর্যায়ে বাদী-ভিকটিম, চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় শাহ আলীকে ওই সাজা দেওয়া হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

তালাক গোপন রেখে শারীরিক সম্পর্ক, সাবেক স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:৩৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে তালাক দেওয়ার পর বিষয়টি গোপন রেখে সাবেক স্ত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক রাখার অভিযোগে ধর্ষণ মামলায় সাবেক স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। একইসাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। ২৩ নভেম্বর দুপুরে একমাত্র আসামির অনুপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন বিচারক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দণ্ডপ্রাপ্তর নাম শাহ আলী। তার বাড়ি জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আবু বকরের ছেলে।

ট্রাইব্যুনালের মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার মধ্যবয়ড়া গ্রামে এক কৃষক পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করেন শাহ আলী। দাম্পত্য জীবনের এক পর্যায়ে স্বামী শাহ আলীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন স্ত্রী। ওই মামলায় ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে শাহ আলী ২০১২ সালের ১৩ মে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন মর্মে কাগজপত্র উপস্থাপন করেন।

পরে সেই তালাকের বিষয়টি গোপন রেখে প্রায় আড়াই বছর সাবেক স্ত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক বহাল রাখায় ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি শাহ আলী এবং তার মা-বাবাসহ চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহায়তার অভিযোগে থানায় মামলা করেন প্রতারণার শিকার সেই গৃহবধূ।

ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, ঘটনার তদন্ত শেষে একই বছরের ৮ জুন চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন শ্রীবরদী থানার তৎকালীন এসআই আবুল কালাম। পরে পলাতক থাকা শাহ আলীর বিরুদ্ধে ওই মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এক পর্যায়ে তিনজনকে অব্যাহতি দেয় ট্রাইব্যুনাল।

আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু আরও জানান, বিচারিক পর্যায়ে বাদী-ভিকটিম, চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় শাহ আলীকে ওই সাজা দেওয়া হয়।