ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণের খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে এমপি’র গাড়ি ভাংচুর, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ফিরোজ মিয়া’র উঠান বৈঠক সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ছাপরায় থাকা বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন প্রকৌশলী আল ইমরান

প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ৭৬ বছর বয়সি অসহায় এক বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়েছেন আল ইমরান নামে এক তরুণ বস্ত্র প্রকৌশলী।

ওই বৃদ্ধা একটি ভাঙা ছাপরা ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জামালপুর এসডিজি জেলা নেটওয়ার্কের সদস্য আবদুর রাজ্জাক মাহমুদ নামে একজন তার ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি প্রকৌশলী আল ইমরানের নজরে আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের পূর্ব কলকিহারা গ্রামের মৃত জমুর শেকের বিধবা স্ত্রী ৭৬ বছর বয়সি তুলো বেওয়া একখন্ড জমিতে একটি একচালা জরাজীর্ণ একটি ভাঙা ছাপরা ঘরে বসবাস করেন। তুলো বেওয়ার দুই ছেলেও অভাব ও দরিদ্রতার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার দুই ছেলে কাছে না থাকায় অনেক কষ্টে ও অন্যের বাড়িতে চেয়ে খেয়ে কোন রকমে দিন কাটান এই বৃদ্ধা।

বিশেষ করে ছাপরা ঘরে অন্ধকারে রাতের বেলায় একা নির্জনে থাকেন তিনি। অর্থের অভাবে বিদ্যুত সংযোগটিও নিতে পারেন নি এই বৃদ্ধা।

প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বৃদ্ধা তুলো বেওয়ার এমন দুর্দশার কাহিনী ৭ জানুয়ারি দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট করেন স্থানীয় আবদুর রাজ্জাক মাহমুদ নামে এসডিজি জেলা নেটওয়ার্কের এক সদস্য। তার এই পোস্ট দেখে বকশীগঞ্জের তরুণ বস্ত্র প্রকৌশলী ও সমাজ সেবক আল ইমরান পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ।

৮ জানুয়ারি সকালে আল ইমরান তার প্রতিনিধির মাধ্যমে একটি খাট, শীত নিবারণের জন্য একটি লেপ, তোষক, বালিশ, খাবারের জন্য চাল ও একটি নলকূপ ওই বৃদ্ধার বাড়িতে পাঠান। নলকূপটি তাৎক্ষণিকভাবে স্থাপন করা হয়।

জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করায় খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে তার একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন তরুণ সমাজসেবক আল ইমরান।

অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানোয় আল ইমরানের মানবিক এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

প্রকৌশলী আল ইমরান জানান, মানবিকতার কারণে আমি তার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি। যতদিন বেঁচে থাকব অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাব।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

বকশীগঞ্জে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ছাপরায় থাকা বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন প্রকৌশলী আল ইমরান

আপডেট সময় ০৪:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০২১
প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ৭৬ বছর বয়সি অসহায় এক বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়েছেন আল ইমরান নামে এক তরুণ বস্ত্র প্রকৌশলী।

ওই বৃদ্ধা একটি ভাঙা ছাপরা ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জামালপুর এসডিজি জেলা নেটওয়ার্কের সদস্য আবদুর রাজ্জাক মাহমুদ নামে একজন তার ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি প্রকৌশলী আল ইমরানের নজরে আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের পূর্ব কলকিহারা গ্রামের মৃত জমুর শেকের বিধবা স্ত্রী ৭৬ বছর বয়সি তুলো বেওয়া একখন্ড জমিতে একটি একচালা জরাজীর্ণ একটি ভাঙা ছাপরা ঘরে বসবাস করেন। তুলো বেওয়ার দুই ছেলেও অভাব ও দরিদ্রতার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার দুই ছেলে কাছে না থাকায় অনেক কষ্টে ও অন্যের বাড়িতে চেয়ে খেয়ে কোন রকমে দিন কাটান এই বৃদ্ধা।

বিশেষ করে ছাপরা ঘরে অন্ধকারে রাতের বেলায় একা নির্জনে থাকেন তিনি। অর্থের অভাবে বিদ্যুত সংযোগটিও নিতে পারেন নি এই বৃদ্ধা।

প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বৃদ্ধা তুলো বেওয়ার এমন দুর্দশার কাহিনী ৭ জানুয়ারি দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট করেন স্থানীয় আবদুর রাজ্জাক মাহমুদ নামে এসডিজি জেলা নেটওয়ার্কের এক সদস্য। তার এই পোস্ট দেখে বকশীগঞ্জের তরুণ বস্ত্র প্রকৌশলী ও সমাজ সেবক আল ইমরান পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ।

৮ জানুয়ারি সকালে আল ইমরান তার প্রতিনিধির মাধ্যমে একটি খাট, শীত নিবারণের জন্য একটি লেপ, তোষক, বালিশ, খাবারের জন্য চাল ও একটি নলকূপ ওই বৃদ্ধার বাড়িতে পাঠান। নলকূপটি তাৎক্ষণিকভাবে স্থাপন করা হয়।

জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করায় খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে তার একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন তরুণ সমাজসেবক আল ইমরান।

অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানোয় আল ইমরানের মানবিক এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

প্রকৌশলী আল ইমরান জানান, মানবিকতার কারণে আমি তার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি। যতদিন বেঁচে থাকব অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাব।