ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

মোটরসাইকেলচালক হত্যা মামলার রায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড, দু’জনের যাবজ্জীবন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর মোটরসাইকেলচালক জিয়াউল হক হত্যা মামলার রায়ে পলাতক আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুলের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ এবং অপর দুই আসামি মনির ও বাবুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১৮ অক্টোবর দুপুরে জামালপুরের দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান তার আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুল ইসলামপুর উপজেলার করইতার খান বাড়ি এলাকার নবাব আলী খানের ছেলে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির মধ্যে মনির মেলান্দহ উপজেলা মাঝবন্ধ নাংলা এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে এবং বাবু একই উপজেলার গোবিন্দপুর নাংলা এলাকার সুলতানের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া শান্তিপাড়া এলাকার সামিউল হকের ছেলে জিয়াউল হক ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। একই উপজেলার করইতাইর খানবাড়ি এলাকার মাহবুবুর রহমান বুলবুল তার স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসবে বলে ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর বিকেলে ফোন করে মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর বাজারে যেতে বলেন জিয়াউল হককে। তার কথা অনুযায়ী জিয়াউল হক মাহমুদপুর বাজারে গিয়ে মাহবুবুর রহমান বুলবুলের সাথে দেখা হওয়ার পর থেকেই জিয়াউল হক নিখোঁজ হন। পরের দিন ৬ অক্টোবর দুপুরে মেলান্দহ উপজেলার চাড়াইলদার পাথালিয়া গ্রামের পাকা রাস্তার পাশে ধান ক্ষেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় জিয়াউল হকের লাশ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তার মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়নি।

লাশ উদ্ধারের ঘটনার দিন নিহতের স্ত্রী মোছা. বিউটি বেগম বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দীর্ঘ নয় বছর পর আজ (১৮ অক্টোবর) মামলাটির রায় ঘোষিত হলো। রায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুল পলাতক রয়েছেন। মামলার রায় ঘোষণার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি মনির ও বাবুকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. বজলুল হক।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

মোটরসাইকেলচালক হত্যা মামলার রায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড, দু’জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৬:১৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর মোটরসাইকেলচালক জিয়াউল হক হত্যা মামলার রায়ে পলাতক আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুলের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ এবং অপর দুই আসামি মনির ও বাবুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১৮ অক্টোবর দুপুরে জামালপুরের দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান তার আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুল ইসলামপুর উপজেলার করইতার খান বাড়ি এলাকার নবাব আলী খানের ছেলে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির মধ্যে মনির মেলান্দহ উপজেলা মাঝবন্ধ নাংলা এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে এবং বাবু একই উপজেলার গোবিন্দপুর নাংলা এলাকার সুলতানের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া শান্তিপাড়া এলাকার সামিউল হকের ছেলে জিয়াউল হক ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। একই উপজেলার করইতাইর খানবাড়ি এলাকার মাহবুবুর রহমান বুলবুল তার স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসবে বলে ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর বিকেলে ফোন করে মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর বাজারে যেতে বলেন জিয়াউল হককে। তার কথা অনুযায়ী জিয়াউল হক মাহমুদপুর বাজারে গিয়ে মাহবুবুর রহমান বুলবুলের সাথে দেখা হওয়ার পর থেকেই জিয়াউল হক নিখোঁজ হন। পরের দিন ৬ অক্টোবর দুপুরে মেলান্দহ উপজেলার চাড়াইলদার পাথালিয়া গ্রামের পাকা রাস্তার পাশে ধান ক্ষেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় জিয়াউল হকের লাশ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তার মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়নি।

লাশ উদ্ধারের ঘটনার দিন নিহতের স্ত্রী মোছা. বিউটি বেগম বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দীর্ঘ নয় বছর পর আজ (১৮ অক্টোবর) মামলাটির রায় ঘোষিত হলো। রায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুল পলাতক রয়েছেন। মামলার রায় ঘোষণার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি মনির ও বাবুকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. বজলুল হক।