ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সম্মাননা ও উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ ইসলামপুরে নৌকা বাইচের পর এক ব্যক্তির মৃত্যু সাংবাদিক আলিফ হত্যা : বকশীগঞ্জে প্রতিবাদ সভা, বিক্ষোভ মিছিল ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা : তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চাইতে বেশি হওয়ায় শ্রীলঙ্কায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই বিদায় নিতে হলো ট্রাম্পের নতুন প্রেস সচিবকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার উপযুক্ত পোপ লিও: চিকিৎসকরা

প্রতারণার অভিযোগে ব্যুরো বাংলাদেশের মাঠকর্মী আব্দুস ছামাদ জেল হাজতে

আব্দুস ছামাদ

আব্দুস ছামাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর॥
চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতারণার মামলায় আব্দুস ছামাদ নামে ব্যুরো বাংলাদেশ, গুলশান শাখার এক মাঠকর্মীকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন জামালপুর সদর আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। আব্দুস ছামাদ জামালপুর সদর উপজেলার পশ্চিমপাড় দিঘুলী গ্রামের হাসান আলীর ছেলে।

প্রতারণার শিকার জামালপুর সদর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে সাইদুল ইসলাম মামলায় উল্লেখ করেন, পার্শবর্তী গ্রামের বাসিন্দা ও ব্যুরো বাংলাদেশ এর মাঠকর্মী আব্দুস সামাদ একই ব্যাংকে একই পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা অগ্রিম নেন। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট ৩ মাসের মধ্যে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে টাকা নেয়া হলেও দীর্ঘ দেড় বছরও চাকরি নিয়ে দিতে পারেনি আব্দুস ছামাদ। এক পর্যায়ে সাইদুল ইসলাম তার টাকা ফেরৎ চাইলে আব্দুস ছামাদ তালবাহানা শুরু করে। অবশেষে গত ১ এপ্রিল জামালপুর সদর আমলী আদালতে ৪০৬/৪২০ ধারায় আব্দুস ছামাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন সাইদুল ইসলাম। উক্ত মামলা দায়েরের পর আব্দুস ছামাদ টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির হয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দেন।

সাইদুল ইসলামের অভিযোগ, আদালতের তিনটি ধার্য্য তারিখ অতিবাহিত হলেও টাকা দিতে ব্যর্থ হন আব্দুস ছামাদ। প্রতারক আব্দুস ছামাদ টাকা আত্মসাতের উদ্দেশে গত ৩ জুলাই আদালতে হাজিরা শেষে এক সাথে বাড়ি ফেরার পথে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একটি অপহরণের মিথ্যা মামলা সাজিয়ে তাৎক্ষণিক তাকে এবং মামলার স্বাক্ষী আরিফ হোসেনকে পুলিশ দিয়ে আটক করে। এই মামলায় দীর্ঘ ১৭ দিন হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তিপান তারা। বাদী সাইদুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর ধার্য্য তারিখে হাজির হয়ে বিষয়টি আদালতের বিজ্ঞ বিচারককে অবহিত করেন। বিবাদী আব্দুস ছামাদ ধার্য্য তারিখে টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালতে বিজ্ঞ বিচারক আব্দুস ছামাদকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি

প্রতারণার অভিযোগে ব্যুরো বাংলাদেশের মাঠকর্মী আব্দুস ছামাদ জেল হাজতে

আপডেট সময় ০৮:৫২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
আব্দুস ছামাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর॥
চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতারণার মামলায় আব্দুস ছামাদ নামে ব্যুরো বাংলাদেশ, গুলশান শাখার এক মাঠকর্মীকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন জামালপুর সদর আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। আব্দুস ছামাদ জামালপুর সদর উপজেলার পশ্চিমপাড় দিঘুলী গ্রামের হাসান আলীর ছেলে।

প্রতারণার শিকার জামালপুর সদর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে সাইদুল ইসলাম মামলায় উল্লেখ করেন, পার্শবর্তী গ্রামের বাসিন্দা ও ব্যুরো বাংলাদেশ এর মাঠকর্মী আব্দুস সামাদ একই ব্যাংকে একই পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা অগ্রিম নেন। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট ৩ মাসের মধ্যে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে টাকা নেয়া হলেও দীর্ঘ দেড় বছরও চাকরি নিয়ে দিতে পারেনি আব্দুস ছামাদ। এক পর্যায়ে সাইদুল ইসলাম তার টাকা ফেরৎ চাইলে আব্দুস ছামাদ তালবাহানা শুরু করে। অবশেষে গত ১ এপ্রিল জামালপুর সদর আমলী আদালতে ৪০৬/৪২০ ধারায় আব্দুস ছামাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন সাইদুল ইসলাম। উক্ত মামলা দায়েরের পর আব্দুস ছামাদ টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির হয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দেন।

সাইদুল ইসলামের অভিযোগ, আদালতের তিনটি ধার্য্য তারিখ অতিবাহিত হলেও টাকা দিতে ব্যর্থ হন আব্দুস ছামাদ। প্রতারক আব্দুস ছামাদ টাকা আত্মসাতের উদ্দেশে গত ৩ জুলাই আদালতে হাজিরা শেষে এক সাথে বাড়ি ফেরার পথে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একটি অপহরণের মিথ্যা মামলা সাজিয়ে তাৎক্ষণিক তাকে এবং মামলার স্বাক্ষী আরিফ হোসেনকে পুলিশ দিয়ে আটক করে। এই মামলায় দীর্ঘ ১৭ দিন হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তিপান তারা। বাদী সাইদুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর ধার্য্য তারিখে হাজির হয়ে বিষয়টি আদালতের বিজ্ঞ বিচারককে অবহিত করেন। বিবাদী আব্দুস ছামাদ ধার্য্য তারিখে টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালতে বিজ্ঞ বিচারক আব্দুস ছামাদকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।