ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড বৈলডাঙ্গা বিলের প্রকৃতিতে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে লাল শাপলা ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে বাঁশির শব্দে ছুটল ঘোড়া, উল্লাসে মাতল হাজারো দর্শক জামালপুরে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক এপির বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জামালপুরে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

প্রতারণার অভিযোগে ব্যুরো বাংলাদেশের মাঠকর্মী আব্দুস ছামাদ জেল হাজতে

আব্দুস ছামাদ

আব্দুস ছামাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর॥
চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতারণার মামলায় আব্দুস ছামাদ নামে ব্যুরো বাংলাদেশ, গুলশান শাখার এক মাঠকর্মীকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন জামালপুর সদর আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। আব্দুস ছামাদ জামালপুর সদর উপজেলার পশ্চিমপাড় দিঘুলী গ্রামের হাসান আলীর ছেলে।

প্রতারণার শিকার জামালপুর সদর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে সাইদুল ইসলাম মামলায় উল্লেখ করেন, পার্শবর্তী গ্রামের বাসিন্দা ও ব্যুরো বাংলাদেশ এর মাঠকর্মী আব্দুস সামাদ একই ব্যাংকে একই পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা অগ্রিম নেন। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট ৩ মাসের মধ্যে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে টাকা নেয়া হলেও দীর্ঘ দেড় বছরও চাকরি নিয়ে দিতে পারেনি আব্দুস ছামাদ। এক পর্যায়ে সাইদুল ইসলাম তার টাকা ফেরৎ চাইলে আব্দুস ছামাদ তালবাহানা শুরু করে। অবশেষে গত ১ এপ্রিল জামালপুর সদর আমলী আদালতে ৪০৬/৪২০ ধারায় আব্দুস ছামাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন সাইদুল ইসলাম। উক্ত মামলা দায়েরের পর আব্দুস ছামাদ টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির হয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দেন।

সাইদুল ইসলামের অভিযোগ, আদালতের তিনটি ধার্য্য তারিখ অতিবাহিত হলেও টাকা দিতে ব্যর্থ হন আব্দুস ছামাদ। প্রতারক আব্দুস ছামাদ টাকা আত্মসাতের উদ্দেশে গত ৩ জুলাই আদালতে হাজিরা শেষে এক সাথে বাড়ি ফেরার পথে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একটি অপহরণের মিথ্যা মামলা সাজিয়ে তাৎক্ষণিক তাকে এবং মামলার স্বাক্ষী আরিফ হোসেনকে পুলিশ দিয়ে আটক করে। এই মামলায় দীর্ঘ ১৭ দিন হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তিপান তারা। বাদী সাইদুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর ধার্য্য তারিখে হাজির হয়ে বিষয়টি আদালতের বিজ্ঞ বিচারককে অবহিত করেন। বিবাদী আব্দুস ছামাদ ধার্য্য তারিখে টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালতে বিজ্ঞ বিচারক আব্দুস ছামাদকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রতারণার অভিযোগে ব্যুরো বাংলাদেশের মাঠকর্মী আব্দুস ছামাদ জেল হাজতে

আপডেট সময় ০৮:৫২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
আব্দুস ছামাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর॥
চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতারণার মামলায় আব্দুস ছামাদ নামে ব্যুরো বাংলাদেশ, গুলশান শাখার এক মাঠকর্মীকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন জামালপুর সদর আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। আব্দুস ছামাদ জামালপুর সদর উপজেলার পশ্চিমপাড় দিঘুলী গ্রামের হাসান আলীর ছেলে।

প্রতারণার শিকার জামালপুর সদর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে সাইদুল ইসলাম মামলায় উল্লেখ করেন, পার্শবর্তী গ্রামের বাসিন্দা ও ব্যুরো বাংলাদেশ এর মাঠকর্মী আব্দুস সামাদ একই ব্যাংকে একই পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা অগ্রিম নেন। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট ৩ মাসের মধ্যে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে টাকা নেয়া হলেও দীর্ঘ দেড় বছরও চাকরি নিয়ে দিতে পারেনি আব্দুস ছামাদ। এক পর্যায়ে সাইদুল ইসলাম তার টাকা ফেরৎ চাইলে আব্দুস ছামাদ তালবাহানা শুরু করে। অবশেষে গত ১ এপ্রিল জামালপুর সদর আমলী আদালতে ৪০৬/৪২০ ধারায় আব্দুস ছামাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন সাইদুল ইসলাম। উক্ত মামলা দায়েরের পর আব্দুস ছামাদ টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির হয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দেন।

সাইদুল ইসলামের অভিযোগ, আদালতের তিনটি ধার্য্য তারিখ অতিবাহিত হলেও টাকা দিতে ব্যর্থ হন আব্দুস ছামাদ। প্রতারক আব্দুস ছামাদ টাকা আত্মসাতের উদ্দেশে গত ৩ জুলাই আদালতে হাজিরা শেষে এক সাথে বাড়ি ফেরার পথে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একটি অপহরণের মিথ্যা মামলা সাজিয়ে তাৎক্ষণিক তাকে এবং মামলার স্বাক্ষী আরিফ হোসেনকে পুলিশ দিয়ে আটক করে। এই মামলায় দীর্ঘ ১৭ দিন হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তিপান তারা। বাদী সাইদুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর ধার্য্য তারিখে হাজির হয়ে বিষয়টি আদালতের বিজ্ঞ বিচারককে অবহিত করেন। বিবাদী আব্দুস ছামাদ ধার্য্য তারিখে টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালতে বিজ্ঞ বিচারক আব্দুস ছামাদকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।