ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চাইতে বেশি হওয়ায় শ্রীলঙ্কায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

ঢাকা : জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, শ্রীলঙ্কায় নেমে এসছে অন্ধকার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ১৭ অক্টোবর, শনিবার শ্রীলঙ্কাজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হওয়ায় এ বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দেশটির গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন লঙ্কা (ইডিএল) জানায়, পুরো গ্রিডে দেখা দেওয়া ত্রুটি সারাতে প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এ বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।

জ্বালানিমন্ত্রী অনুরা করুনাথিলাকা বলেন, কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালুর আশা করছে।

সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজে সহায়তা করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মালিকদের তাদের সিস্টেম বিচ্ছিন্ন রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেও পুরো বিদ্যুৎ গ্রিড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেদিন রৌদ্রোজ্জ্বল রোববারে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদা ছাড়িয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল।

শ্রীলঙ্কায় বর্তমানে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তিন হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। দিনের বেলায় দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ মেগাওয়াট।

কর ছাড়ের সুবিধায় গ্রাহকেরা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত হচ্ছেন। তারা নিজেদের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করছেন। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে, যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা।

সরকার আগামী তিন বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় চার হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এতে করে ২০২৪ সালের তুলনায় এ সক্ষমতা ৩৮৮ শতাংশ বাড়বে। সূত্র : বাসস

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চাইতে বেশি হওয়ায় শ্রীলঙ্কায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ১৭ অক্টোবর, শনিবার শ্রীলঙ্কাজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হওয়ায় এ বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দেশটির গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন লঙ্কা (ইডিএল) জানায়, পুরো গ্রিডে দেখা দেওয়া ত্রুটি সারাতে প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এ বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।

জ্বালানিমন্ত্রী অনুরা করুনাথিলাকা বলেন, কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালুর আশা করছে।

সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজে সহায়তা করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মালিকদের তাদের সিস্টেম বিচ্ছিন্ন রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেও পুরো বিদ্যুৎ গ্রিড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেদিন রৌদ্রোজ্জ্বল রোববারে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদা ছাড়িয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল।

শ্রীলঙ্কায় বর্তমানে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তিন হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। দিনের বেলায় দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ মেগাওয়াট।

কর ছাড়ের সুবিধায় গ্রাহকেরা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত হচ্ছেন। তারা নিজেদের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করছেন। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে, যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা।

সরকার আগামী তিন বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় চার হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এতে করে ২০২৪ সালের তুলনায় এ সক্ষমতা ৩৮৮ শতাংশ বাড়বে। সূত্র : বাসস