ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে গড়ে উঠুক আগামীর বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী মাদারগঞ্জে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী জামালপুরে জশনে জুলুসে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপিত প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বকশীগঞ্জে বসতভিটা দখলের চেষ্টাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নকলায় আকাশে উড়ছে বাহারি রঙের ঘুড়ি

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

ঘুড়ি উড়ানো আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় খেলা। করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিকেল হলেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অধিকাংশ ভবনের ছাদ এবং গ্রাম-গঞ্জের মাঠে-ময়দানে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে বড়রাও ঘুড়ি উড়ানোয় মেতে উঠছেন। এমন উৎসবমুখর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে শেরপুরের নকলা উপজেলাতেও।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিকেল হলেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খোলা মাঠ, বাসার ছাদে ঘরবন্দি ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা ঘুড়ি উড়ানো উৎসব করে আসছে। প্রতিযোগিতা করছে ঘুড়ির সুতোয় কাটাকাটি। এ যেন করোনাকালে অবসাদ দূর করার এক বিনোদন।

এর ধারাবহিকতায় ১৯ জুলাই বিকেলে নকলা উপজেলার ২নং নকলা ইউনিয়নের ধনাকুশা গ্রামের অনুষ্ঠিত হয় বাহারি রঙের ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা। তরুণ সমাজ সেবক ও চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী সুমাইয়্যা প্লাজার স্বত্ত্বাধীকারী মো. উজ্জল মিয়া এ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্তিত ছিলেন।

এ বিষয়ে নকলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম লাভলু জানান, ঘুড়ি উড়ানো গ্রামাঞ্চলের একটি প্রাচীন উৎসব। তবে কালের প্রবাহে তা বিলুপ্তির পথে। কিন্তু করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ঘরের চার দেয়ালে বন্ধি হয়ে পড়েছে। তাই বাসার ছাদ ও বাড়ির খোলা মাঠে মুক্ত আকাশে ঘুড়ি উড়িয়ে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা বিনোদন উপভোগ করছে। শুধু ওরা নয়, ওদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা বয়সের ঘরবন্ধি মানুষ।

প্রসঙ্গত, ঘুড়ি এক প্রকারের হাল্কা খেলনা, যা সুতা টেনে আকাশে উড়ানো হয়। সাধারণত পাতলা কাগজের সঙ্গে বাঁশের চিকন কঞ্চি লাগিয়ে তৈরি করা হয় বিভিন্ন নকশার এসব ঘুড়ি। নকশা অনুযায়ী এসব ঘুড়ির নাম হলো- ডাক ঘুড়ি, সাপ ঘুড়ি, মাছ ঘুড়ি, ব্যাঙঘুড়ি, মানুষ ঘুড়ি, ঘুড্ডি ঘুড়ি, ঈগল ঘুড়ি ও তারা ঘুড়ি, ডুল ঘুরি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

নকলায় আকাশে উড়ছে বাহারি রঙের ঘুড়ি

আপডেট সময় ০৬:৩৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

ঘুড়ি উড়ানো আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় খেলা। করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিকেল হলেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অধিকাংশ ভবনের ছাদ এবং গ্রাম-গঞ্জের মাঠে-ময়দানে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে বড়রাও ঘুড়ি উড়ানোয় মেতে উঠছেন। এমন উৎসবমুখর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে শেরপুরের নকলা উপজেলাতেও।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিকেল হলেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খোলা মাঠ, বাসার ছাদে ঘরবন্দি ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা ঘুড়ি উড়ানো উৎসব করে আসছে। প্রতিযোগিতা করছে ঘুড়ির সুতোয় কাটাকাটি। এ যেন করোনাকালে অবসাদ দূর করার এক বিনোদন।

এর ধারাবহিকতায় ১৯ জুলাই বিকেলে নকলা উপজেলার ২নং নকলা ইউনিয়নের ধনাকুশা গ্রামের অনুষ্ঠিত হয় বাহারি রঙের ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা। তরুণ সমাজ সেবক ও চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী সুমাইয়্যা প্লাজার স্বত্ত্বাধীকারী মো. উজ্জল মিয়া এ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্তিত ছিলেন।

এ বিষয়ে নকলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম লাভলু জানান, ঘুড়ি উড়ানো গ্রামাঞ্চলের একটি প্রাচীন উৎসব। তবে কালের প্রবাহে তা বিলুপ্তির পথে। কিন্তু করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ঘরের চার দেয়ালে বন্ধি হয়ে পড়েছে। তাই বাসার ছাদ ও বাড়ির খোলা মাঠে মুক্ত আকাশে ঘুড়ি উড়িয়ে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা বিনোদন উপভোগ করছে। শুধু ওরা নয়, ওদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা বয়সের ঘরবন্ধি মানুষ।

প্রসঙ্গত, ঘুড়ি এক প্রকারের হাল্কা খেলনা, যা সুতা টেনে আকাশে উড়ানো হয়। সাধারণত পাতলা কাগজের সঙ্গে বাঁশের চিকন কঞ্চি লাগিয়ে তৈরি করা হয় বিভিন্ন নকশার এসব ঘুড়ি। নকশা অনুযায়ী এসব ঘুড়ির নাম হলো- ডাক ঘুড়ি, সাপ ঘুড়ি, মাছ ঘুড়ি, ব্যাঙঘুড়ি, মানুষ ঘুড়ি, ঘুড্ডি ঘুড়ি, ঈগল ঘুড়ি ও তারা ঘুড়ি, ডুল ঘুরি।