ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভারতকে টপকে পঞ্চম স্থানে উঠল বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জেতায় টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় সরকার একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে না : তথ্যমন্ত্রী পিবিআই এর তদন্তে আলামিন হত্যার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেপ্তার গরু ব্যবসায়ী নিহত আগামীতে অর্গানিক মাংস রপ্তানি করবে বাংলাদেশ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বিশ্ব পরিবেশ দিবস : চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা শুরু মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে নিহত এনসিপির নেতার পরিবারকে সরকারি অর্থ সহায়তা প্রদান

মানুষের জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় রক্ত দিন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মানুষের জীবন বাঁচাতে সকলের প্রতি রক্ত দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন । তিনি বলেন, ‘জীবন বাচানোর প্রয়োজনে প্রত্যেকের উচিত স্বেচ্ছায় রক্ত প্রদান করা।’

১৫ মার্চ রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ১০, ২৫ ও ৫০ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন এমন ১৭৩জন রক্তদাতাকে সনদপত্র, আইডি কার্ড, সম্মাননা ক্রেস্ট ও মেডেল দেয়া হয়। স্বেচ্ছা রক্তদাতা তারেক কুদ্দুস ও নিয়মিত রক্তগ্রহিতা থ্যালাসেমিয়া রোগী সুমাইয়া আক্তার সুমি অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন ব্যক্তি যখন মানবিক কারণে জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় রক্ত দেন, তখন তিনি একটি জীবন বাচাঁন।

তিনি বলেন, কোনো রকম বিদেশি সাহায্য ছাড়াই কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বহুমুখী সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলার এতিম-বঞ্চিত শিশুদের জন্যে বিদ্যালয় অন্যতম। এ ছাড়া কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কোয়ান্টাম মেথড মেডিটেশন কোর্সের মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রক্তদাতাদের কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, ২৫ বা ৫০ বার রক্ত দিয়ে থেমে থাকবেন না। সুস্থতা সাপেক্ষে ৬০ বছর পর্যন্ত আপনারা রক্ত দিয়ে যাবেন এবং মুমূর্ষু মানুষের জীবন রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক চিকিৎসক নিজামউদ্দিন আহমদ জানান, দেশে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ রক্ত আসে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের কাছ থেকে। আর ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ রক্ত আসে রোগীর আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধ-বান্ধবদের কাছ থেকে। বাকি রক্ত আসে পেশাদার রক্ত-বিক্রেতাদের কাছ থেকে, যা দূরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

রক্তদাতা ও অতিথিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান অনুষ্ঠানের সভাপতি কোয়ান্টাম স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারী।

উল্লেখ, ২০০০ সালে ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর কোয়ান্টাম এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১০ লাখ ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান সরবরাহ করেছে। সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মানুষের জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় রক্ত দিন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মানুষের জীবন বাঁচাতে সকলের প্রতি রক্ত দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন । তিনি বলেন, ‘জীবন বাচানোর প্রয়োজনে প্রত্যেকের উচিত স্বেচ্ছায় রক্ত প্রদান করা।’

১৫ মার্চ রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ১০, ২৫ ও ৫০ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন এমন ১৭৩জন রক্তদাতাকে সনদপত্র, আইডি কার্ড, সম্মাননা ক্রেস্ট ও মেডেল দেয়া হয়। স্বেচ্ছা রক্তদাতা তারেক কুদ্দুস ও নিয়মিত রক্তগ্রহিতা থ্যালাসেমিয়া রোগী সুমাইয়া আক্তার সুমি অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন ব্যক্তি যখন মানবিক কারণে জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় রক্ত দেন, তখন তিনি একটি জীবন বাচাঁন।

তিনি বলেন, কোনো রকম বিদেশি সাহায্য ছাড়াই কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বহুমুখী সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলার এতিম-বঞ্চিত শিশুদের জন্যে বিদ্যালয় অন্যতম। এ ছাড়া কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কোয়ান্টাম মেথড মেডিটেশন কোর্সের মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রক্তদাতাদের কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, ২৫ বা ৫০ বার রক্ত দিয়ে থেমে থাকবেন না। সুস্থতা সাপেক্ষে ৬০ বছর পর্যন্ত আপনারা রক্ত দিয়ে যাবেন এবং মুমূর্ষু মানুষের জীবন রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক চিকিৎসক নিজামউদ্দিন আহমদ জানান, দেশে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ রক্ত আসে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের কাছ থেকে। আর ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ রক্ত আসে রোগীর আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধ-বান্ধবদের কাছ থেকে। বাকি রক্ত আসে পেশাদার রক্ত-বিক্রেতাদের কাছ থেকে, যা দূরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

রক্তদাতা ও অতিথিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান অনুষ্ঠানের সভাপতি কোয়ান্টাম স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারী।

উল্লেখ, ২০০০ সালে ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর কোয়ান্টাম এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১০ লাখ ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান সরবরাহ করেছে। সূত্র : বাসস