ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

পর্যটন হবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি : প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান

ঢাকা : রাজধানীর একটি হোটেলে TOAB কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ছবি : পিআইডি  

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, পর্যটন হবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি।

তিনি বলেন, সরকার পর্যটনকে শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবেই নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেও বিবেচনা করে। এ লক্ষ্যে দেশের এক হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, ধর্মীয় পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

১৮ মে, সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে Tour Operators Association of Bangladesh (TOAB) কর্তৃক আয়োজিত ‘TOAB International Tourism Award 2026’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে নীতিগত সংশোধনী আনয়নের লক্ষ্যে TOAB-এর পক্ষ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ৩ শতাংশ হলেও অদূর ভবিষ্যতে এ হার ৮-৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া পর্যটন খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পর্যটন খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা পদক প্রদান করেন প্রতিমন্ত্রী। সূত্র : পিআইডি

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

পর্যটন হবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি : প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান

আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, পর্যটন হবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি।

তিনি বলেন, সরকার পর্যটনকে শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবেই নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেও বিবেচনা করে। এ লক্ষ্যে দেশের এক হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, ধর্মীয় পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

১৮ মে, সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে Tour Operators Association of Bangladesh (TOAB) কর্তৃক আয়োজিত ‘TOAB International Tourism Award 2026’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে নীতিগত সংশোধনী আনয়নের লক্ষ্যে TOAB-এর পক্ষ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ৩ শতাংশ হলেও অদূর ভবিষ্যতে এ হার ৮-৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া পর্যটন খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পর্যটন খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা পদক প্রদান করেন প্রতিমন্ত্রী। সূত্র : পিআইডি