ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে কণ্যাশিশুকে ধর্ষণের দায়ে এক আসামির যাবজ্জীবন কারদণ্ড

জামালপুর : যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জিয়াউল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে পাঁচ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণ মামলার রায়ে আসামি জিয়াউল হককে যাবজ্জীবন কারদণ্ডে দণ্ডিতকরেছেন আদালত। ৫ মে সোমবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জ্যেষ্ঠ জেলা জজ মো. শহিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রেজাউল আমিন শামীম এ প্রতিবেদককে জানান, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে মাদারগঞ্জ উপজেলার দিঘলাকান্দি গ্রামের মৃত নুরল মণ্ডলের ছেলে জিয়াউল হক তার প্রতিবেশী পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে চানাচুর দেওয়ার কথা বলে তার মনোহারী দোকানে ডেকে নিয়ে জোর করে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় শিশুটির নানা মনির উদ্দিন বাদী হয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০২২ সালের ১৪ আগস্ট রবিবার আদালতে অভিযোগ গঠিত হয়। মামলায় সাতজন স্বাক্ষীর সাক্ষের ভিত্তিতে বিচার প্রক্রিয়া শেষে ৫ মে রায় দেন আদালত। শিশু ধর্ষণের বিষয়টি আদালতের কাছে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি জিয়াউল হকের উপস্থিতিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদনদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদষ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম করাদণ্ডাদেশ দেন বিচারক। জরিমানার অর্থ ধর্ষণের শিকার শিশুর লালন-পালন ও শিক্ষায় ব্যয় করা হবে বলে রায়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি মো. রেজাউল আমিন শামীম এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী আবুল হাশেম তরফদার।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে কণ্যাশিশুকে ধর্ষণের দায়ে এক আসামির যাবজ্জীবন কারদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:১৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

জামালপুরে পাঁচ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণ মামলার রায়ে আসামি জিয়াউল হককে যাবজ্জীবন কারদণ্ডে দণ্ডিতকরেছেন আদালত। ৫ মে সোমবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জ্যেষ্ঠ জেলা জজ মো. শহিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রেজাউল আমিন শামীম এ প্রতিবেদককে জানান, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে মাদারগঞ্জ উপজেলার দিঘলাকান্দি গ্রামের মৃত নুরল মণ্ডলের ছেলে জিয়াউল হক তার প্রতিবেশী পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে চানাচুর দেওয়ার কথা বলে তার মনোহারী দোকানে ডেকে নিয়ে জোর করে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় শিশুটির নানা মনির উদ্দিন বাদী হয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০২২ সালের ১৪ আগস্ট রবিবার আদালতে অভিযোগ গঠিত হয়। মামলায় সাতজন স্বাক্ষীর সাক্ষের ভিত্তিতে বিচার প্রক্রিয়া শেষে ৫ মে রায় দেন আদালত। শিশু ধর্ষণের বিষয়টি আদালতের কাছে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি জিয়াউল হকের উপস্থিতিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদনদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদষ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম করাদণ্ডাদেশ দেন বিচারক। জরিমানার অর্থ ধর্ষণের শিকার শিশুর লালন-পালন ও শিক্ষায় ব্যয় করা হবে বলে রায়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি মো. রেজাউল আমিন শামীম এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী আবুল হাশেম তরফদার।