ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ফ্রান্সের নতুন নিষেধাজ্ঞার ‘হুমকির’ তীব্র নিন্দা ইরানের

ইরানের জাতিসংঘ মিশন তেহরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক চুক্তির অধীনে প্রত্যাহার করা নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনরায় আরোপের জন্য ফ্রান্সের ‘হুমকির’ নিন্দা জানিয়েছে। ৩০ এপ্রিল বুধবার ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের গণমাধ্যম এই খবর জানিয়েছে।

২৮ এপ্রিল সোমবার ফ্রান্স বলেছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচীর কারণে ইউরোপীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে জার্মানি এবং ব্রিটেনের সাথে তারা ‘এক সেকেন্ডের জন্যও ইরানের ওপর সমস্ত নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করতে দ্বিধা করবে না’। কারণ, তেহরান এবং ওয়াশিংটন একটি নতুন চুক্তির জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘে ইরানের মিশন দেশটির ‘ইসনা’ সংবাদ সংস্থা প্রচারিত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘হুমকি এবং অর্থনৈতিক ব্ল্যাকমেইলের আশ্রয় নেওয়া সম্পূর্ণরুপে অগ্রহণযোগ্য।’

ফ্রান্স, জার্মানি এবং ব্রিটেন, চীন ও রাশিয়ার সাথে ২০১৫ সালে ইরানের সাথে করা পরমাণু চুক্তির পক্ষ, যা থেকে তিন বছর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাহার করে নেয়।

চুক্তির অধীনে পক্ষগুলো ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়াটি চালু করতে পারে, যা ইরানের অমান্যের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনর্বহাল করবে। এই বিকল্পের মেয়াদ শেষ হবে অক্টোবরে।

দীর্ঘদিনের শত্রু ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১২ এপ্রিল থেকে তাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় ব্যস্ত রয়েছে, যা একটি নতুন চুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি গত সপ্তাহে বলেছিলেন, তিনি আলোচনার জন্য জার্মানি, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন সফরে যেতে ইচ্ছুক।

ইরানের জাতিসংঘ মিশন তাদের চিঠিতে বলেছে, ‘হুমকি বা চাপের মুখে প্রকৃত কূটনীতি এগিয়ে যেতে পারে না।’

‘যদি ফ্রান্স এবং তার অংশীদাররা সত্যিই কূটনৈতিক সমাধানে আগ্রহী হয়, তাহলে তাদের অবশ্যই বলপ্রয়োগ ত্যাগ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ফ্রান্সের নতুন নিষেধাজ্ঞার ‘হুমকির’ তীব্র নিন্দা ইরানের

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

ইরানের জাতিসংঘ মিশন তেহরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক চুক্তির অধীনে প্রত্যাহার করা নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনরায় আরোপের জন্য ফ্রান্সের ‘হুমকির’ নিন্দা জানিয়েছে। ৩০ এপ্রিল বুধবার ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের গণমাধ্যম এই খবর জানিয়েছে।

২৮ এপ্রিল সোমবার ফ্রান্স বলেছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচীর কারণে ইউরোপীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে জার্মানি এবং ব্রিটেনের সাথে তারা ‘এক সেকেন্ডের জন্যও ইরানের ওপর সমস্ত নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করতে দ্বিধা করবে না’। কারণ, তেহরান এবং ওয়াশিংটন একটি নতুন চুক্তির জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘে ইরানের মিশন দেশটির ‘ইসনা’ সংবাদ সংস্থা প্রচারিত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘হুমকি এবং অর্থনৈতিক ব্ল্যাকমেইলের আশ্রয় নেওয়া সম্পূর্ণরুপে অগ্রহণযোগ্য।’

ফ্রান্স, জার্মানি এবং ব্রিটেন, চীন ও রাশিয়ার সাথে ২০১৫ সালে ইরানের সাথে করা পরমাণু চুক্তির পক্ষ, যা থেকে তিন বছর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাহার করে নেয়।

চুক্তির অধীনে পক্ষগুলো ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়াটি চালু করতে পারে, যা ইরানের অমান্যের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনর্বহাল করবে। এই বিকল্পের মেয়াদ শেষ হবে অক্টোবরে।

দীর্ঘদিনের শত্রু ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১২ এপ্রিল থেকে তাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় ব্যস্ত রয়েছে, যা একটি নতুন চুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি গত সপ্তাহে বলেছিলেন, তিনি আলোচনার জন্য জার্মানি, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন সফরে যেতে ইচ্ছুক।

ইরানের জাতিসংঘ মিশন তাদের চিঠিতে বলেছে, ‘হুমকি বা চাপের মুখে প্রকৃত কূটনীতি এগিয়ে যেতে পারে না।’

‘যদি ফ্রান্স এবং তার অংশীদাররা সত্যিই কূটনৈতিক সমাধানে আগ্রহী হয়, তাহলে তাদের অবশ্যই বলপ্রয়োগ ত্যাগ করতে হবে।