ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সরকার সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা দেবে : উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধূমকেতু রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা : একটি ঐতিহাসিক বয়ান দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চক্রান্ত চলছে : সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল মাদারগঞ্জে ১০৭৫ মিটার নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালাতে চান নেতানিয়াহু, ট্রাম্পের না

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনজামিন নেতানিয়াহু। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় ইসরাইলের হামলার পরিকল্পনা আটকে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরিবর্তে তিনি একটি চুক্তির মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কার্যক্রম সীমিত করার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’।

১৬ এপ্রিল বুধবার সংবাদমাধ্যটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল মে মাসে ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা এক বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য পিছিয়ে দেওয়া।

ইরানের পাল্টা হামলা থেকে ইসরাইলকে রক্ষা করা এবং তেহরানে সফলভাবে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা প্রয়োজন তেল আবিবের।

হামলার বিষয়ে কয়েক মাস আলোচনার পরে সামরিক পদক্ষেপ না নিয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেন।

গাজা যুদ্ধ, হামাস নেতাদের হত্যা ও লেবাননে ইসরাইলের হামলাকে কেন্দ্র করে গত বছর এপ্রিল ও অক্টোবরে ইরান ও ইসরাইল পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়। এতে এই দুই আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রথম মেয়াদে ২০১৫ সালে জাতিসংঘ-সমর্থিত ইরানের পরমাণু চুক্তি বাতিল করেন। তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে গোপনে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন এবং পুনরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এর জবাবে ইরানও চুক্তির শর্ত মানার বিষয়টি কমিয়ে দেয় এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বাড়িয়ে দেয়।

গত মাসে ট্রাম্প হুমকি দেন, ‘চুক্তি না করলে’ ইরানের ওপর বোমা হামলা হবে। এর জবাবে ইরান জানায়, তারা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না।

পাল্টাপাল্টি এমন হুমকির মধ্যেও গত শনিবার ওমানের মাস্কাটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রথম দফায় আলোচনায় বসেন। আগামী ১৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় আবারও বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।

জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালাতে চান নেতানিয়াহু, ট্রাম্পের না

আপডেট সময় ০৮:২৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় ইসরাইলের হামলার পরিকল্পনা আটকে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরিবর্তে তিনি একটি চুক্তির মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কার্যক্রম সীমিত করার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’।

১৬ এপ্রিল বুধবার সংবাদমাধ্যটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল মে মাসে ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা এক বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য পিছিয়ে দেওয়া।

ইরানের পাল্টা হামলা থেকে ইসরাইলকে রক্ষা করা এবং তেহরানে সফলভাবে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা প্রয়োজন তেল আবিবের।

হামলার বিষয়ে কয়েক মাস আলোচনার পরে সামরিক পদক্ষেপ না নিয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেন।

গাজা যুদ্ধ, হামাস নেতাদের হত্যা ও লেবাননে ইসরাইলের হামলাকে কেন্দ্র করে গত বছর এপ্রিল ও অক্টোবরে ইরান ও ইসরাইল পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়। এতে এই দুই আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রথম মেয়াদে ২০১৫ সালে জাতিসংঘ-সমর্থিত ইরানের পরমাণু চুক্তি বাতিল করেন। তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে গোপনে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন এবং পুনরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এর জবাবে ইরানও চুক্তির শর্ত মানার বিষয়টি কমিয়ে দেয় এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বাড়িয়ে দেয়।

গত মাসে ট্রাম্প হুমকি দেন, ‘চুক্তি না করলে’ ইরানের ওপর বোমা হামলা হবে। এর জবাবে ইরান জানায়, তারা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না।

পাল্টাপাল্টি এমন হুমকির মধ্যেও গত শনিবার ওমানের মাস্কাটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রথম দফায় আলোচনায় বসেন। আগামী ১৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় আবারও বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।