ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা মাদারগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু ১২ সেপ্টেম্বর, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মাদারগঞ্জে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক কর্মসূচি জামালপুরে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস পালিত ইসলামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটোরিকশা চালকের মৃত্যু বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।

জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

আপডেট সময় ০৭:১৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।