ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নারী এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ৩ মাসের কারাদণ্ড শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলায় পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান ইসলামপুরে ১২৮টি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, দিনদিন ঝরে পড়ছে শিক্ষার্থীরা আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য-অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে মাদারগঞ্জে পৌর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করলে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না : ওয়ারেছ আলী মামুন জামালপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শুভ উদ্বোধন মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ান আহত, সাব-জোনাল অফিস ঘেরাও-ভাঙচুর শেরপুর যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জামালপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।

জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

আপডেট সময় ০৭:১৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।