ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ন্যায্যমূল্যের পণ্যবিক্রি নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি আনবে : বিভাগীয় কমিশনার

বিক্রি কাজের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ন্যায্যমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী বিক্রির অভিনব এবং সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংঠনের প্রতি সাধুবাদ জানিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, নিষ্ঠুর সিন্ডিকেশন ভেঙ্গে প্রতিটি পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে জামালপুর জেলা প্রশাসন দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছে। তিনি এ বিক্রয়কেন্দ্রটি রোলমডেল হিসেবে সারাদেশে দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ন্যায্যমূল্যের এ বিক্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মধ্যস্বস্তভোগীদের দৌরাত্ব বন্ধ হবে। কৃষক যেমন ন্যায্যমূল্য পাবেন তেমনি নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে।

২৩ অক্টোবর বুধবার বেলা ১১টায় জামালপুর জেলা প্রশাসন, জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ, কৃষি বিপণন বিভাগ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে শহরের ফৌজদারি মোড়ে স্থাপিত বিক্রয়কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া।

এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম, জামালপুর পৌরসভার প্রশাসক মৌসুমী খানম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ছানোয়ার হোসেন, জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, ছাত্র সমন্বয়ক রবিন মাহমুদ, ছানাউল্লাহ, শান্ত প্রমুখ।

বিক্রি কাজের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডিমের হালি ৪৫ টাকাসহ শাক, সবজির দাম বাজারমূল্যের চেয়ে ১০/১৫ টাকা কম ধরে বিক্রি করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী ক্রেতা বাংলারচিঠি ডটকমকে বলেন, আরও আগে যদি এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হতো তাহলে স্বল্প আয়ের মানুষের মাঝে আহাজারী উঠতো না। বিলম্বে হলেও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

হাবিব নামে এক ক্রেতা শাকসবজি ও তরকারী কিনার উদ্দেশে সকাল বাজারে যাওয়ার পথে ফৌজদারি মোড়ে ন্যায্যমূল্যের দোকান দেখে রিকশা থেকে নেমে আসেন। চাহিদামাফিক সব কিনতে পেরে বলেন, প্রতিদিন যদি এ দোকান চলে তাহলে গরিব মানুষের উপকার হবে।

বিক্রয়কেন্দ্রে উদ্বোধনী দিনে মানুষের উপচে পড়া ভিড়।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ন্যায্যমূল্যের দোকানে প্রথম দিনেই উপচেপড়া মানুষের ভিড় ছিল। তালিকা মাফিক দেখা যায়, লাউ ৩৫ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, মিষ্টি লাউ ৪৫ টাকা ধরে বিক্রি করা হয়।

জেলা প্রশাসক হাসিনা বেগম বলেন, সকলের সহযোগিতায় আমাদের এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। তিনি সরকারি দপ্তর, পৌরসভার পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধিদের সার্বক্ষণিক এ কাজে সহায়তা করার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায্যমূল্যের পণ্যবিক্রি নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি আনবে : বিভাগীয় কমিশনার

আপডেট সময় ১১:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪

ন্যায্যমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী বিক্রির অভিনব এবং সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংঠনের প্রতি সাধুবাদ জানিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, নিষ্ঠুর সিন্ডিকেশন ভেঙ্গে প্রতিটি পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে জামালপুর জেলা প্রশাসন দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছে। তিনি এ বিক্রয়কেন্দ্রটি রোলমডেল হিসেবে সারাদেশে দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ন্যায্যমূল্যের এ বিক্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মধ্যস্বস্তভোগীদের দৌরাত্ব বন্ধ হবে। কৃষক যেমন ন্যায্যমূল্য পাবেন তেমনি নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে।

২৩ অক্টোবর বুধবার বেলা ১১টায় জামালপুর জেলা প্রশাসন, জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ, কৃষি বিপণন বিভাগ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে শহরের ফৌজদারি মোড়ে স্থাপিত বিক্রয়কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া।

এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম, জামালপুর পৌরসভার প্রশাসক মৌসুমী খানম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ছানোয়ার হোসেন, জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, ছাত্র সমন্বয়ক রবিন মাহমুদ, ছানাউল্লাহ, শান্ত প্রমুখ।

বিক্রি কাজের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডিমের হালি ৪৫ টাকাসহ শাক, সবজির দাম বাজারমূল্যের চেয়ে ১০/১৫ টাকা কম ধরে বিক্রি করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী ক্রেতা বাংলারচিঠি ডটকমকে বলেন, আরও আগে যদি এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হতো তাহলে স্বল্প আয়ের মানুষের মাঝে আহাজারী উঠতো না। বিলম্বে হলেও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

হাবিব নামে এক ক্রেতা শাকসবজি ও তরকারী কিনার উদ্দেশে সকাল বাজারে যাওয়ার পথে ফৌজদারি মোড়ে ন্যায্যমূল্যের দোকান দেখে রিকশা থেকে নেমে আসেন। চাহিদামাফিক সব কিনতে পেরে বলেন, প্রতিদিন যদি এ দোকান চলে তাহলে গরিব মানুষের উপকার হবে।

বিক্রয়কেন্দ্রে উদ্বোধনী দিনে মানুষের উপচে পড়া ভিড়।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ন্যায্যমূল্যের দোকানে প্রথম দিনেই উপচেপড়া মানুষের ভিড় ছিল। তালিকা মাফিক দেখা যায়, লাউ ৩৫ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, মিষ্টি লাউ ৪৫ টাকা ধরে বিক্রি করা হয়।

জেলা প্রশাসক হাসিনা বেগম বলেন, সকলের সহযোগিতায় আমাদের এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। তিনি সরকারি দপ্তর, পৌরসভার পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধিদের সার্বক্ষণিক এ কাজে সহায়তা করার আহ্বান জানান।