ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি জামালপুরে জেসমিন প্রকল্পের সেরা চর্চা বিষয়ক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত যমুনায় নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী

দেওয়ানগঞ্জে ৫০০ টাকার জন্য শিশুকে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেলে হত্যা

তারেক মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য মুজাহিদ নামে পাঁচ বছর বয়সী এক মাদরাসার ছাত্রকে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেলে দিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি শামীম হোসেনকে (১৭) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ১২ মে দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের দায় স্বীকার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন মাত্র ৫০০ টাকার লোভে উপজেলার সানন্দবাড়ী পাটাধোয়া পাড়া গ্রামের বাবুল আক্তারের হাফেজিয়া মাদরাসা পড়ুয়া শিশু শ্রেণির ছাত্র মাহমুদুল হাসান মুজাহিদকে দোকান থেকে ফুসলিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের পারে নিয়ে যায় এবং পার থেকে ফেলে দেয়। মুজাহিদ নদীতে পড়ে বাঁচার জন্য আকুতি জানালে সে তাকে আবারও ধাক্কা মেরে নদীর গভীর পানিতে ফেলে দেয়। তখন থেকেই নিখোঁজ শিশুর সন্ধান এখনো মেলেনি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং স্থানীয়রা বহু খোঁজাখুঁজি করে এখনও মরদেহের সন্ধান পায়নি।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস এ প্রতিবেদককে জানান, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামি শামিম হোসেন নিজের দোষ স্বীকার করেছে। শামীম নিজ হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়। জীবন বাঁচানোর আকুতি তাকে টলাতে পারেনি। নিখোঁজ শিশুর বাবার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ মে দুপুরে উপজেলার সানন্দবাড়ী এলাকার পাটাধোয়া পাড়ায় মায়ের ট্রাংক থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে দোকানে কিছু কিনতে গিয়ে পার্শ্ববর্তী শামীম হোসেনের কুদৃষ্টির শিকার হয় এবং তাকে ফুসলিয়ে নদীর পারে নিয়ে গিয়ে সেই টাকা ছিনিয়ে নেয়। টাকার বিষয়টি শিশু মুজাহিদ তার মাকে বলে দেওয়ার ভয় দেখালে সাথে সাথে সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে গভীর পানিতে ফেলে দেয়। তখন থেকে এখনও শিশুটি নিখোঁজ রয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হলে ১২ মে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি

দেওয়ানগঞ্জে ৫০০ টাকার জন্য শিশুকে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেলে হত্যা

আপডেট সময় ০৯:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

তারেক মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য মুজাহিদ নামে পাঁচ বছর বয়সী এক মাদরাসার ছাত্রকে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেলে দিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি শামীম হোসেনকে (১৭) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ১২ মে দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের দায় স্বীকার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন মাত্র ৫০০ টাকার লোভে উপজেলার সানন্দবাড়ী পাটাধোয়া পাড়া গ্রামের বাবুল আক্তারের হাফেজিয়া মাদরাসা পড়ুয়া শিশু শ্রেণির ছাত্র মাহমুদুল হাসান মুজাহিদকে দোকান থেকে ফুসলিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের পারে নিয়ে যায় এবং পার থেকে ফেলে দেয়। মুজাহিদ নদীতে পড়ে বাঁচার জন্য আকুতি জানালে সে তাকে আবারও ধাক্কা মেরে নদীর গভীর পানিতে ফেলে দেয়। তখন থেকেই নিখোঁজ শিশুর সন্ধান এখনো মেলেনি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং স্থানীয়রা বহু খোঁজাখুঁজি করে এখনও মরদেহের সন্ধান পায়নি।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস এ প্রতিবেদককে জানান, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামি শামিম হোসেন নিজের দোষ স্বীকার করেছে। শামীম নিজ হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়। জীবন বাঁচানোর আকুতি তাকে টলাতে পারেনি। নিখোঁজ শিশুর বাবার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ মে দুপুরে উপজেলার সানন্দবাড়ী এলাকার পাটাধোয়া পাড়ায় মায়ের ট্রাংক থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে দোকানে কিছু কিনতে গিয়ে পার্শ্ববর্তী শামীম হোসেনের কুদৃষ্টির শিকার হয় এবং তাকে ফুসলিয়ে নদীর পারে নিয়ে গিয়ে সেই টাকা ছিনিয়ে নেয়। টাকার বিষয়টি শিশু মুজাহিদ তার মাকে বলে দেওয়ার ভয় দেখালে সাথে সাথে সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে গভীর পানিতে ফেলে দেয়। তখন থেকে এখনও শিশুটি নিখোঁজ রয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হলে ১২ মে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।