ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা সরবরাহের লক্ষ্যে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ১২ মে এ কথা জানিয়েছেন।

গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, মহাসচিব বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা নিরাপদে সরবরাহের লক্ষে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর ‘প্রতিশ্রুতির ঘোষণাকে’ স্বাগত জানিয়েছেন।

এছাড়া মহাসচিব অবিলম্বে অস্ত্রবিরতি এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে বিস্তৃত আলোচনারও আহ্বান জানিয়েছেন বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় প্রায় এক সপ্তাহের আলোচনা শেষে যুদ্ধরত সুদানী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেস বৃহস্পতিবার এ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।

মুখপাত্র আরো বলেছেন, জাতিসংঘ এ ঘোষণা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রচেষ্টায় কোন ছাড় দেবে না। এছাড়া অস্ত্রবিরতি হোক কিংবা না হোক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

সুদানে সেনা প্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল বুরহানের অনুগত বাহিনী এবং জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো ওরফে হেমেদতির বাহিনীর মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে সংঘাত চলছে। হামদান দাগালো সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকেই উভয়ে একাধিক অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছেন। কিন্ত অস্ত্রবিরতিকে কেউ কার্যকরভাবে গ্রহণ করেনি। অস্ত্রবিরতি লংঘনের জন্যে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করছে।

এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে খার্তুমের ৫০ লাখ লোক দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে। আতঙ্কিত লোকজনকে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। এছাড়া তারা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে, তারা ৫০ হাজার লোককে খাদ্য সহায়তা দিতে পেরেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলেছে, সুদান থেকে ইতোমধ্যে দুই লাখ লোক পালিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান

আপডেট সময় ০৩:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা সরবরাহের লক্ষ্যে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ১২ মে এ কথা জানিয়েছেন।

গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, মহাসচিব বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা নিরাপদে সরবরাহের লক্ষে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর ‘প্রতিশ্রুতির ঘোষণাকে’ স্বাগত জানিয়েছেন।

এছাড়া মহাসচিব অবিলম্বে অস্ত্রবিরতি এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে বিস্তৃত আলোচনারও আহ্বান জানিয়েছেন বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় প্রায় এক সপ্তাহের আলোচনা শেষে যুদ্ধরত সুদানী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেস বৃহস্পতিবার এ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।

মুখপাত্র আরো বলেছেন, জাতিসংঘ এ ঘোষণা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রচেষ্টায় কোন ছাড় দেবে না। এছাড়া অস্ত্রবিরতি হোক কিংবা না হোক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

সুদানে সেনা প্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল বুরহানের অনুগত বাহিনী এবং জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো ওরফে হেমেদতির বাহিনীর মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে সংঘাত চলছে। হামদান দাগালো সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকেই উভয়ে একাধিক অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছেন। কিন্ত অস্ত্রবিরতিকে কেউ কার্যকরভাবে গ্রহণ করেনি। অস্ত্রবিরতি লংঘনের জন্যে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করছে।

এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে খার্তুমের ৫০ লাখ লোক দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে। আতঙ্কিত লোকজনকে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। এছাড়া তারা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে, তারা ৫০ হাজার লোককে খাদ্য সহায়তা দিতে পেরেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলেছে, সুদান থেকে ইতোমধ্যে দুই লাখ লোক পালিয়েছে।