ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী জামালপুরে জশনে জুলুসে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপিত প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বকশীগঞ্জে বসতভিটা দখলের চেষ্টাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়েই মিমিকে হত্যা: কাউসার গ্রেপ্তার মাদারগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, তিন দোকানিকে জরিমানা সরিষাবাড়ীতে নদীতে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু  মাদারগঞ্জে ৮০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ ধ্বংস

সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা সরবরাহের লক্ষ্যে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ১২ মে এ কথা জানিয়েছেন।

গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, মহাসচিব বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা নিরাপদে সরবরাহের লক্ষে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর ‘প্রতিশ্রুতির ঘোষণাকে’ স্বাগত জানিয়েছেন।

এছাড়া মহাসচিব অবিলম্বে অস্ত্রবিরতি এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে বিস্তৃত আলোচনারও আহ্বান জানিয়েছেন বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় প্রায় এক সপ্তাহের আলোচনা শেষে যুদ্ধরত সুদানী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেস বৃহস্পতিবার এ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।

মুখপাত্র আরো বলেছেন, জাতিসংঘ এ ঘোষণা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রচেষ্টায় কোন ছাড় দেবে না। এছাড়া অস্ত্রবিরতি হোক কিংবা না হোক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

সুদানে সেনা প্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল বুরহানের অনুগত বাহিনী এবং জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো ওরফে হেমেদতির বাহিনীর মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে সংঘাত চলছে। হামদান দাগালো সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকেই উভয়ে একাধিক অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছেন। কিন্ত অস্ত্রবিরতিকে কেউ কার্যকরভাবে গ্রহণ করেনি। অস্ত্রবিরতি লংঘনের জন্যে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করছে।

এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে খার্তুমের ৫০ লাখ লোক দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে। আতঙ্কিত লোকজনকে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। এছাড়া তারা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে, তারা ৫০ হাজার লোককে খাদ্য সহায়তা দিতে পেরেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলেছে, সুদান থেকে ইতোমধ্যে দুই লাখ লোক পালিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান

আপডেট সময় ০৩:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা সরবরাহের লক্ষ্যে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ১২ মে এ কথা জানিয়েছেন।

গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, মহাসচিব বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা নিরাপদে সরবরাহের লক্ষে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর ‘প্রতিশ্রুতির ঘোষণাকে’ স্বাগত জানিয়েছেন।

এছাড়া মহাসচিব অবিলম্বে অস্ত্রবিরতি এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে বিস্তৃত আলোচনারও আহ্বান জানিয়েছেন বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় প্রায় এক সপ্তাহের আলোচনা শেষে যুদ্ধরত সুদানী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেস বৃহস্পতিবার এ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।

মুখপাত্র আরো বলেছেন, জাতিসংঘ এ ঘোষণা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রচেষ্টায় কোন ছাড় দেবে না। এছাড়া অস্ত্রবিরতি হোক কিংবা না হোক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

সুদানে সেনা প্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল বুরহানের অনুগত বাহিনী এবং জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো ওরফে হেমেদতির বাহিনীর মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে সংঘাত চলছে। হামদান দাগালো সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র্যা পিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকেই উভয়ে একাধিক অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছেন। কিন্ত অস্ত্রবিরতিকে কেউ কার্যকরভাবে গ্রহণ করেনি। অস্ত্রবিরতি লংঘনের জন্যে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করছে।

এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে খার্তুমের ৫০ লাখ লোক দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে। আতঙ্কিত লোকজনকে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। এছাড়া তারা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে, তারা ৫০ হাজার লোককে খাদ্য সহায়তা দিতে পেরেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলেছে, সুদান থেকে ইতোমধ্যে দুই লাখ লোক পালিয়েছে।