ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি শেরপুর জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত আইনজীবীর কার্যালয় থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক উদ্ধার এক শিক্ষকেই চলছে পশ্চিম চর নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্যাহত পাঠদান উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সামছুল হুদার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত মাদারগঞ্জে সাপে কাটা নারীর মৃত্যু, স্বাস্থ্যকর্মীর উপর হামলা জামালপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত জামালপুরে প্রয়াত বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান খোকা স্মরণে দোয়া মাহফিল গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে ইউপি সদস্যসহ ৭ জনকে মৃত্যুদন্ড বকশীগঞ্জে অপপ্রচার রোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে মৃত দুই গ্রাহকের নমিনির হাতে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

পান আনতে গিয়ে লাশ হলো শিক্ষার্থী

জসিমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জসিমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরের শ্রীবরদীতে জসিম (১৩) নামের এক শিক্ষার্থীর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মাসুদ নামে এক ঘাতককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৬ এপ্রিল দুপুরে উপজেলার হাঁসধরা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ওই লাশ উদ্ধার হয়।

নিহত জসিম রাণীশিমুল ইউনিয়নের হাঁসধরা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত গোলাপ মিয়ার ছেলে ও হাঁসধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় জসিমের মা জবেদা বেগম জসিমকে বাজার থেকে পান এনে দেওয়ার কথা বলেন। পরে জসিম তার বড় ভাই রুবেল মিয়ার অটোভ্যান নিয়ে হাঁসধরা গ্রামের বাজারে যায়। এ সময় পার্শ্ববর্তী বিলভরট গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে মাসুদ ফুঁসলিয়ে জসিমকে হাঁসধরা গ্রামের একটি ধানক্ষেতে নিয়ে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক ভ্যানটি ছিনিয়ে নেয়। পরে মাসুদ ওই দিন রাতে অটোভ্যানটি বিক্রি করার জন্য শ্রীবরদী পৌর শহরের উত্তর বাজারে যায়। এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা মাসুদকে আটক করে অটোভ্যানসহ শ্রীবরদী থানা পুলিশে সোপর্দ করে।

এদিকে দীর্ঘ সময় পরও শিশু জসিম বাজার থেকে বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ব্যর্থ হয়। পরে ৬ এপ্রিল দুপুরে হাঁসধরা গ্রামের একটি ধানক্ষেতে জসিমের লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। এমন সংবাদ পেয়ে শ্রীবরদী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

জসিমের মা জবেদা বেগম ছেলে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

শ্র্রীবরদী থানার ওসি (তদন্ত) নাঈম মোহাম্মদ নাহিদ হাসান বলেন, জসিমের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরির একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি শেরপুর জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

পান আনতে গিয়ে লাশ হলো শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৭:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৩
জসিমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরের শ্রীবরদীতে জসিম (১৩) নামের এক শিক্ষার্থীর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মাসুদ নামে এক ঘাতককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৬ এপ্রিল দুপুরে উপজেলার হাঁসধরা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ওই লাশ উদ্ধার হয়।

নিহত জসিম রাণীশিমুল ইউনিয়নের হাঁসধরা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত গোলাপ মিয়ার ছেলে ও হাঁসধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় জসিমের মা জবেদা বেগম জসিমকে বাজার থেকে পান এনে দেওয়ার কথা বলেন। পরে জসিম তার বড় ভাই রুবেল মিয়ার অটোভ্যান নিয়ে হাঁসধরা গ্রামের বাজারে যায়। এ সময় পার্শ্ববর্তী বিলভরট গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে মাসুদ ফুঁসলিয়ে জসিমকে হাঁসধরা গ্রামের একটি ধানক্ষেতে নিয়ে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক ভ্যানটি ছিনিয়ে নেয়। পরে মাসুদ ওই দিন রাতে অটোভ্যানটি বিক্রি করার জন্য শ্রীবরদী পৌর শহরের উত্তর বাজারে যায়। এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা মাসুদকে আটক করে অটোভ্যানসহ শ্রীবরদী থানা পুলিশে সোপর্দ করে।

এদিকে দীর্ঘ সময় পরও শিশু জসিম বাজার থেকে বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ব্যর্থ হয়। পরে ৬ এপ্রিল দুপুরে হাঁসধরা গ্রামের একটি ধানক্ষেতে জসিমের লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। এমন সংবাদ পেয়ে শ্রীবরদী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

জসিমের মা জবেদা বেগম ছেলে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

শ্র্রীবরদী থানার ওসি (তদন্ত) নাঈম মোহাম্মদ নাহিদ হাসান বলেন, জসিমের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরির একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।