ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে রেকর্ড সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি

আদালত প্রতিবেদক: জামালপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১৬৫ কার্যদিবসে ১২৭৭ টি মামলা নিষ্পত্তির রেকর্ডের খবর পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে, জামালপুর সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ২০২২ সালের জানুয়ারী মাস থেকে ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ দেওয়ানী আদালতের সিভিল ভ্যাকেশন শুরুর পূর্বে পর্যন্ত মাত্র ১৬৫ দিনে ১ হাজার ২৭৭টি দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তির তথ্য পাওয়া যায়। এই সময়ে মামলা দায়ের হয় ৯৯১টি, সাক্ষী নেওয়া হয় ২ হাজার ৯৫ জনের।মোট মামলা দায়ের অনুপাতে নিষ্পত্তির হার প্রায় ১৩০%। অর্থাৎ নিষ্পত্তির হার শত ভাগের চেয়ে অনেক বেশি। এই সময়ের মধ্যে বিচারক দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণে ছিলেন প্রায় দুই মাস।

জানা যায়, বিচারক মো. ইকবাল মাহমুদ এই আদালতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মামলা নিষ্পত্তিতে অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে গেছেন। প্রতিদিন সকাল বেলায় আদালতের বিচার কার্যক্রম শুরু হয় এবং বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা অবধি এই আদালতের বিচার কার্যক্রম চলে। জেলার সর্বত্র এই আদালতে মামলা নিষ্পত্তির খবরে বিচারপ্রার্থী জনগণের মাঝে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। আদালতের কার্যক্রম যখন চলে তখন শত শত বিচারপ্রার্থী জনগণ আদালতে ভীড় জমায়।

জানা যায়, বিগত দুই দশক সময়ের মধ্যে এই আদালতে মামলা নিষ্পত্তির সকল প্রকার রেকর্ড অতিক্রম করে যায়।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এইভাবে সারাদেশে মামলা নিষ্পত্তি হলে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা শতগুণ বৃদ্ধি পাবে।এই আদালতে বিচারপ্রার্থী জনগণও এতে অনেক বেশি খুশি।

এ ব্যাপারে একাধিক আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী বিশেষ করে নিষ্পত্তি পাওয়া মানুষ এ প্রতিনিধির কাছে আবেগ আপ্লুত ভাষায় বলেন, সম্পূর্ণ হয়রানিমুক্ত প্রক্রিয়ায় আমরা সুফল পেয়েছি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে রেকর্ড সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২২

আদালত প্রতিবেদক: জামালপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১৬৫ কার্যদিবসে ১২৭৭ টি মামলা নিষ্পত্তির রেকর্ডের খবর পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে, জামালপুর সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ২০২২ সালের জানুয়ারী মাস থেকে ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ দেওয়ানী আদালতের সিভিল ভ্যাকেশন শুরুর পূর্বে পর্যন্ত মাত্র ১৬৫ দিনে ১ হাজার ২৭৭টি দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তির তথ্য পাওয়া যায়। এই সময়ে মামলা দায়ের হয় ৯৯১টি, সাক্ষী নেওয়া হয় ২ হাজার ৯৫ জনের।মোট মামলা দায়ের অনুপাতে নিষ্পত্তির হার প্রায় ১৩০%। অর্থাৎ নিষ্পত্তির হার শত ভাগের চেয়ে অনেক বেশি। এই সময়ের মধ্যে বিচারক দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণে ছিলেন প্রায় দুই মাস।

জানা যায়, বিচারক মো. ইকবাল মাহমুদ এই আদালতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মামলা নিষ্পত্তিতে অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে গেছেন। প্রতিদিন সকাল বেলায় আদালতের বিচার কার্যক্রম শুরু হয় এবং বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা অবধি এই আদালতের বিচার কার্যক্রম চলে। জেলার সর্বত্র এই আদালতে মামলা নিষ্পত্তির খবরে বিচারপ্রার্থী জনগণের মাঝে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। আদালতের কার্যক্রম যখন চলে তখন শত শত বিচারপ্রার্থী জনগণ আদালতে ভীড় জমায়।

জানা যায়, বিগত দুই দশক সময়ের মধ্যে এই আদালতে মামলা নিষ্পত্তির সকল প্রকার রেকর্ড অতিক্রম করে যায়।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এইভাবে সারাদেশে মামলা নিষ্পত্তি হলে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা শতগুণ বৃদ্ধি পাবে।এই আদালতে বিচারপ্রার্থী জনগণও এতে অনেক বেশি খুশি।

এ ব্যাপারে একাধিক আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী বিশেষ করে নিষ্পত্তি পাওয়া মানুষ এ প্রতিনিধির কাছে আবেগ আপ্লুত ভাষায় বলেন, সম্পূর্ণ হয়রানিমুক্ত প্রক্রিয়ায় আমরা সুফল পেয়েছি।