ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।-ফাইল ছবি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি সমাবেশকে ঘিরে আন্দোলনের নামে যদি সহিংসতার উপাদান যুক্ত করে, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সমুচিত জবাব দিবে।

৩০ নভেম্বর সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে একথা বলেন।

আন্দোলনকে কেন্দ্র করে, বিএনপি কেন তাদের সমাবেশে জন্য ১০ ডিসেম্বর বেছে নিয়েছে, এমন প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি কি জানে না বাংলাদেশের ইতিহাস? ১৯৭১ সালে ১০ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার নীল নকশা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বর সাংবাদিক সিরাজ উদ্দিন হোসেন এবং সাংবাদিক সৈয়দ নাজমুল হক- এই দুই জনকে পাক-হানাদার বাহিনী ও আলবদর বাহিনী উঠিয়ে নিয়ে যায়। ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বুদ্ধিজীবী হত্যার মতো নৃশংসতম ঘটনা বাংলাদেশে সংগঠিত হয়।

সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, সাংবাদিক, চিকিৎসকদের ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের জন্য কেন বিএনপি বেছে নিলো, এটাই এখন প্রশ্ন? আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি যেতে চায় না, কারণ সেখানে পাক-হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। আর একাত্তরের ৭ মাচের্র ভাষণ বিএনপির পছন্দ নাও হতে পারে, যদিও সেই ভাষনকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছে সর্বকালের অন্যতম সেরা ভাষণ হিসেবে।

তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হচ্ছে সেই ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে ১৬ ডিসেম্বর পাক-হানাদার বাহিনী মুক্তি বাহিনী, মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কেন বিএনপির অপছন্দ, তা জানতে চেয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক উদ্যান, বিশাল জায়গা এখানে। আওয়ামী লীগের সব সমাবেশ ও জাতীয় সম্মেলন এখানেই হয়।

তাহলে বিএনপি কেন তাদের পার্টি অফিসের সামনের মাত্র ৩৫ হাজার বর্গফুটের মতো ছোট্ট একটি জায়গায় তাদের সমাবেশের জন্য বেছে নিলো ? প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের। তিনি জানতে চান, পার্টি অফিসে সমাবেশ করার জন্য বিএনপির এতো দঢ়তা কেন? এখানে তাদের কি কোন বদ উদ্দেশ্য আছে? কোন মতলবে তারা এটা চায়?
আওয়ামী লীগ ১০ ডিসেম্বর সতর্ক পাহারায় থাকবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে : ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ০৭:০৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি সমাবেশকে ঘিরে আন্দোলনের নামে যদি সহিংসতার উপাদান যুক্ত করে, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সমুচিত জবাব দিবে।

৩০ নভেম্বর সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে একথা বলেন।

আন্দোলনকে কেন্দ্র করে, বিএনপি কেন তাদের সমাবেশে জন্য ১০ ডিসেম্বর বেছে নিয়েছে, এমন প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি কি জানে না বাংলাদেশের ইতিহাস? ১৯৭১ সালে ১০ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার নীল নকশা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বর সাংবাদিক সিরাজ উদ্দিন হোসেন এবং সাংবাদিক সৈয়দ নাজমুল হক- এই দুই জনকে পাক-হানাদার বাহিনী ও আলবদর বাহিনী উঠিয়ে নিয়ে যায়। ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বুদ্ধিজীবী হত্যার মতো নৃশংসতম ঘটনা বাংলাদেশে সংগঠিত হয়।

সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, সাংবাদিক, চিকিৎসকদের ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের জন্য কেন বিএনপি বেছে নিলো, এটাই এখন প্রশ্ন? আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি যেতে চায় না, কারণ সেখানে পাক-হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। আর একাত্তরের ৭ মাচের্র ভাষণ বিএনপির পছন্দ নাও হতে পারে, যদিও সেই ভাষনকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছে সর্বকালের অন্যতম সেরা ভাষণ হিসেবে।

তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হচ্ছে সেই ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে ১৬ ডিসেম্বর পাক-হানাদার বাহিনী মুক্তি বাহিনী, মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কেন বিএনপির অপছন্দ, তা জানতে চেয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক উদ্যান, বিশাল জায়গা এখানে। আওয়ামী লীগের সব সমাবেশ ও জাতীয় সম্মেলন এখানেই হয়।

তাহলে বিএনপি কেন তাদের পার্টি অফিসের সামনের মাত্র ৩৫ হাজার বর্গফুটের মতো ছোট্ট একটি জায়গায় তাদের সমাবেশের জন্য বেছে নিলো ? প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের। তিনি জানতে চান, পার্টি অফিসে সমাবেশ করার জন্য বিএনপির এতো দঢ়তা কেন? এখানে তাদের কি কোন বদ উদ্দেশ্য আছে? কোন মতলবে তারা এটা চায়?
আওয়ামী লীগ ১০ ডিসেম্বর সতর্ক পাহারায় থাকবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।