ঢাকা ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তিরাই সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে : মির্জা আজম এমপি

ধর্ম মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মির্জা আজম এমপি। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

ধর্ম মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মির্জা আজম এমপি। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছিল। তখন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী আলেম, ইমাম, মাদরাসার শিক্ষকদের বেশির ভাগই বলতেন পাকিস্তান মানেই মুসলমানদের দেশ। আর জয়বাংলা বলে শ্লোগান দিলেই হিন্দু বলে ফতোয়া দেওয়া হতো। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি ও তাদের উত্তরাধিকারীরাই আজকে দেশে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে।

৩১ অক্টোবর দুপুরে জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মাদক, সন্ত্রাস, যৌতুক, নারী নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আজম এমপি এসব কথা বলেন।

মির্জা আজম আরও বলেন, ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্ম সাম্প্রদায়িকতাকে সমর্থন করে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকারের ব্যবস্থা রেখে গেছেন। আমরা বিশ্বাস করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে বাংলাদেশ পেয়েছি, বাংলাদেশ চলবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠনে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশবিরোধী শক্তি ধর্মের নামে বিভিন্নভাবে কৌশল অবলম্বন করছে। সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে তারা বর্তমান সরকার ও দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়, পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদ, সিভিল সার্জন প্রণয় কান্তি দাস, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ও প্রকল্প পরিচালক আব্দুল্লাহ আল শাহীন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী, জামালপুর পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, মাদারগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবির, মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র শফিক জাহেদী রবিন, মাদারগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান বেলাল, সরিষাবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন পাঠান, সরিষাবাড়ী পৌরসভার মেয়র মনির উদ্দিন, বকশীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মো. আক্তারুজ্জামান সিদ্দিকী, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি লক্ষীকান্ত পন্ডিত ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ শংকর রায় প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন ইসলামধর্মীয় চিন্তাবিদ, মসজিদের ইমাম, মাদরাসার শিক্ষক, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, সুধীজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তিরাই সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে : মির্জা আজম এমপি

আপডেট সময় ১০:০০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অক্টোবর ২০২২
ধর্ম মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মির্জা আজম এমপি। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছিল। তখন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী আলেম, ইমাম, মাদরাসার শিক্ষকদের বেশির ভাগই বলতেন পাকিস্তান মানেই মুসলমানদের দেশ। আর জয়বাংলা বলে শ্লোগান দিলেই হিন্দু বলে ফতোয়া দেওয়া হতো। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি ও তাদের উত্তরাধিকারীরাই আজকে দেশে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে।

৩১ অক্টোবর দুপুরে জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মাদক, সন্ত্রাস, যৌতুক, নারী নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আজম এমপি এসব কথা বলেন।

মির্জা আজম আরও বলেন, ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্ম সাম্প্রদায়িকতাকে সমর্থন করে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকারের ব্যবস্থা রেখে গেছেন। আমরা বিশ্বাস করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে বাংলাদেশ পেয়েছি, বাংলাদেশ চলবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠনে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশবিরোধী শক্তি ধর্মের নামে বিভিন্নভাবে কৌশল অবলম্বন করছে। সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে তারা বর্তমান সরকার ও দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়, পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদ, সিভিল সার্জন প্রণয় কান্তি দাস, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ও প্রকল্প পরিচালক আব্দুল্লাহ আল শাহীন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী, জামালপুর পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, মাদারগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবির, মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র শফিক জাহেদী রবিন, মাদারগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান বেলাল, সরিষাবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন পাঠান, সরিষাবাড়ী পৌরসভার মেয়র মনির উদ্দিন, বকশীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মো. আক্তারুজ্জামান সিদ্দিকী, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি লক্ষীকান্ত পন্ডিত ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ শংকর রায় প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন ইসলামধর্মীয় চিন্তাবিদ, মসজিদের ইমাম, মাদরাসার শিক্ষক, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, সুধীজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।