ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মেলান্দহে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

মুত্তাছিম বিল্লাহ্, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। ১ জুলাই রাতে উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের টগারচর এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- ঝাউগড়া ইউনিয়নের পইরবাড়ি গ্রামের মৃত মেহার ফকিরের ছেলে মো. মকবুল ফকির (৫৪) ও একই গ্রামের মৃত বাহার ফকিরের ছেলে মো. হানিফ ফকির (৫৬)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই। দুইজনেই কৃষিকাজ করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো মকবুল ও হানিফ কাজের উদ্দেশ্যে টগারচর এলাকায় যান। সেখানে তারা এক ব্যক্তির পাট কাটার কাজ নিয়েছিলেন। সন্ধ্যার আগে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় বজ্রাঘাতে তারা পাটক্ষেতে লুটিয়ে পড়েন।

তখন আশেপাশে কেউ না থাকায় লাশ দুটি ক্ষেতের মধ্যেই পড়ে ছিল। সন্ধ্যার পরও মকবুল ও হানিফ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সন্ধ্যার পর ওই পাটক্ষেতে গিয়ে তাদের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনেরা।

মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আঞ্জুমনোয়ারা হেনা বলেন, বৃষ্টির সময় ওই ক্ষেতের আশপাশে কেউ ছিল না। বজ্রপাতে তারা মারা গেলেও প্রথমে কেউ বুঝতে পারেনি। লাশ দুটি উদ্ধারের পর রাত ৮টার দিকে স্বজনেরা বাড়িতে নিয়ে যান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সহজপাঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সরিষাবাড়ীতে হয়ে গেল ঘুড়ি উৎসব

মেলান্দহে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২

মুত্তাছিম বিল্লাহ্, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। ১ জুলাই রাতে উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের টগারচর এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- ঝাউগড়া ইউনিয়নের পইরবাড়ি গ্রামের মৃত মেহার ফকিরের ছেলে মো. মকবুল ফকির (৫৪) ও একই গ্রামের মৃত বাহার ফকিরের ছেলে মো. হানিফ ফকির (৫৬)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই। দুইজনেই কৃষিকাজ করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো মকবুল ও হানিফ কাজের উদ্দেশ্যে টগারচর এলাকায় যান। সেখানে তারা এক ব্যক্তির পাট কাটার কাজ নিয়েছিলেন। সন্ধ্যার আগে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় বজ্রাঘাতে তারা পাটক্ষেতে লুটিয়ে পড়েন।

তখন আশেপাশে কেউ না থাকায় লাশ দুটি ক্ষেতের মধ্যেই পড়ে ছিল। সন্ধ্যার পরও মকবুল ও হানিফ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সন্ধ্যার পর ওই পাটক্ষেতে গিয়ে তাদের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনেরা।

মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আঞ্জুমনোয়ারা হেনা বলেন, বৃষ্টির সময় ওই ক্ষেতের আশপাশে কেউ ছিল না। বজ্রপাতে তারা মারা গেলেও প্রথমে কেউ বুঝতে পারেনি। লাশ দুটি উদ্ধারের পর রাত ৮টার দিকে স্বজনেরা বাড়িতে নিয়ে যান।