ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কবি আহমদ আজিজ স্মরণে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ

কবি আহমদ আজিজের স্মরণে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানে। ছবি: তানভীর আহমেদ হীরা

কবি আহমদ আজিজ স্মরণে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানে। ছবি: তানভীর আহমেদ হীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ‘মানুষের মৃত্যু হলে তবু মানব থেকে যায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তৃতীয় প্রয়াণ দিবসে কবি আহমদ আজিজ স্বরণে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৯ জুন রাতে জামালপুর কবিতা পরিষদের আয়োজনে জেলা পরিষদের মিলনায়তনে জাতীয় কবিতা পরিষদ, জামালপুর জেলা শাখার প্রয়াত সভাপতি ও বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান কবি আহমদ আজিজ স্বরণে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ফেরদৌসের সঞ্চলনায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কবিতা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা কবি মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- জামালপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কবি খন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা হাকিম কবি আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের প্রকল্প পরিচালক ও কবিতা পরিষদের উপদেষ্টা কবি ডা. মো. মেহেদী ইকবাল, দৈনিক আলোচিত পত্রিকার সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কবি সাযযাদ আনসারী, কবি আলী জহির, কবি মীর আনিছুল হাসান, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যাপক আব্দুল হাই আল হাদী, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলে এলাহী মাকাম, সাংবাদিক ও কবিতা পরিষদের সদস্য তানভীর আহমেদ হীরা প্রমুখ।

বক্তারা প্রয়াত কবি আহমদ আজিজের দীর্ঘ জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় বক্তব্যে ওঠে আসে- কবির জীবন দশায় তিনি ছিলেন একজন উচ্চমানের সংগঠন, সাদা মনের মানুষ। তার কবিতায় শক্তিশালী শব্দের গাঁথুনিতে কবিতাকে করেছে অমরত্ব। তিনি আধুনিক কবি হিসেবে কবিতা রসের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে মানুষের মনের মণি কোঠায় থাকবে।

এছাড়াও আগামীতে কবির স্মরণে স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ ও প্রতিবছর কবি পুরস্কার প্রদান করার প্রতিশ্রুতি জানানো হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কবি আহমদ আজিজ স্মরণে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ

আপডেট সময় ০৩:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুন ২০২২
কবি আহমদ আজিজ স্মরণে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানে। ছবি: তানভীর আহমেদ হীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ‘মানুষের মৃত্যু হলে তবু মানব থেকে যায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তৃতীয় প্রয়াণ দিবসে কবি আহমদ আজিজ স্বরণে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৯ জুন রাতে জামালপুর কবিতা পরিষদের আয়োজনে জেলা পরিষদের মিলনায়তনে জাতীয় কবিতা পরিষদ, জামালপুর জেলা শাখার প্রয়াত সভাপতি ও বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান কবি আহমদ আজিজ স্বরণে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ফেরদৌসের সঞ্চলনায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কবিতা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা কবি মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- জামালপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কবি খন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা হাকিম কবি আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের প্রকল্প পরিচালক ও কবিতা পরিষদের উপদেষ্টা কবি ডা. মো. মেহেদী ইকবাল, দৈনিক আলোচিত পত্রিকার সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কবি সাযযাদ আনসারী, কবি আলী জহির, কবি মীর আনিছুল হাসান, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যাপক আব্দুল হাই আল হাদী, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলে এলাহী মাকাম, সাংবাদিক ও কবিতা পরিষদের সদস্য তানভীর আহমেদ হীরা প্রমুখ।

বক্তারা প্রয়াত কবি আহমদ আজিজের দীর্ঘ জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় বক্তব্যে ওঠে আসে- কবির জীবন দশায় তিনি ছিলেন একজন উচ্চমানের সংগঠন, সাদা মনের মানুষ। তার কবিতায় শক্তিশালী শব্দের গাঁথুনিতে কবিতাকে করেছে অমরত্ব। তিনি আধুনিক কবি হিসেবে কবিতা রসের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে মানুষের মনের মণি কোঠায় থাকবে।

এছাড়াও আগামীতে কবির স্মরণে স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ ও প্রতিবছর কবি পুরস্কার প্রদান করার প্রতিশ্রুতি জানানো হয়।