ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

দোয়া চাইতে গিয়ে খুন হলো ছোট ভাই

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: ঘর নির্মাণের খুশিতে দোয়া চেয়ে বিস্কুট খাওয়াতে গিয়ে বড় ভাইয়ের দায়ের কুপে খুন হয়েছে ছোট ভাই। শেরপুরের শ্রীবরদীর রানীশিমুল হিন্দুপাড়া গ্রামে ৯ মার্চ সকালে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আশরাফুল ইসলাম (৫০)। সে ওই গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে।

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের বড় ভাই বেলাল হোসেন (৬০) ও অন্য আরেক ভাই লিটন মিয়া (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে ।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন যাবত বড় ভাই বেলাল হোসেন ও আশরাফুল ইসলামের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়টি মিমাংসার জন্য একাধিকবার গ্রাম্য শালিসও হয়েছে। ৯ মার্চ সকালে আশরাফুল ঘর নির্মাণের জন্য দোয়া চেয়ে বাড়ির সবাইকে বিস্কুট খাওয়ানো শুরু করে। এ পর্যায়ে বড় ভাই বেলালকে বিস্কুট দিতে গেলে আগে থেকে তার ঘরে রাখা দা হাতে নিয়ে আশরাফুলের উপর চড়াও হয়। এ সময় বেলাল উপর্যুপরি কুপিয়ে আশরাফুলের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত জখম এবং মগজ বের করে ফেলে।

পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় আশরাফুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সংবাদ পেয়ে বাড়ির লোকজন ঘাতক বেলালকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এদিকে আশরাফুলের আরেক ভাই লিটন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে পুলিশ তাকেও গ্রেপ্তার করে।

নিহত আশরাফুলের জ্যাঠাতো ভাই আতাউর রহমান জানান, আশরাফুলের স্ত্রী মমেনা বেগম, ছেলে মোমিনুল, মেয়ে মুন্নী ও দুলেনা ঢাকায় থাকে। তারা প্রত্যেকেই ঢাকার তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করে। ঘটনার দিন কেউ বাড়িতে ছিলনা।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

দোয়া চাইতে গিয়ে খুন হলো ছোট ভাই

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০২২

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: ঘর নির্মাণের খুশিতে দোয়া চেয়ে বিস্কুট খাওয়াতে গিয়ে বড় ভাইয়ের দায়ের কুপে খুন হয়েছে ছোট ভাই। শেরপুরের শ্রীবরদীর রানীশিমুল হিন্দুপাড়া গ্রামে ৯ মার্চ সকালে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আশরাফুল ইসলাম (৫০)। সে ওই গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে।

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের বড় ভাই বেলাল হোসেন (৬০) ও অন্য আরেক ভাই লিটন মিয়া (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে ।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন যাবত বড় ভাই বেলাল হোসেন ও আশরাফুল ইসলামের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়টি মিমাংসার জন্য একাধিকবার গ্রাম্য শালিসও হয়েছে। ৯ মার্চ সকালে আশরাফুল ঘর নির্মাণের জন্য দোয়া চেয়ে বাড়ির সবাইকে বিস্কুট খাওয়ানো শুরু করে। এ পর্যায়ে বড় ভাই বেলালকে বিস্কুট দিতে গেলে আগে থেকে তার ঘরে রাখা দা হাতে নিয়ে আশরাফুলের উপর চড়াও হয়। এ সময় বেলাল উপর্যুপরি কুপিয়ে আশরাফুলের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত জখম এবং মগজ বের করে ফেলে।

পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় আশরাফুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সংবাদ পেয়ে বাড়ির লোকজন ঘাতক বেলালকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এদিকে আশরাফুলের আরেক ভাই লিটন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে পুলিশ তাকেও গ্রেপ্তার করে।

নিহত আশরাফুলের জ্যাঠাতো ভাই আতাউর রহমান জানান, আশরাফুলের স্ত্রী মমেনা বেগম, ছেলে মোমিনুল, মেয়ে মুন্নী ও দুলেনা ঢাকায় থাকে। তারা প্রত্যেকেই ঢাকার তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করে। ঘটনার দিন কেউ বাড়িতে ছিলনা।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস।