ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি জামালপুরে জেসমিন প্রকল্পের সেরা চর্চা বিষয়ক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত যমুনায় নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী

মেলান্দহে মা-মেয়েকে জবাই করে হত্যা

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক ও মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় নিজ ঘরের পৃথক কক্ষ থেকে ১ জানুয়ারি রাতে মা-মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন গোবিন্দপুর এলাকার মৃত আকমল হোসেন চৌধুরীর স্ত্রী জয়ফল বেগম (৫৫) এবং তার মেয়ে স্বপ্না আক্তার (২৫)। নৃশংস এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে নিহত জয়ফলের ছেলে জহুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জেসমিনকে আটক করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বিধবা জয়ফল বেগমের ওমান প্রবাসী ছেলে মিস্টার গত দু’দিন ধরে তার মায়ের সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। ১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় মিস্টার ওমান থেকে তার মামা মানিকের কাছে ফোন করে মায়ের খোঁজ নিতে বলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মানিক ওই বাড়িতে গিয়ে জয়ফলের ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখেন। পরে তিনি প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে দুই কক্ষের বিছানায় মা-মেয়ের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।

স্থানীয়দের ধারণা তাদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে জয়ফলের ছেলে জহুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জেসমিনকে আটক করেছে পুলিশ। দু’দিন আগে মা ও বোনের সাথে ঝগড়া করে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে গিয়েছিলেন জহুরুল। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানা পুলিশ ওই বাড়ি থেকে জয়ফল ও তার মেয়ে স্বপ্না আক্তারের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো বটি দা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম জানান, মা-মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশ দুটির ময়নাতদন্ত করানো হবে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বটি দা উদ্ধার করা হয়েছে। জয়ফলের ছেলে জহুরুল ও তার স্ত্রী জেসমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি

মেলান্দহে মা-মেয়েকে জবাই করে হত্যা

আপডেট সময় ১১:২৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জানুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক ও মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় নিজ ঘরের পৃথক কক্ষ থেকে ১ জানুয়ারি রাতে মা-মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন গোবিন্দপুর এলাকার মৃত আকমল হোসেন চৌধুরীর স্ত্রী জয়ফল বেগম (৫৫) এবং তার মেয়ে স্বপ্না আক্তার (২৫)। নৃশংস এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে নিহত জয়ফলের ছেলে জহুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জেসমিনকে আটক করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বিধবা জয়ফল বেগমের ওমান প্রবাসী ছেলে মিস্টার গত দু’দিন ধরে তার মায়ের সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। ১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় মিস্টার ওমান থেকে তার মামা মানিকের কাছে ফোন করে মায়ের খোঁজ নিতে বলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মানিক ওই বাড়িতে গিয়ে জয়ফলের ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখেন। পরে তিনি প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে দুই কক্ষের বিছানায় মা-মেয়ের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।

স্থানীয়দের ধারণা তাদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে জয়ফলের ছেলে জহুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জেসমিনকে আটক করেছে পুলিশ। দু’দিন আগে মা ও বোনের সাথে ঝগড়া করে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে গিয়েছিলেন জহুরুল। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানা পুলিশ ওই বাড়ি থেকে জয়ফল ও তার মেয়ে স্বপ্না আক্তারের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো বটি দা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম জানান, মা-মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশ দুটির ময়নাতদন্ত করানো হবে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বটি দা উদ্ধার করা হয়েছে। জয়ফলের ছেলে জহুরুল ও তার স্ত্রী জেসমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।