ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানান্তরের আবেদন নেই : জাল কাগজে বদলে গেল সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থীর ভোটার এলাকা জামালপুরে রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে মাদকবিরোধী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে ইউএনও’র অভিযানে ২৩ বস্তা সার জব্দ বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসানুল করিমের দাফন সম্পন্ন, দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় সম্মান স্কুলছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের অপরাধে যুবকের কারাদণ্ড দেওয়ানগঞ্জে নদী থেকে শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার ডেঙ্গু রোগীদের মশারি দিলেন যুবদলনেতা সোহেল রানা খান মাদারগঞ্জে ফ্রিজে ৪০ কেজি পচা মাংস, ব্যবসায়ীকে জরিমানা শেরপুর বার্ড ক্লাব ও শাইন এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

বেগম জিয়াকে বিদেশে নেয়ার দাবি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ বেগম জিয়াকে বিদেশে নেয়ার জন্য বিএনপি’র দাবিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

২২ নভেম্বর দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

একজন দন্ডপ্রাপ্ত, সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে বিদেশ পাঠানোর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যর যে দাবি সেটি সরকারের মানার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অবশ্যই বেগম জিয়া যাতে সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটি নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় সকল চিকিৎসকদের দিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড হতে পারে, সেই বোর্ড পরামর্শ দিতে পারে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রিজভী আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাহেবসহ বিএনপি’র নেতারা এখন ডাক্তার হয়ে গেছেন, আ স ম রব সাহেবও এখন বড় ডাক্তার, মান্না সাহেবও ডাক্তার, তারা এখন ডাক্তারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তারাই বলছেন যে, বেগম খালেদা জিয়া জীবন মরণাপন্ন বা সংকটাপন্ন, এভারকেয়ার হাসপাতাল বা কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কিছু বলেননি।’

তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়া আগেও অসুস্থ হয়েছিলেন, তখনও বিএনপি ধুঁয়া তুলেছিল যে, বেগম জিয়াকে অবশ্যই বিদেশ পাঠাতে হবে, নইলে তাকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তখনও আমাদের দেশে চিকিৎসা নিয়েই তিনি সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন। তখনকার মতো এখনও তারা একই ধুঁয়া তুলছেন। আসলে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার দাবিটা তার স্বাস্থ্যগত কারণে নয়, এই পুরো দাবিটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।’

খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপি’র এমপিদের পদত্যাগের সম্ভবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘তারা সব মিলিয়ে ৬ জন সংসদ সদস্য। তাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে যে, দেশে আর কোনো সমস্যা নিয়ে তারা চিন্তিত নয়। দেশে আর কোনো সমস্যা নেই, বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যটাই একমাত্র সমস্যা, এটি নিয়েই তারা ব্যস্ত আছে।’

বিএনপি’র সরকার পতনের আন্দোলনের হুমকির প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত বহুবার তারা এ ধরণের দাবি করেছেন, মাঝে মধ্যে বিশৃঙ্খলার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। এবার যদি এ ধরণের বিশৃঙ্খলা চালানোর অপচেষ্টা করা হয়, জনগণ সেটি কঠোর হস্তে প্রতিহত করবে এবং সরকার জনগণের সাথে থাকবে।’

সাংবাদিক রিশাদ হুদার ওপর হামলা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি অত্যন্ত দু:খজনক ঘটনা। এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ত্বড়িৎ পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অভিযুক্তকে আদালত জামিনও দেয়নি, জেলহাজতে পাঠিয়েছে। বিষয়টা আমরা মনিটর করছি, ঘটনাটি অত্যন্ত দু:খজনক, নিন্দনীয়।

৩০ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করা ও গ্রাহকদের সেট টপ বক্স নেয়ার অগ্রগতি বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসিনি, খুব শিগগিরই কেবল অপারেটরসহ সংশি¬ষ্ট অংশীজনদের সাথে বসে আমরা অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো এবং অবশ্যই জনগণের ওপর যাতে চাপ তৈরি না হয়, বেশি দামে যাতে সেট টপ বক্স কিনতে বাধ্য করা না হয়, সেগুলো আমরা মনিটর করবো।’

আপলোডকারীর তথ্য

স্থানান্তরের আবেদন নেই : জাল কাগজে বদলে গেল সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থীর ভোটার এলাকা

বেগম জিয়াকে বিদেশে নেয়ার দাবি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ বেগম জিয়াকে বিদেশে নেয়ার জন্য বিএনপি’র দাবিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

২২ নভেম্বর দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

একজন দন্ডপ্রাপ্ত, সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে বিদেশ পাঠানোর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যর যে দাবি সেটি সরকারের মানার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অবশ্যই বেগম জিয়া যাতে সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটি নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় সকল চিকিৎসকদের দিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড হতে পারে, সেই বোর্ড পরামর্শ দিতে পারে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রিজভী আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাহেবসহ বিএনপি’র নেতারা এখন ডাক্তার হয়ে গেছেন, আ স ম রব সাহেবও এখন বড় ডাক্তার, মান্না সাহেবও ডাক্তার, তারা এখন ডাক্তারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তারাই বলছেন যে, বেগম খালেদা জিয়া জীবন মরণাপন্ন বা সংকটাপন্ন, এভারকেয়ার হাসপাতাল বা কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কিছু বলেননি।’

তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়া আগেও অসুস্থ হয়েছিলেন, তখনও বিএনপি ধুঁয়া তুলেছিল যে, বেগম জিয়াকে অবশ্যই বিদেশ পাঠাতে হবে, নইলে তাকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তখনও আমাদের দেশে চিকিৎসা নিয়েই তিনি সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন। তখনকার মতো এখনও তারা একই ধুঁয়া তুলছেন। আসলে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার দাবিটা তার স্বাস্থ্যগত কারণে নয়, এই পুরো দাবিটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।’

খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপি’র এমপিদের পদত্যাগের সম্ভবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘তারা সব মিলিয়ে ৬ জন সংসদ সদস্য। তাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে যে, দেশে আর কোনো সমস্যা নিয়ে তারা চিন্তিত নয়। দেশে আর কোনো সমস্যা নেই, বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যটাই একমাত্র সমস্যা, এটি নিয়েই তারা ব্যস্ত আছে।’

বিএনপি’র সরকার পতনের আন্দোলনের হুমকির প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত বহুবার তারা এ ধরণের দাবি করেছেন, মাঝে মধ্যে বিশৃঙ্খলার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। এবার যদি এ ধরণের বিশৃঙ্খলা চালানোর অপচেষ্টা করা হয়, জনগণ সেটি কঠোর হস্তে প্রতিহত করবে এবং সরকার জনগণের সাথে থাকবে।’

সাংবাদিক রিশাদ হুদার ওপর হামলা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি অত্যন্ত দু:খজনক ঘটনা। এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ত্বড়িৎ পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অভিযুক্তকে আদালত জামিনও দেয়নি, জেলহাজতে পাঠিয়েছে। বিষয়টা আমরা মনিটর করছি, ঘটনাটি অত্যন্ত দু:খজনক, নিন্দনীয়।

৩০ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করা ও গ্রাহকদের সেট টপ বক্স নেয়ার অগ্রগতি বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসিনি, খুব শিগগিরই কেবল অপারেটরসহ সংশি¬ষ্ট অংশীজনদের সাথে বসে আমরা অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো এবং অবশ্যই জনগণের ওপর যাতে চাপ তৈরি না হয়, বেশি দামে যাতে সেট টপ বক্স কিনতে বাধ্য করা না হয়, সেগুলো আমরা মনিটর করবো।’