ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

রশিদপুরে আগুনে পুড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর তিনদিন পর দগ্ধ স্বামীর মৃত্যু

অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া ইকরামুল হক শুভ্রর মরদেহ দেখতে ভিড় করেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জামালপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ঘটনাস্থলেই অঙ্গার হয়ে গৃহবধূ সানজিদা আক্তার শিপরার মৃত্যুর পর তিনদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন তার স্বামী ইকরামুল হক শুভ্র। ২৩ মার্চ মাঝরাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান তিনি। তার শরীর প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। ২১ মার্চ সকালে জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর এলাকায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রশিদপুর এলাকার মো. বেলাল হোসেনের ছেলে ইকরামুল হক শুভ্র (৩৩) রশিদপুর বাজারে দোকান ভাড়া নিয়ে খোলাবাজারে ডিজেল-পেট্রলের ব্যবসা করতেন। দোকানের কাছেই স্থানীয় মোজাম্মেল হোসেনের একটি টিনের ঘর ভাড়া নিয়ে স্ত্রী সানজিদা আক্তার শিপরা (২৫) ও একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে (৪) নিয়ে বাস করতেন। ২১ মার্চ সকালে তার স্ত্রী সানজিদা ঘরের ভেতরে গ্যাসের চুলায় রান্না করছিলেন। এ সময় সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে ঘরে থাকা পেট্রলের ড্রামে আগুন লেগে সারা ঘর পুড়ে যায়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘরে আটকা পড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে মারা যান গৃহিনী সানজিদা। তাকে উদ্ধারের চেষ্টার সময় তার স্বামী ইকরামুলের শরীরের প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনার দিনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ২৩ মার্চ রাত ১২টা ৯ মিনিটে সেখানে তিনি মারা যান। তাদের একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার আধাঘন্টা আগে তার দাদি এসে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এতে শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায়।

ইকরামুলের চাচাত ভাই সাইফুল ইসলাম বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, ২৪ মার্চ সকালে ঢাকা থেকে ইকরামুলের মরদেহ জামালপুরে নিজ বাড়িতে আনা হলে তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় লাশ দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করেন। পরে যোহর নামাজের পর স্থানীয় রশিদপুর ইজ্জতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়

২১ মার্চের খবরটি পড়তে পারেন : গ্যাস সিলিন্ডার কেড়ে নিল গৃহবধূর প্রাণ, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভাংচুর

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু

রশিদপুরে আগুনে পুড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর তিনদিন পর দগ্ধ স্বামীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৭:০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১

জামালপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ঘটনাস্থলেই অঙ্গার হয়ে গৃহবধূ সানজিদা আক্তার শিপরার মৃত্যুর পর তিনদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন তার স্বামী ইকরামুল হক শুভ্র। ২৩ মার্চ মাঝরাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান তিনি। তার শরীর প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। ২১ মার্চ সকালে জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর এলাকায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রশিদপুর এলাকার মো. বেলাল হোসেনের ছেলে ইকরামুল হক শুভ্র (৩৩) রশিদপুর বাজারে দোকান ভাড়া নিয়ে খোলাবাজারে ডিজেল-পেট্রলের ব্যবসা করতেন। দোকানের কাছেই স্থানীয় মোজাম্মেল হোসেনের একটি টিনের ঘর ভাড়া নিয়ে স্ত্রী সানজিদা আক্তার শিপরা (২৫) ও একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে (৪) নিয়ে বাস করতেন। ২১ মার্চ সকালে তার স্ত্রী সানজিদা ঘরের ভেতরে গ্যাসের চুলায় রান্না করছিলেন। এ সময় সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে ঘরে থাকা পেট্রলের ড্রামে আগুন লেগে সারা ঘর পুড়ে যায়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘরে আটকা পড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে মারা যান গৃহিনী সানজিদা। তাকে উদ্ধারের চেষ্টার সময় তার স্বামী ইকরামুলের শরীরের প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনার দিনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ২৩ মার্চ রাত ১২টা ৯ মিনিটে সেখানে তিনি মারা যান। তাদের একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার আধাঘন্টা আগে তার দাদি এসে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এতে শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায়।

ইকরামুলের চাচাত ভাই সাইফুল ইসলাম বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, ২৪ মার্চ সকালে ঢাকা থেকে ইকরামুলের মরদেহ জামালপুরে নিজ বাড়িতে আনা হলে তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় লাশ দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করেন। পরে যোহর নামাজের পর স্থানীয় রশিদপুর ইজ্জতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়

২১ মার্চের খবরটি পড়তে পারেন : গ্যাস সিলিন্ডার কেড়ে নিল গৃহবধূর প্রাণ, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভাংচুর