ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

রশিদপুরে আগুনে পুড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর তিনদিন পর দগ্ধ স্বামীর মৃত্যু

অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া ইকরামুল হক শুভ্রর মরদেহ দেখতে ভিড় করেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জামালপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ঘটনাস্থলেই অঙ্গার হয়ে গৃহবধূ সানজিদা আক্তার শিপরার মৃত্যুর পর তিনদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন তার স্বামী ইকরামুল হক শুভ্র। ২৩ মার্চ মাঝরাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান তিনি। তার শরীর প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। ২১ মার্চ সকালে জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর এলাকায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রশিদপুর এলাকার মো. বেলাল হোসেনের ছেলে ইকরামুল হক শুভ্র (৩৩) রশিদপুর বাজারে দোকান ভাড়া নিয়ে খোলাবাজারে ডিজেল-পেট্রলের ব্যবসা করতেন। দোকানের কাছেই স্থানীয় মোজাম্মেল হোসেনের একটি টিনের ঘর ভাড়া নিয়ে স্ত্রী সানজিদা আক্তার শিপরা (২৫) ও একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে (৪) নিয়ে বাস করতেন। ২১ মার্চ সকালে তার স্ত্রী সানজিদা ঘরের ভেতরে গ্যাসের চুলায় রান্না করছিলেন। এ সময় সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে ঘরে থাকা পেট্রলের ড্রামে আগুন লেগে সারা ঘর পুড়ে যায়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘরে আটকা পড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে মারা যান গৃহিনী সানজিদা। তাকে উদ্ধারের চেষ্টার সময় তার স্বামী ইকরামুলের শরীরের প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনার দিনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ২৩ মার্চ রাত ১২টা ৯ মিনিটে সেখানে তিনি মারা যান। তাদের একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার আধাঘন্টা আগে তার দাদি এসে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এতে শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায়।

ইকরামুলের চাচাত ভাই সাইফুল ইসলাম বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, ২৪ মার্চ সকালে ঢাকা থেকে ইকরামুলের মরদেহ জামালপুরে নিজ বাড়িতে আনা হলে তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় লাশ দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করেন। পরে যোহর নামাজের পর স্থানীয় রশিদপুর ইজ্জতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়

২১ মার্চের খবরটি পড়তে পারেন : গ্যাস সিলিন্ডার কেড়ে নিল গৃহবধূর প্রাণ, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভাংচুর

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

রশিদপুরে আগুনে পুড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর তিনদিন পর দগ্ধ স্বামীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৭:০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১

জামালপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ঘটনাস্থলেই অঙ্গার হয়ে গৃহবধূ সানজিদা আক্তার শিপরার মৃত্যুর পর তিনদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন তার স্বামী ইকরামুল হক শুভ্র। ২৩ মার্চ মাঝরাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান তিনি। তার শরীর প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। ২১ মার্চ সকালে জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর এলাকায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রশিদপুর এলাকার মো. বেলাল হোসেনের ছেলে ইকরামুল হক শুভ্র (৩৩) রশিদপুর বাজারে দোকান ভাড়া নিয়ে খোলাবাজারে ডিজেল-পেট্রলের ব্যবসা করতেন। দোকানের কাছেই স্থানীয় মোজাম্মেল হোসেনের একটি টিনের ঘর ভাড়া নিয়ে স্ত্রী সানজিদা আক্তার শিপরা (২৫) ও একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে (৪) নিয়ে বাস করতেন। ২১ মার্চ সকালে তার স্ত্রী সানজিদা ঘরের ভেতরে গ্যাসের চুলায় রান্না করছিলেন। এ সময় সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে ঘরে থাকা পেট্রলের ড্রামে আগুন লেগে সারা ঘর পুড়ে যায়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘরে আটকা পড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে মারা যান গৃহিনী সানজিদা। তাকে উদ্ধারের চেষ্টার সময় তার স্বামী ইকরামুলের শরীরের প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনার দিনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ২৩ মার্চ রাত ১২টা ৯ মিনিটে সেখানে তিনি মারা যান। তাদের একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার আধাঘন্টা আগে তার দাদি এসে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এতে শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায়।

ইকরামুলের চাচাত ভাই সাইফুল ইসলাম বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, ২৪ মার্চ সকালে ঢাকা থেকে ইকরামুলের মরদেহ জামালপুরে নিজ বাড়িতে আনা হলে তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় লাশ দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করেন। পরে যোহর নামাজের পর স্থানীয় রশিদপুর ইজ্জতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়

২১ মার্চের খবরটি পড়তে পারেন : গ্যাস সিলিন্ডার কেড়ে নিল গৃহবধূর প্রাণ, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভাংচুর