ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান : একজনকে কারাদন্ড যুবদলনেতা সোহেল রানার উদ্যোগে মশক নিধন, সড়কবাতি সংযোজন এইচএসসি : ইসলামপুরে জিপিএ-৫ মাত্র পাঁচজন, ফলাফল শূন্য এক কলেজে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভায় সাভার-আশুলিয়ায় কারখানায় ফিরতে শুরু করেছেন শ্রমিকরা, মজুরি বোর্ড গঠনে স্বস্তি ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবনের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহত ৯ ইরানকে ‘কঠোর আঘাত’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র শর্ত মানলে দুই দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলতে প্রস্তুত ইরান অনিয়ম পেলে সারের ডিলারশিপ বাতিল : কৃষিমন্ত্রী অপরাজিতার আয়োজনে যুব দিবস উদযাপিত

চীনে আবার বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক বিশেষজ্ঞ দলের সফরের সময়ে চীনের মাঞ্চুরিয়া অঞ্চলে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ার খবর পাওয়া গেল৷ লকডাউনসহ একাধিক কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে৷ খবর ডয়চে ভেলের।

বিশ্বের অনেক দেশই দেশ করোনা সংকটের ধাক্কা একবার সামলাতে পেরেও সেই সাফল্য ধরে রাখতে পারেনি৷ চীনেই প্রথম বড় আকারে কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার পর সে দেশ কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে আন্তর্জাতিক স্তরে সম্ভ্রম আদায় করেছে৷

কিন্তু এবার দেশের উত্তর পূর্বে মাঞ্চুরিয়া অঞ্চলের হেইলংজিয়াং প্রদেশে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে৷ আপাতত দৈনিক প্রায় ৪৩ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়লেও পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির আশঙ্কায় সেখানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে৷

হেবেই প্রদেশেও সংক্রমণ বাড়ছে৷ ফলে প্রায় দুই কোটি আশি লাখ মানুষ কড়া লকডাউনের মধ্যে রয়েছেন৷ মূলত গ্রামাঞ্চলে এমন কড়া পদক্ষেপ কার্যকর করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে৷

বিশেষ করে নববর্ষের জাতীয় ছুটির মৌসুমের ঠিক আগে এমন সংকট সামলানো কঠিন হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ কোটি কোটি মানুষ এ সময়ে ভ্রমণের তোড়জোড় করছেন৷ কিছু প্রদেশের কর্তৃপক্ষ ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছে৷ করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে চীনের গত প্রায় দশ মাসের সাফল্য হুমকির মুখে পড়তে পারে৷

এমন এক সময়ে চীনে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞদের দল করোনা মহামারির উৎস সন্ধানে উহান শহরে এসেছেন৷ দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টিন-সহ মোট এক মাস ধরে তারা সেখানে তদন্ত চালাবেন৷ চীনের বিজ্ঞানীরাও তাদের সহায়তা করবেন৷ অনেক টালবাহানার পর চীন এই প্রতিনিধিদলের যাত্রার অনুমোদন দিয়েছে৷

উল্লেখ্য, গোটা বিশ্বে করোনা সংকট ছড়িয়ে পড়ার জন্য অনেক মহলে চীনকে দায়ী করা হলেও সে দেশ এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে৷ ফলে ভাইরাসের উৎস সন্ধান রাজনৈতিক পর্যায়ে স্পর্শকাতর এক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে৷

চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগে অন্য কিছু দেশে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব ধরা পড়েছিল, এমন কিছু সাম্প্রতিক দাবির ভিত্তিতে চীনা কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা করছে৷ বিদেশ থেকে আমদানি করা হিমায়িত পণ্যের মধ্যে ভাইরাসের চিহ্ন শনাক্ত করে চীন সেই ধারণা আরও পাকাপোক্ত করতে চাইছে৷

অন্যদিকে অনেক গবেষকের মতে, চীনের দক্ষিণে বাদুড় থেকেই কোভিড-১৯ প্রথম মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল৷

আপলোডকারীর তথ্য

শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান : একজনকে কারাদন্ড

চীনে আবার বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

আপডেট সময় ০৬:১৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক বিশেষজ্ঞ দলের সফরের সময়ে চীনের মাঞ্চুরিয়া অঞ্চলে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ার খবর পাওয়া গেল৷ লকডাউনসহ একাধিক কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে৷ খবর ডয়চে ভেলের।

বিশ্বের অনেক দেশই দেশ করোনা সংকটের ধাক্কা একবার সামলাতে পেরেও সেই সাফল্য ধরে রাখতে পারেনি৷ চীনেই প্রথম বড় আকারে কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার পর সে দেশ কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে আন্তর্জাতিক স্তরে সম্ভ্রম আদায় করেছে৷

কিন্তু এবার দেশের উত্তর পূর্বে মাঞ্চুরিয়া অঞ্চলের হেইলংজিয়াং প্রদেশে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে৷ আপাতত দৈনিক প্রায় ৪৩ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়লেও পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির আশঙ্কায় সেখানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে৷

হেবেই প্রদেশেও সংক্রমণ বাড়ছে৷ ফলে প্রায় দুই কোটি আশি লাখ মানুষ কড়া লকডাউনের মধ্যে রয়েছেন৷ মূলত গ্রামাঞ্চলে এমন কড়া পদক্ষেপ কার্যকর করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে৷

বিশেষ করে নববর্ষের জাতীয় ছুটির মৌসুমের ঠিক আগে এমন সংকট সামলানো কঠিন হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ কোটি কোটি মানুষ এ সময়ে ভ্রমণের তোড়জোড় করছেন৷ কিছু প্রদেশের কর্তৃপক্ষ ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছে৷ করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে চীনের গত প্রায় দশ মাসের সাফল্য হুমকির মুখে পড়তে পারে৷

এমন এক সময়ে চীনে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞদের দল করোনা মহামারির উৎস সন্ধানে উহান শহরে এসেছেন৷ দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টিন-সহ মোট এক মাস ধরে তারা সেখানে তদন্ত চালাবেন৷ চীনের বিজ্ঞানীরাও তাদের সহায়তা করবেন৷ অনেক টালবাহানার পর চীন এই প্রতিনিধিদলের যাত্রার অনুমোদন দিয়েছে৷

উল্লেখ্য, গোটা বিশ্বে করোনা সংকট ছড়িয়ে পড়ার জন্য অনেক মহলে চীনকে দায়ী করা হলেও সে দেশ এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে৷ ফলে ভাইরাসের উৎস সন্ধান রাজনৈতিক পর্যায়ে স্পর্শকাতর এক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে৷

চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগে অন্য কিছু দেশে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব ধরা পড়েছিল, এমন কিছু সাম্প্রতিক দাবির ভিত্তিতে চীনা কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা করছে৷ বিদেশ থেকে আমদানি করা হিমায়িত পণ্যের মধ্যে ভাইরাসের চিহ্ন শনাক্ত করে চীন সেই ধারণা আরও পাকাপোক্ত করতে চাইছে৷

অন্যদিকে অনেক গবেষকের মতে, চীনের দক্ষিণে বাদুড় থেকেই কোভিড-১৯ প্রথম মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল৷