ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন নকলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ফাহিম চৌধুরী ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল তিন দিনের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হচ্ছে সাদিয়া তাবাসসুম বৃষ্টি রচিত নাটক ‘ঊনচাঁদ’ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিক পালিত বিএনপির সাবেক মহাসচিব সালাম তালুকদার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে ইরফান সেলিম ও দেহরক্ষীর এক বছর করে কারাদণ্ড

মোহাম্মদ ইরফান সেলিম

মোহাম্মদ ইরফান সেলিম

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

২৬ অক্টোবর দুপুর থেকে সন্ধ্যা নাগাদ পুরান ঢাকার সোয়ারিঘাটে হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের পর এই দণ্ড দেওয়া হয়।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্ণেল আশিক বিল্লাহ বাসসকে বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই দণ্ডের পাশাপাশি দুজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হবে।

ইরফান ও তার সহযোগীদের হাতে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা মারধরের শিকার হওয়ার জের ধরে বেলা ১২টার দিকে সোয়ারিঘাটের দেবদাস লেনে হাজী সেলিমের বাড়ি ঘেরাও করে অভিযান শুরু করে রযাা ব। অভিযানে র‌্যাবের নির্বাহী হাকিম সারওয়ার আলমও উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ বলেন, অভিযানে ওই বাড়িন দুই ফ্লোর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি এয়ারগান, ৩৭টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া এবং বিদেশি মদ ও বিয়ার পাওয়া গেছে। আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। আর ওয়াকিটকিগুলোও অবৈধ।

২৫ অক্টোবর রাতে ধানমন্ডি এলাকায় হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ২৬ অক্টোবর একটি মামলা দায়ের করা হয় রাজধানীর ধানমন্ডি থানায়।ওই মামলায় ইরফান সেলিম ছাড়াও এবি সিদ্দিক দিপু, মোহাম্মদ জাহিদ ও মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।

মামলার বাদী নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খান তাদের বিরুদ্ধে মারধর, জখম ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ এনেছেন।

মামলা হওয়ার পরপরই গাড়ি চালক মিজানুর রহমানকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে ইরফান সেলিম ও দেহরক্ষীর এক বছর করে কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০
মোহাম্মদ ইরফান সেলিম

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

২৬ অক্টোবর দুপুর থেকে সন্ধ্যা নাগাদ পুরান ঢাকার সোয়ারিঘাটে হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের পর এই দণ্ড দেওয়া হয়।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্ণেল আশিক বিল্লাহ বাসসকে বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই দণ্ডের পাশাপাশি দুজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হবে।

ইরফান ও তার সহযোগীদের হাতে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা মারধরের শিকার হওয়ার জের ধরে বেলা ১২টার দিকে সোয়ারিঘাটের দেবদাস লেনে হাজী সেলিমের বাড়ি ঘেরাও করে অভিযান শুরু করে রযাা ব। অভিযানে র‌্যাবের নির্বাহী হাকিম সারওয়ার আলমও উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ বলেন, অভিযানে ওই বাড়িন দুই ফ্লোর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি এয়ারগান, ৩৭টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া এবং বিদেশি মদ ও বিয়ার পাওয়া গেছে। আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। আর ওয়াকিটকিগুলোও অবৈধ।

২৫ অক্টোবর রাতে ধানমন্ডি এলাকায় হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ২৬ অক্টোবর একটি মামলা দায়ের করা হয় রাজধানীর ধানমন্ডি থানায়।ওই মামলায় ইরফান সেলিম ছাড়াও এবি সিদ্দিক দিপু, মোহাম্মদ জাহিদ ও মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।

মামলার বাদী নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খান তাদের বিরুদ্ধে মারধর, জখম ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ এনেছেন।

মামলা হওয়ার পরপরই গাড়ি চালক মিজানুর রহমানকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।