ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জামালপুরে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল শিশুদের স্কুলমুখী করতে মিড ডে মিল চালু করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত নকলায় আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বপ্ননীড় একাদশ চ্যাম্পিয়ন জামালপুরে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

স্ক্রীনিং ছাড়া কেউই দেশে প্রবেশ করছে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতার অংশ হিসেবে এই মুহূর্তে স্ক্রীনিং করা ছাড়া কাউকেই দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিদেশ ফেরত সকল ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য প্রবেশ গেটে স্ক্রীনিং মেশিন বসানো হয়েছে।

৩০ জানুয়ারি দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ডা. মিলন হলে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বিশ্বব্যাপী নভেল করোনা ভাইরাস-এর প্রার্দুভাব সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী আরও বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩ টি স্ক্রীনিং মেশিন রাখা আছে। এর একটি ভিআইপি প্রবেশ দ্বারে, একটি সাধারণ প্রবেশ দ্বারে এবং অন্যটি স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে। একই ভাবে দেশের অন্যান্য স্থল, নৌ বন্দরেও স্ক্রীনিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এরপরও বিমানবন্দর সংলগ্ন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতলে একটি আলাদা আইসোলেটেড কেবিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিমানবন্দরে প্রতিটি যাত্রীর জন্য একটি করে করোনা ভাইরাস নির্দেশিকা গাইড রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে জরুরী হটলাইন মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সুতরাং করোনা ভাইরাস নিয়ে এই মুহুর্তে আমাদের আতংকিত হবার কোন কারণ নেই। করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।’

দেশের চিকিৎসকদের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গুর সময় আমাদের চিকিৎসকরা যেভাবে সফলতা দেখিয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় দেশের মেডিসিন সোসাইটি আগে থেকেই যেরকম প্রস্তুতি নিয়েছে এবং চিকিৎসকদের ভাইরাসটির চিকিৎসা নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে তাতে দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসার সকল ক্ষেত্রেই আমাদের চিকিৎসকদের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আহমেদুল কবীরের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক চিকিৎসক মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন প্রফেসর তারিকুল ইসলাম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর রোবেদ আমীন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

স্ক্রীনিং ছাড়া কেউই দেশে প্রবেশ করছে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:০১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতার অংশ হিসেবে এই মুহূর্তে স্ক্রীনিং করা ছাড়া কাউকেই দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিদেশ ফেরত সকল ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য প্রবেশ গেটে স্ক্রীনিং মেশিন বসানো হয়েছে।

৩০ জানুয়ারি দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ডা. মিলন হলে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বিশ্বব্যাপী নভেল করোনা ভাইরাস-এর প্রার্দুভাব সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী আরও বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩ টি স্ক্রীনিং মেশিন রাখা আছে। এর একটি ভিআইপি প্রবেশ দ্বারে, একটি সাধারণ প্রবেশ দ্বারে এবং অন্যটি স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে। একই ভাবে দেশের অন্যান্য স্থল, নৌ বন্দরেও স্ক্রীনিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এরপরও বিমানবন্দর সংলগ্ন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতলে একটি আলাদা আইসোলেটেড কেবিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিমানবন্দরে প্রতিটি যাত্রীর জন্য একটি করে করোনা ভাইরাস নির্দেশিকা গাইড রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে জরুরী হটলাইন মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সুতরাং করোনা ভাইরাস নিয়ে এই মুহুর্তে আমাদের আতংকিত হবার কোন কারণ নেই। করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।’

দেশের চিকিৎসকদের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গুর সময় আমাদের চিকিৎসকরা যেভাবে সফলতা দেখিয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় দেশের মেডিসিন সোসাইটি আগে থেকেই যেরকম প্রস্তুতি নিয়েছে এবং চিকিৎসকদের ভাইরাসটির চিকিৎসা নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে তাতে দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসার সকল ক্ষেত্রেই আমাদের চিকিৎসকদের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আহমেদুল কবীরের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক চিকিৎসক মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন প্রফেসর তারিকুল ইসলাম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর রোবেদ আমীন।সূত্র:বাসস।