ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ওষুধের দোকানি পল্টন হত্যায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শিয়ালধরা বাজারের ওষুধের দোকানি মাজহারুল ইসলাম ওরফে পল্টন হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৭ জনকে খালাস দেন ২৪ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু আব্দুল্লাহ ভুইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একলাছ উদ্দিন ওরফে জুয়েল, আবুল কাশেম ওরফে বাচ্চু মেম্বার, কবির মিয়া, আবুল কাশেম, বাদল মিয়া, ফারুক মিয়া, রুমা আক্তার, আবুল কালাম আজাদ ওরফে পিনু ডাক্তার, চন্দন, শুক্কুর আলী ওরফে আশ্রাফ আলী। এদের মধ্যে ফারুক মিয়া ও রুমা আক্তার পলাতক।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- আফতাব উদ্দিন ওরফে আক্রাম আলী, বদরুল আলম ওরফে বদরুল, ইসমাইল হোসেন, কাজল মিয়া, রফিক, আবু সিদ্দিক ও দুলাল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বা ১ মার্চ সকালে মাজহারুলকে তার ওষুধের দোকানে মাথা ও কপালে আঘাত করে খুন করা হয়। হত্যার পর দোকানের ভেতরে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে গামছা দিয়ে মরদেহ বেঁধে রেখে দোকানে তালা দিয়ে চলে যায় আসামিরা। ঘটনার দিনই মাজহারুলের বোন বিউটি আক্তার বাদী হয়ে নান্দাইল থানায় হত্যা মামলা করেন।

পরের বছরের ৩১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নান্দাইল থানার পরিদর্শক জসিম উদ্দিন ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্র দাখিলের পর জব্বর মোহরী নামে এক আসামি মারা যান। পরে আদালত জব্বর মোহরীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ১৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার অভিযোগভুক্ত ৩০ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ২০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ওষুধের দোকানি পল্টন হত্যায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শিয়ালধরা বাজারের ওষুধের দোকানি মাজহারুল ইসলাম ওরফে পল্টন হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৭ জনকে খালাস দেন ২৪ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু আব্দুল্লাহ ভুইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একলাছ উদ্দিন ওরফে জুয়েল, আবুল কাশেম ওরফে বাচ্চু মেম্বার, কবির মিয়া, আবুল কাশেম, বাদল মিয়া, ফারুক মিয়া, রুমা আক্তার, আবুল কালাম আজাদ ওরফে পিনু ডাক্তার, চন্দন, শুক্কুর আলী ওরফে আশ্রাফ আলী। এদের মধ্যে ফারুক মিয়া ও রুমা আক্তার পলাতক।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- আফতাব উদ্দিন ওরফে আক্রাম আলী, বদরুল আলম ওরফে বদরুল, ইসমাইল হোসেন, কাজল মিয়া, রফিক, আবু সিদ্দিক ও দুলাল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বা ১ মার্চ সকালে মাজহারুলকে তার ওষুধের দোকানে মাথা ও কপালে আঘাত করে খুন করা হয়। হত্যার পর দোকানের ভেতরে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে গামছা দিয়ে মরদেহ বেঁধে রেখে দোকানে তালা দিয়ে চলে যায় আসামিরা। ঘটনার দিনই মাজহারুলের বোন বিউটি আক্তার বাদী হয়ে নান্দাইল থানায় হত্যা মামলা করেন।

পরের বছরের ৩১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নান্দাইল থানার পরিদর্শক জসিম উদ্দিন ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্র দাখিলের পর জব্বর মোহরী নামে এক আসামি মারা যান। পরে আদালত জব্বর মোহরীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ১৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার অভিযোগভুক্ত ৩০ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ২০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।