ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর বাংলাদেশ, বাংলাদেশের সংবিধানের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন দেশের ইতিহাসে তারেক জিয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা  স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ জামালপুরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কনসালটেশন সেসন অনুষ্ঠিত

আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না : হাছান মাহমুদ

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : আওয়ামী লীগ কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না এ কথা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপিকে দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের প্রতিহিংসার রাজনীতির পথ পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ বিরোধী দলমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে- বিএনপি মহাসচিবের সাম্প্রতিক এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউয়ে দলের ঢাকা দক্ষিণ শাখা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে এ দেশে জিয়াউর রহমানই প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেন এবং বেগম জিয়া এটাকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যান।

আওয়ামী লীগ সমর্থক বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের হত্যাকান্ডের দিনে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সাল থেকে ১৫ আগস্টে তার জন্মদিন পালন করছেন। কেবল প্রতিসিংসার কারণে তিনি তার জন্মদিন পরিবর্তন করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তার ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে তদানীন্তন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যা ও আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বহীন করতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও আহসানুল্লাহ মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতৃবৃন্দ বোমা হামলায় নিহত হয়েছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির ওপর হামলার এমন কোন ঘটনা ঘটেনি।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, এ ঘটনাগুলেঅই প্রমাণ করে বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এজন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।

সোহরাওয়ার্দীকে ‘গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন’ আখ্যায়িত করে রাজনীতিতে তার অবদানের কথা স্মরণ করে হাছান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্জনে তার নাম যুক্ত রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাঙালি জাতিকে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছিলেন। আর তাঁর কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করছেন।

ড. হাছান বলেন, সোহরাওয়ার্দী তখন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক বিচক্ষণতা দেখে ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সারাহ্ বেগম কবরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম বদি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, সংগীত শিল্পী রফিকুল আলম এবং অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না : হাছান মাহমুদ

আপডেট সময় ০৭:০২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : আওয়ামী লীগ কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না এ কথা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপিকে দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের প্রতিহিংসার রাজনীতির পথ পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ বিরোধী দলমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে- বিএনপি মহাসচিবের সাম্প্রতিক এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউয়ে দলের ঢাকা দক্ষিণ শাখা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে এ দেশে জিয়াউর রহমানই প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেন এবং বেগম জিয়া এটাকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যান।

আওয়ামী লীগ সমর্থক বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের হত্যাকান্ডের দিনে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সাল থেকে ১৫ আগস্টে তার জন্মদিন পালন করছেন। কেবল প্রতিসিংসার কারণে তিনি তার জন্মদিন পরিবর্তন করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তার ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে তদানীন্তন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যা ও আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বহীন করতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও আহসানুল্লাহ মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতৃবৃন্দ বোমা হামলায় নিহত হয়েছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির ওপর হামলার এমন কোন ঘটনা ঘটেনি।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, এ ঘটনাগুলেঅই প্রমাণ করে বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এজন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।

সোহরাওয়ার্দীকে ‘গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন’ আখ্যায়িত করে রাজনীতিতে তার অবদানের কথা স্মরণ করে হাছান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্জনে তার নাম যুক্ত রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাঙালি জাতিকে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছিলেন। আর তাঁর কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করছেন।

ড. হাছান বলেন, সোহরাওয়ার্দী তখন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক বিচক্ষণতা দেখে ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সারাহ্ বেগম কবরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম বদি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, সংগীত শিল্পী রফিকুল আলম এবং অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস।সূত্র:বাসস।