জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার রায়ে তিনজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলাটির প্রধান আসামি সাদিক মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।
৭ মে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- মো. শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ। তাদের বাড়ি জেলার ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের শীলদহ গ্রামে।
মামলার রাষ্টপক্ষের আইনজীবী জানান, ইসলামপুর উপজেলার শিলদহ এলাকায় চাচাত ভাই সাদিকের সাথে স্থানীয় ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে সাদিক ওই স্কুলছাত্রীকে ডেকে একটি জঙ্গলে নিয়ে যান। সেখানেরই তাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলের পাশেই উৎপেতে থাকা শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ সেখানে গেলে সাদিক দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে ওই তিনজনেও ওই স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনার ১৬ দিন পর ইসলামপুর থানায় ওই চারজনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা।
মামলা দায়েরের দুই বছর পর নয়জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ৩ ধারায় আদালত আসামি শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষনা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় প্রধান আসামি সাদিককে মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
অপরদিকে একই দিনে জামালপুর সদরর উপজেলার বাঁশচড়ায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ মামলার রায়ে একজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন একই আদালত।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলারচিঠিডটকম 

















