ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর বাংলাদেশ, বাংলাদেশের সংবিধানের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন দেশের ইতিহাসে তারেক জিয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা  স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ জামালপুরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কনসালটেশন সেসন অনুষ্ঠিত বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু বকশীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট জব্দ দানেও আনন্দ আছে : জামালপুরে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র দাতাদের অভিমত

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

জামালপুর : মামলার রায় ঘোষণার পর কোর্ট পুলিশ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের এজলাস থেকে নামিয়ে নিয়ে যায়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার রায়ে তিনজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলাটির প্রধান আসামি সাদিক মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

৭ মে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- মো. শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ। তাদের বাড়ি জেলার ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের শীলদহ গ্রামে।

মামলার রাষ্টপক্ষের আইনজীবী জানান, ইসলামপুর উপজেলার শিলদহ এলাকায় চাচাত ভাই সাদিকের সাথে স্থানীয় ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে সাদিক ওই স্কুলছাত্রীকে ডেকে একটি জঙ্গলে নিয়ে যান। সেখানেরই তাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলের পাশেই উৎপেতে থাকা শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ সেখানে গেলে সাদিক দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে ওই তিনজনেও ওই স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনার ১৬ দিন পর ইসলামপুর থানায় ওই চারজনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা।

মামলা দায়েরের দুই বছর পর নয়জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ৩ ধারায় আদালত আসামি শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষনা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় প্রধান আসামি সাদিককে মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

অপরদিকে একই দিনে জামালপুর সদরর উপজেলার বাঁশচড়ায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ মামলার রায়ে একজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন একই আদালত।

জনপ্রিয় সংবাদ

আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:১৬:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার রায়ে তিনজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলাটির প্রধান আসামি সাদিক মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

৭ মে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- মো. শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ। তাদের বাড়ি জেলার ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের শীলদহ গ্রামে।

মামলার রাষ্টপক্ষের আইনজীবী জানান, ইসলামপুর উপজেলার শিলদহ এলাকায় চাচাত ভাই সাদিকের সাথে স্থানীয় ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে সাদিক ওই স্কুলছাত্রীকে ডেকে একটি জঙ্গলে নিয়ে যান। সেখানেরই তাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলের পাশেই উৎপেতে থাকা শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ সেখানে গেলে সাদিক দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে ওই তিনজনেও ওই স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনার ১৬ দিন পর ইসলামপুর থানায় ওই চারজনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা।

মামলা দায়েরের দুই বছর পর নয়জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ৩ ধারায় আদালত আসামি শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষনা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় প্রধান আসামি সাদিককে মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

অপরদিকে একই দিনে জামালপুর সদরর উপজেলার বাঁশচড়ায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ মামলার রায়ে একজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন একই আদালত।