ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর বাংলাদেশ, বাংলাদেশের সংবিধানের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন দেশের ইতিহাসে তারেক জিয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা  স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ জামালপুরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কনসালটেশন সেসন অনুষ্ঠিত

গুজব প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়বদ্ধতা রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গুজব প্রতিরোধে ফেইসবুক-টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়বদ্ধতা রয়েছে।

৩১ জুলাই সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে গুজব পোষ্ট দেয়া হয় ফেইক আইডি ব্যবহার করে। আমি যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছে যে গুজব ছড়ায় তাকে শনাক্ত করে তার শাস্তির পাশাপাশি ও যারা সার্ভিস প্রোভাইডার তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তারা আইন বা নীতিমালা তৈরী করছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে সারাদেশে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমরা জেনেছি প্রথম গুজব ছড়ানো হয় লন্ডন থেকে একটি পোষ্টের মাধ্যমে। সেখানে বলা হয় সরকারের অনুমোদন নিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণে এক লাখ শিশুর মাথা বলি দিতে হবে। সেটি সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এতে কিছু দুষ্কৃতিকারি সন্দেহজনকভাবে মানুষের উপর আক্রমণ করেছে, হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও হয়েছে। তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ওই ঘটনার পর নতুন গুজব ছড়িয়েছে বিদ্যুৎ থাকবে না, তখন ছেলে ধরা আসবে। সেটি যে মিথ্যা আমরা জনগণকে সেটি বুঝাতে সক্ষম হয়েছি। এরপর নতুন আরেকটি গুজব ছড়িয়েছে বেসিনে হারপিকসহ কেমিক্যাল ঢেলে দিলে ডেঙ্গু নিধন সম্ভব হবে। এটি অসত্য গুজব সেটির বিষয়ে সবাইকে সচেতন করছি। এভাবে গুজব ছড়াচ্ছে স্বার্থান্বেসী একটি মহল।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গুজব শুধু আমাদের দেশের নয়, অনেক দেশের সমস্যা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সেখানে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করাকে সমাজিক সমস্যা হিসাবে উল্লেখ করেছে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ। কিন্তু আমাদের দেশে গণমাধ্যমের মাধ্যমে গুজব ছড়াচ্ছে না। আন ইডিটেড প্লাটফর্ম থেকে এগুলো ছড়াচ্ছে।

গুজবের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ গুজব ছড়াতে পোষ্ট দিলে, সেগুলোর বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমাদের ১৩ সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে। আমাদের বৈঠকে গুজব প্রতিরোধের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। কাল উচ্চ পর্যায়ের কমিটির আলোচনা হবে। তিনি বলেন, যারা গুজব প্রাণঘাতি গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর শাস্তি দরকার বলে মনে করি। ভবিষ্যতে কেউ এমন গুজব ছড়ালে শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গুজব প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়বদ্ধতা রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গুজব প্রতিরোধে ফেইসবুক-টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়বদ্ধতা রয়েছে।

৩১ জুলাই সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে গুজব পোষ্ট দেয়া হয় ফেইক আইডি ব্যবহার করে। আমি যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছে যে গুজব ছড়ায় তাকে শনাক্ত করে তার শাস্তির পাশাপাশি ও যারা সার্ভিস প্রোভাইডার তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তারা আইন বা নীতিমালা তৈরী করছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে সারাদেশে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমরা জেনেছি প্রথম গুজব ছড়ানো হয় লন্ডন থেকে একটি পোষ্টের মাধ্যমে। সেখানে বলা হয় সরকারের অনুমোদন নিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণে এক লাখ শিশুর মাথা বলি দিতে হবে। সেটি সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এতে কিছু দুষ্কৃতিকারি সন্দেহজনকভাবে মানুষের উপর আক্রমণ করেছে, হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও হয়েছে। তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ওই ঘটনার পর নতুন গুজব ছড়িয়েছে বিদ্যুৎ থাকবে না, তখন ছেলে ধরা আসবে। সেটি যে মিথ্যা আমরা জনগণকে সেটি বুঝাতে সক্ষম হয়েছি। এরপর নতুন আরেকটি গুজব ছড়িয়েছে বেসিনে হারপিকসহ কেমিক্যাল ঢেলে দিলে ডেঙ্গু নিধন সম্ভব হবে। এটি অসত্য গুজব সেটির বিষয়ে সবাইকে সচেতন করছি। এভাবে গুজব ছড়াচ্ছে স্বার্থান্বেসী একটি মহল।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গুজব শুধু আমাদের দেশের নয়, অনেক দেশের সমস্যা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সেখানে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করাকে সমাজিক সমস্যা হিসাবে উল্লেখ করেছে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ। কিন্তু আমাদের দেশে গণমাধ্যমের মাধ্যমে গুজব ছড়াচ্ছে না। আন ইডিটেড প্লাটফর্ম থেকে এগুলো ছড়াচ্ছে।

গুজবের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ গুজব ছড়াতে পোষ্ট দিলে, সেগুলোর বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমাদের ১৩ সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে। আমাদের বৈঠকে গুজব প্রতিরোধের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। কাল উচ্চ পর্যায়ের কমিটির আলোচনা হবে। তিনি বলেন, যারা গুজব প্রাণঘাতি গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর শাস্তি দরকার বলে মনে করি। ভবিষ্যতে কেউ এমন গুজব ছড়ালে শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।সূত্র : বাসস