ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণের খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে এমপি’র গাড়ি ভাংচুর, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ফিরোজ মিয়া’র উঠান বৈঠক সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল সাথী

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে সাজেদা আক্তার সাথী (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রী। সে ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

৩ জুলাই সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী।

জানা গেছে, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের গোলাম হোসেনের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সাজেদা আক্তার সাথীর ৩ জুলাই রাতে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বিয়ে উপলক্ষে কনে পক্ষ সকল আয়োজন সম্পন্ন করলে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী তাৎক্ষণিক বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বর পক্ষ আসার আগেই বিয়ের সকল আয়োজন পন্ড করে দেন। এ সময় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা গোলাম হোসেন ১৮ বছরের আগে তার কন্যাকে বিয়ে না দিতে মুচলেকা প্রদান করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

বকশীগঞ্জে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল সাথী

আপডেট সময় ০৬:০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে সাজেদা আক্তার সাথী (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রী। সে ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

৩ জুলাই সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী।

জানা গেছে, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের গোলাম হোসেনের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সাজেদা আক্তার সাথীর ৩ জুলাই রাতে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বিয়ে উপলক্ষে কনে পক্ষ সকল আয়োজন সম্পন্ন করলে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী তাৎক্ষণিক বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বর পক্ষ আসার আগেই বিয়ের সকল আয়োজন পন্ড করে দেন। এ সময় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা গোলাম হোসেন ১৮ বছরের আগে তার কন্যাকে বিয়ে না দিতে মুচলেকা প্রদান করেন।