ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে বজ্রপাতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার জামালপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট একটি সফল আয়োজন : কিছু পর্যালোচনা জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা

জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবিকাদের প্রশিক্ষণ

জামালপুরে কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবিকাদের প্রশিক্ষণে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবিকাদের প্রশিক্ষণে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

মাতৃমৃত্যু ও নবজাতকের মৃত্যুর হার হ্রাস করার মাধ্যমে স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে জামালপুরে উন্নয়ন সংঘ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন কমিউনিটি বেইজড ইন্টারভেনশন ফর ইমপ্রোভিং সেক্সুয়াল, রিপ্রোডাক্টিভ হেল্থ এন্ড রাইটস ইনক্লুডিং মেটারনাল এন্ড নিউবর্ণ হেলথ (এসআরএইচআরএমএনএইচ) প্রকল্পে কর্মরত কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবিকাদের তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ২ এপ্রিল উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসির শেউলা সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা। অলোচনায় অংশ নেন উন্নয়ন সংঘের পরিচালক অর্থ ও প্রশাসন জিয়াউর রহমান প্রমুখ। এতে সহায়ক ব্যক্তি হিসেবে দাযিত্ব পালন করেন উন্নয়ন সংঘের জেন্ডার ফোকাল মিনারা পারভীন, জেলা ব্যবস্থাপক লিটন চন্দ্র সরকার, হেলাল উদ্দিন, সমীর কুমার পান্ডে, আরজু মিয়া, রাসেল, বাদশা ও শাহানা বেগম।

প্রশিক্ষণে দুই ব্যাচে ৬০ জন সিএইভি অংশ নিয়েছে। সারা জেলায় এই প্রকল্পের আওতায় মোট ৬১২ জন সিএইভি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দক্ষতা অর্জন করবে বলে সূত্র জানায়।

প্রশিক্ষণ সূত্রে জানা যায়, এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০২০ সালের মধ্যে স্থানীয় স্বাস্থ্য সেবা প্রক্রিয়ায় মা, নবজাতক, কিশোর, কিশোরীদের সম প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটবে। সেবা প্রদানকারীদের গুণগত সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। সেবা গ্রহিতাদের স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান, পরিবার পর্যায়ে আচরণ ও অভ্যাসগত ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। একই সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যগত তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে এবং সেবা গ্রহীতাদের সেবা গ্রহণের আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবিকাদের প্রশিক্ষণ

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০১৯
জামালপুরে কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবিকাদের প্রশিক্ষণে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

মাতৃমৃত্যু ও নবজাতকের মৃত্যুর হার হ্রাস করার মাধ্যমে স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে জামালপুরে উন্নয়ন সংঘ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন কমিউনিটি বেইজড ইন্টারভেনশন ফর ইমপ্রোভিং সেক্সুয়াল, রিপ্রোডাক্টিভ হেল্থ এন্ড রাইটস ইনক্লুডিং মেটারনাল এন্ড নিউবর্ণ হেলথ (এসআরএইচআরএমএনএইচ) প্রকল্পে কর্মরত কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবিকাদের তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ২ এপ্রিল উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসির শেউলা সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা। অলোচনায় অংশ নেন উন্নয়ন সংঘের পরিচালক অর্থ ও প্রশাসন জিয়াউর রহমান প্রমুখ। এতে সহায়ক ব্যক্তি হিসেবে দাযিত্ব পালন করেন উন্নয়ন সংঘের জেন্ডার ফোকাল মিনারা পারভীন, জেলা ব্যবস্থাপক লিটন চন্দ্র সরকার, হেলাল উদ্দিন, সমীর কুমার পান্ডে, আরজু মিয়া, রাসেল, বাদশা ও শাহানা বেগম।

প্রশিক্ষণে দুই ব্যাচে ৬০ জন সিএইভি অংশ নিয়েছে। সারা জেলায় এই প্রকল্পের আওতায় মোট ৬১২ জন সিএইভি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দক্ষতা অর্জন করবে বলে সূত্র জানায়।

প্রশিক্ষণ সূত্রে জানা যায়, এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০২০ সালের মধ্যে স্থানীয় স্বাস্থ্য সেবা প্রক্রিয়ায় মা, নবজাতক, কিশোর, কিশোরীদের সম প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটবে। সেবা প্রদানকারীদের গুণগত সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। সেবা গ্রহিতাদের স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান, পরিবার পর্যায়ে আচরণ ও অভ্যাসগত ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। একই সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যগত তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে এবং সেবা গ্রহীতাদের সেবা গ্রহণের আগ্রহ সৃষ্টি হবে।