ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সমস্যা হবে না : জ্বালানি মুখপাত্র

জামালপুরে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত

বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসের শোভাযাত্রা। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসের শোভাযাত্রা। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুর প্রতিনিধি, বাংলারচিঠি ডটকম

‘এখনই সময় অঙ্গীকার করার, যক্ষ্মামুক্ত দেশ গড়ার’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে জামালপুরে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ২৪ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি-নাটাব ও ডেনিয়েন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।

দিবসটি উপলক্ষে ২৪ মার্চ সকালে শহরের ফৌজদারী মোড় থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান, বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের চিকিৎসা কর্মকর্তা চিকিৎসক স্বাগত সাহা, টাঙ্গাইল যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা চিকিৎসক এস এম কামরুজ্জামান, ওসি ডিবি নওয়াজেশ আলী, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, জেলা নাটাবের সভাপতি তানভীর আহমেদ হীরা, রক্তের বন্ধনের সহসভাপতি আনিসুর রহমান প্রমুখ।

বিশ্ব যক্ষা দিবসের আলোচনা সভা। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সভায় সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায় তামকজাত দ্রব্য পরিহার ও যক্ষ্মার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করে যক্ষ্মা নির্মূলে ভূমিকা রাখার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এ ছাড়া সরকারিভাবে চিকিৎসাসেবা নেয়ার জন্য সবাইকে অন্তত একজন করে যক্ষ্মারোগী সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে পাঠানোর আহবান জানান তিনি।

বক্তারা বলেন, যক্ষ্মা একটি প্রাচীনতম ভয়াবহ রোগ। এখন যক্ষ্মা হলে রক্ষা আছে, যক্ষ্মা হলে আতঙ্ক ও লজ্জার কিছু নেই। যক্ষ্মারোগীদের জন্য সরকার সকল চিকিৎসা খরচ বহন করে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত

আপডেট সময় ০৬:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯
বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসের শোভাযাত্রা। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুর প্রতিনিধি, বাংলারচিঠি ডটকম

‘এখনই সময় অঙ্গীকার করার, যক্ষ্মামুক্ত দেশ গড়ার’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে জামালপুরে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ২৪ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি-নাটাব ও ডেনিয়েন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।

দিবসটি উপলক্ষে ২৪ মার্চ সকালে শহরের ফৌজদারী মোড় থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান, বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের চিকিৎসা কর্মকর্তা চিকিৎসক স্বাগত সাহা, টাঙ্গাইল যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা চিকিৎসক এস এম কামরুজ্জামান, ওসি ডিবি নওয়াজেশ আলী, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, জেলা নাটাবের সভাপতি তানভীর আহমেদ হীরা, রক্তের বন্ধনের সহসভাপতি আনিসুর রহমান প্রমুখ।

বিশ্ব যক্ষা দিবসের আলোচনা সভা। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সভায় সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায় তামকজাত দ্রব্য পরিহার ও যক্ষ্মার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করে যক্ষ্মা নির্মূলে ভূমিকা রাখার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এ ছাড়া সরকারিভাবে চিকিৎসাসেবা নেয়ার জন্য সবাইকে অন্তত একজন করে যক্ষ্মারোগী সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে পাঠানোর আহবান জানান তিনি।

বক্তারা বলেন, যক্ষ্মা একটি প্রাচীনতম ভয়াবহ রোগ। এখন যক্ষ্মা হলে রক্ষা আছে, যক্ষ্মা হলে আতঙ্ক ও লজ্জার কিছু নেই। যক্ষ্মারোগীদের জন্য সরকার সকল চিকিৎসা খরচ বহন করে।