ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর বাংলাদেশ, বাংলাদেশের সংবিধানের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন দেশের ইতিহাসে তারেক জিয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা  স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ জামালপুরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কনসালটেশন সেসন অনুষ্ঠিত

১৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ ১৯ জানুয়ারি।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সমাবেশে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। জাতীয় নেতৃবৃন্দও সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।

সমাবেশ শুরু হবে দুপুর আড়াইটায়। তবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হবে দুপুর বারোটায়। সকাল এগারোটায় সমাবেশস্থলে প্রবেশের গেইট খুলে দেয়া হবে।

এদিকে ১৯ জানুয়ারির রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিজয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আওয়ামী লীগ। সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে দলের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, ঢাকা ও তার আশপাশের জেলার আওয়ামী লীগ ও দলীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রস্তুতি সভা করেছে দলটি।

এ উপলক্ষে ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভার আয়োজন করে। তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

তিনি ১৯ জানুয়ারির বিজয় সমাবেশ, উৎসব নয় উল্লেখ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সমাবেশ বর্ণিল কিন্তু সুশৃঙ্খল হবে। নেত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়া পর্যন্ত সবাই উপস্থিত থাকার নির্দেশনাও দেন তিনি।

এ ছাড়াও এরআগে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সঙ্গেও প্রস্তুতি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর এ বিজয় সমাবেশকে স্মরণীয় করে রাখতে বিপুল জনসমাগমের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল বলেন, বিজয় সমাবেশকে সফল করতে দলের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, বিভিন্ন সহযোগি সংগঠন ও ঢাকার আশে-পাশের জেলার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বিজয় সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সমাবেশের মঞ্চ, সাজসজ্জা, মাঠ পরিষ্কার করা হয়েছে। খাবারের পানি, পয়:নিষ্কাশনের ব্যবস্থাসহ সকল প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সমাবেশস্থলে কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও ব্যবস্থা থাকবে।

সমাবেশে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নেতা-কর্মীদের মিছিলে বহন করে আনা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয়েছে। উদ্যানের ৬টি গেইটের মধ্যে শিখা চিরন্তন গেইট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ, ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশনের গেইট দিয়ে আমন্ত্রিত অতিথিরা প্রবেশ করবেন।

তিন নেতার মাজার সংলগ্ন গেইট, বাংলা একাডেমীর সামনের গেইট, টিএসটি গেইট ও চারুকলার সামনের গেইট দিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা প্রবেশ করবেন।

সমাবেশস্থলকে নান্দনিক শৈল্পিকভাবে সাজানো হয়েছে। সমাবেশের বিশাল প্যান্ডেলে প্রায় ত্রিশ হাজার চেয়ার বসানো হবে বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে কয়েক লাখ লোকের সমাবেশ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৫৭ টি আসনে জয়লাভ করে।
সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ

আপডেট সময় ০৭:৫২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ ১৯ জানুয়ারি।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সমাবেশে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। জাতীয় নেতৃবৃন্দও সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।

সমাবেশ শুরু হবে দুপুর আড়াইটায়। তবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হবে দুপুর বারোটায়। সকাল এগারোটায় সমাবেশস্থলে প্রবেশের গেইট খুলে দেয়া হবে।

এদিকে ১৯ জানুয়ারির রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিজয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আওয়ামী লীগ। সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে দলের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, ঢাকা ও তার আশপাশের জেলার আওয়ামী লীগ ও দলীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রস্তুতি সভা করেছে দলটি।

এ উপলক্ষে ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভার আয়োজন করে। তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

তিনি ১৯ জানুয়ারির বিজয় সমাবেশ, উৎসব নয় উল্লেখ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সমাবেশ বর্ণিল কিন্তু সুশৃঙ্খল হবে। নেত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়া পর্যন্ত সবাই উপস্থিত থাকার নির্দেশনাও দেন তিনি।

এ ছাড়াও এরআগে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সঙ্গেও প্রস্তুতি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর এ বিজয় সমাবেশকে স্মরণীয় করে রাখতে বিপুল জনসমাগমের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল বলেন, বিজয় সমাবেশকে সফল করতে দলের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, বিভিন্ন সহযোগি সংগঠন ও ঢাকার আশে-পাশের জেলার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বিজয় সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সমাবেশের মঞ্চ, সাজসজ্জা, মাঠ পরিষ্কার করা হয়েছে। খাবারের পানি, পয়:নিষ্কাশনের ব্যবস্থাসহ সকল প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সমাবেশস্থলে কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও ব্যবস্থা থাকবে।

সমাবেশে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নেতা-কর্মীদের মিছিলে বহন করে আনা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয়েছে। উদ্যানের ৬টি গেইটের মধ্যে শিখা চিরন্তন গেইট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ, ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশনের গেইট দিয়ে আমন্ত্রিত অতিথিরা প্রবেশ করবেন।

তিন নেতার মাজার সংলগ্ন গেইট, বাংলা একাডেমীর সামনের গেইট, টিএসটি গেইট ও চারুকলার সামনের গেইট দিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা প্রবেশ করবেন।

সমাবেশস্থলকে নান্দনিক শৈল্পিকভাবে সাজানো হয়েছে। সমাবেশের বিশাল প্যান্ডেলে প্রায় ত্রিশ হাজার চেয়ার বসানো হবে বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে কয়েক লাখ লোকের সমাবেশ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৫৭ টি আসনে জয়লাভ করে।
সূত্র : বাসস