ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নের জন্য সমতার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী গৃহভিত্তিক কর্মীদের সোস্যাল মিডিয়া বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষককে হত্যার চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত জামালপুরে লেখক সমিতির স্মারকলিপি পেশ অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-এসআরবি আইন, ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন শেরপুরে ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে ৩০০ দরিদ্র পরিবার পেল দানের মাঝে আনন্দ : মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মুক্তিযোদ্ধা কোটার দাবিতে স্মারকলিপি

স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। ছবি : শফিকুল ইসলাম

স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। ছবি : শফিকুল ইসলাম

জামালপুর প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

সরকারি চাকরিতে শতকরা ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল ও ১১ দফা দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন জামালপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের নেতৃবৃন্দ। দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০ অক্টোবর দুপুরে এ স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা মোখলেছুর রহমান হিরু, সুজাত আলী ফকির ও হায়দার আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের সভাপতি মো. মাহফুজুল আলম মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন, সহসভাপতি মো. সফিউদ-দৌলা চিশতী, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ইলহাজ হাবিব সেনাসহ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা কোটার দাবিতে স্মারকলিপি

আপডেট সময় ০৬:৫০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮
স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। ছবি : শফিকুল ইসলাম

জামালপুর প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

সরকারি চাকরিতে শতকরা ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল ও ১১ দফা দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন জামালপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের নেতৃবৃন্দ। দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০ অক্টোবর দুপুরে এ স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা মোখলেছুর রহমান হিরু, সুজাত আলী ফকির ও হায়দার আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের সভাপতি মো. মাহফুজুল আলম মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন, সহসভাপতি মো. সফিউদ-দৌলা চিশতী, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ইলহাজ হাবিব সেনাসহ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।