ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সমস্যা হবে না : জ্বালানি মুখপাত্র

২২ শর্তে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
২২ শর্তে ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমাদের বেলা দুইটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত জনসভার অনুমতি দিয়েছে। ইনশাল্লাহ, আগামীকাল রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) একটি সফল জনসভা হবে। এই জনসভায় গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।’

২২ শর্তে যা আছে
২৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এবং দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী আব্দুস সালাম আজাদ ডিএমপি কার্যালয়ে যান। এ সময় ডিএমপির পক্ষ থেকে ২২টি শর্ত সংবলিত সমাবেশের অনুমতিপত্র তাদের দেওয়া হয়।

ডিএমপির শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- সমাবেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিপন্থী, রাষ্ট্র ও জননিরাপত্তা পরিপন্থী কোনো কার্যকলাপ পরিচালনা করা যাবে না, উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য এবং প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনে- এমন কোনো ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য প্রদান ও প্রচার করা যাবে না। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আইডিকার্ডসহ নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী নিয়োগ করতে হবে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে আসা প্রতিটি যানবাহন তল্লাশি করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না। অনুমোদিত স্থানের বাইরে সড়ক ও ফুটপাতে প্রজেকশন ব্যবহার করা যাবে না, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সড়কে অথবা ফুটপাতে সমবেত হওয়া যাবে না, আজান, নামাজ এবং ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক চালু রাখা যাবে না। জনসভার মঞ্চ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না, জনসভার ২ ঘণ্টা পূর্বে মানুষ জনসভাস্থলে আসতে পারবে, বিকেল ৫টার মধ্যে জনসভা শেষ করতে হবে, মিছিল সহকারে জনসভায় আসা যাবে না। ব্যানার-ফেস্টুনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠি, সোটা, রড আনা যাবে না, শর্ত না মানলে তাৎক্ষণিকভাবে অনুমতি বাতিল বলে গণ্য হবে, জনস্বার্থে কোনো কারণ দর্শনা ছাড়াই কর্তৃপক্ষ এই অনুমতি বাতিল করতে পারবে।
সূত্র : ইত্তেফাক

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

২২ শর্তে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি

আপডেট সময় ০৪:৪০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
২২ শর্তে ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমাদের বেলা দুইটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত জনসভার অনুমতি দিয়েছে। ইনশাল্লাহ, আগামীকাল রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) একটি সফল জনসভা হবে। এই জনসভায় গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।’

২২ শর্তে যা আছে
২৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এবং দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী আব্দুস সালাম আজাদ ডিএমপি কার্যালয়ে যান। এ সময় ডিএমপির পক্ষ থেকে ২২টি শর্ত সংবলিত সমাবেশের অনুমতিপত্র তাদের দেওয়া হয়।

ডিএমপির শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- সমাবেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিপন্থী, রাষ্ট্র ও জননিরাপত্তা পরিপন্থী কোনো কার্যকলাপ পরিচালনা করা যাবে না, উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য এবং প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনে- এমন কোনো ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য প্রদান ও প্রচার করা যাবে না। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আইডিকার্ডসহ নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী নিয়োগ করতে হবে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে আসা প্রতিটি যানবাহন তল্লাশি করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না। অনুমোদিত স্থানের বাইরে সড়ক ও ফুটপাতে প্রজেকশন ব্যবহার করা যাবে না, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সড়কে অথবা ফুটপাতে সমবেত হওয়া যাবে না, আজান, নামাজ এবং ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক চালু রাখা যাবে না। জনসভার মঞ্চ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না, জনসভার ২ ঘণ্টা পূর্বে মানুষ জনসভাস্থলে আসতে পারবে, বিকেল ৫টার মধ্যে জনসভা শেষ করতে হবে, মিছিল সহকারে জনসভায় আসা যাবে না। ব্যানার-ফেস্টুনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠি, সোটা, রড আনা যাবে না, শর্ত না মানলে তাৎক্ষণিকভাবে অনুমতি বাতিল বলে গণ্য হবে, জনস্বার্থে কোনো কারণ দর্শনা ছাড়াই কর্তৃপক্ষ এই অনুমতি বাতিল করতে পারবে।
সূত্র : ইত্তেফাক