ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী জামালপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা সমাপ্ত বকশীগঞ্জে মাটিকাটার অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা জামালপুরে জেলা শ্রমিকদলের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালপুর সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজের নবনির্মিত তিনটি ভবন উদ্বোধন দেওয়ানগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত জামালপুরে মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব ও প্রতিরোধে করণীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জে নাশকতা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যের পিএস গ্রেপ্তার

জামালপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা সমাপ্ত

জামালপুর : কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক কামরুন্নাহার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং সমাজে ইতিবাচক জেন্ডার-ভিত্তিক রীতিনীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জামালপুরে দু’দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২৮ সেপ্টেম্বর, সোমবার শেষ হয়েছে।

‘অ্যাক্সিলারেটিং অ্যাকশন টু এন্ড চাইল্ড ম্যারেজ’ প্রকল্পের আওতায়, কিংডম অব নেদারল্যান্ডস-এর আর্থিক সহযোগিতায়, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) ও একশনএইড বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি এডুকেশন (বেইস) সংস্থার সহযোগিতায় ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসিতে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এদিন কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কামরুন্নাহার।

প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কামরুন্নাহার। এতে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুইটি বিভাগের প্রোগ্রাম অফিসার শান্তা ইসলাম, ইউএনএফপিএ-এর অ্যডোলোসেন্ট অ্যান্ড ইয়ুথ বিষয়ক টেকনিক্যাল অফিসার সুরাইয়া সুলতানা, ফিল্ড অফিসার মো. আতাহার আলী, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি এডুকেশন (বেইস) সংস্থার ডেপুটি ডিরেক্টর কামরুল হাসান খন্দোকার, জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদা, জেলা প্রেসক্লাব, জামালপুরের সভাপতি এম এ জলিল, প্রেসক্লাব জামালপুরের সভাপতি মুখলেছুর রহমান লিখন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুন্নাহার বলেন, জামালপুরে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের লেখনী ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে জনসচেতনতা বাড়ানো যায়। নতুন ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করা সম্ভব। এই কর্মশালা আমাদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জামালপুরের কিশোরীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কাজ করব।

কর্মশালায় দুটি মূল দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়। প্রথমত, বাল্যবিয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত সামাজিক রীতিনীতি ও এর মূল প্রভাবকসমূহ, জেন্ডার বৈষম্য, বিয়ে নিবন্ধন ও এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ের প্রবণতা এবং এ সংক্রান্ত আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়।

দ্বিতীয়ত, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের করণীয় এবং একটি সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজনে ইউএনএফপিএ-এর তিনটি প্রধান রূপান্তরমূলক লক্ষ্য- প্রতিরোধযোগ্য মাতৃমৃত্যুর হার শূন্যে নামিয়ে আনা। পরিবার পরিকল্পনার অপূরণীয় চাহিদা শূন্যে আনা। জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা ও বাল্যবিয়েসহ সব ধরনের ক্ষতিকর প্রথা শূন্যে নামিয়ে আনার অর্জনে গণমাধ্যমের ভূমিকার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আলোচকেরা উল্লেখ করেন, সংবাদের বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল উপস্থাপনের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতি দূর করা, গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধি, কিশোর-কিশোরীদের জীবনদক্ষতা উন্নয়ন এবং বাল্যবিয়ে ও নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে নীতি প্রণেতাদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম।

কর্মশালায় গণমাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির পাশাপাশি জেন্ডার সমতার অগ্রগতি যথাযথ ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় নারীর প্রতি সহিংসতা, কিশোরী গর্ভধারণের হার, জেন্ডার বৈষম্য সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান, শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ এবং শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণে নেই- এমন তরুণ জনগোষ্ঠীর (NEET) মধ্যে নারী ও পুরুষের তুলনামূলক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়।

কর্মশালার সমাপণী দিনে গণমাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুদের উপস্থাপন কিভাবে ক্ষতিকর জেন্ডার ও সামাজিক রীতিনীতিকে স্থায়ী রূপ দেয় তা বিশ্লেষণ করা হয়। পাশাপাশি পুরুষ ও ছেলেদের ইতিবাচক উপস্থাপনের ভূমিকা এবং নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি বৈষম্য মোকাবিলায় গণমাধ্যম ও বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলোর দায়িত্ব নিয়ে আলোকপাত করা হয়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকবৃন্দ জেন্ডার-সংবেদনশীল সংবাদ উপস্থাপনের কৌশলগুলো আয়ত্ত করে ভবিষ্যতে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সফলভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন।

কর্মশালায় জামালপুর জেলা সদর ও চারটি উপজেলার স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

জামালপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা সমাপ্ত

আপডেট সময় ১১:০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং সমাজে ইতিবাচক জেন্ডার-ভিত্তিক রীতিনীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জামালপুরে দু’দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২৮ সেপ্টেম্বর, সোমবার শেষ হয়েছে।

‘অ্যাক্সিলারেটিং অ্যাকশন টু এন্ড চাইল্ড ম্যারেজ’ প্রকল্পের আওতায়, কিংডম অব নেদারল্যান্ডস-এর আর্থিক সহযোগিতায়, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) ও একশনএইড বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি এডুকেশন (বেইস) সংস্থার সহযোগিতায় ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসিতে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এদিন কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কামরুন্নাহার।

প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কামরুন্নাহার। এতে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুইটি বিভাগের প্রোগ্রাম অফিসার শান্তা ইসলাম, ইউএনএফপিএ-এর অ্যডোলোসেন্ট অ্যান্ড ইয়ুথ বিষয়ক টেকনিক্যাল অফিসার সুরাইয়া সুলতানা, ফিল্ড অফিসার মো. আতাহার আলী, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি এডুকেশন (বেইস) সংস্থার ডেপুটি ডিরেক্টর কামরুল হাসান খন্দোকার, জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদা, জেলা প্রেসক্লাব, জামালপুরের সভাপতি এম এ জলিল, প্রেসক্লাব জামালপুরের সভাপতি মুখলেছুর রহমান লিখন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুন্নাহার বলেন, জামালপুরে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের লেখনী ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে জনসচেতনতা বাড়ানো যায়। নতুন ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করা সম্ভব। এই কর্মশালা আমাদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জামালপুরের কিশোরীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কাজ করব।

কর্মশালায় দুটি মূল দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়। প্রথমত, বাল্যবিয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত সামাজিক রীতিনীতি ও এর মূল প্রভাবকসমূহ, জেন্ডার বৈষম্য, বিয়ে নিবন্ধন ও এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ের প্রবণতা এবং এ সংক্রান্ত আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়।

দ্বিতীয়ত, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের করণীয় এবং একটি সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজনে ইউএনএফপিএ-এর তিনটি প্রধান রূপান্তরমূলক লক্ষ্য- প্রতিরোধযোগ্য মাতৃমৃত্যুর হার শূন্যে নামিয়ে আনা। পরিবার পরিকল্পনার অপূরণীয় চাহিদা শূন্যে আনা। জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা ও বাল্যবিয়েসহ সব ধরনের ক্ষতিকর প্রথা শূন্যে নামিয়ে আনার অর্জনে গণমাধ্যমের ভূমিকার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আলোচকেরা উল্লেখ করেন, সংবাদের বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল উপস্থাপনের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতি দূর করা, গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধি, কিশোর-কিশোরীদের জীবনদক্ষতা উন্নয়ন এবং বাল্যবিয়ে ও নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে নীতি প্রণেতাদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম।

কর্মশালায় গণমাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির পাশাপাশি জেন্ডার সমতার অগ্রগতি যথাযথ ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় নারীর প্রতি সহিংসতা, কিশোরী গর্ভধারণের হার, জেন্ডার বৈষম্য সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান, শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ এবং শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণে নেই- এমন তরুণ জনগোষ্ঠীর (NEET) মধ্যে নারী ও পুরুষের তুলনামূলক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়।

কর্মশালার সমাপণী দিনে গণমাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুদের উপস্থাপন কিভাবে ক্ষতিকর জেন্ডার ও সামাজিক রীতিনীতিকে স্থায়ী রূপ দেয় তা বিশ্লেষণ করা হয়। পাশাপাশি পুরুষ ও ছেলেদের ইতিবাচক উপস্থাপনের ভূমিকা এবং নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি বৈষম্য মোকাবিলায় গণমাধ্যম ও বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলোর দায়িত্ব নিয়ে আলোকপাত করা হয়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকবৃন্দ জেন্ডার-সংবেদনশীল সংবাদ উপস্থাপনের কৌশলগুলো আয়ত্ত করে ভবিষ্যতে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সফলভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন।

কর্মশালায় জামালপুর জেলা সদর ও চারটি উপজেলার স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।